
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৩জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন বাহুবল উপজেলার পুটিজুরি এলাকার জহুর মিয়া (৫৫), নুরুল আমিন (৩৫) ও চুনারুঘাট উপজেলার নাছিমাবাদ চাবাগানের বিশাল উড়াং (২০)।
এ ছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় ৩জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার গভীর রাতে যথাক্রমে বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের ঢাকা সিলেট মহাসড়কের শেওড়াতুলী ও চুনারুঘাট উপজেলার গাজীগঞ্জ নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
বাহুবল উপজেলার ২নং পুটিজুরী ইউনিয়নের হিলালপুর গ্রামের মৃত মোস্তফা মিয়ার ছেলে মাওলানা মিজান মিয়ার পিকআপ ভ্যান ঢাকা সিলেট মহাসড়কের শেওড়াতুলী নামক স্থানে উল্টে গেলে ভ্যানে থাকা উপজেলার হিলালপুর গ্রামের মৃত চন্দু মিয়ার ছেলে জহুর মিয়া (৫৫), মৃত মোস্তফা মিয়ার ছেলে মাওলানা মিজান মিয়া(৪০), অলুয়া গ্রামের মৃত সিজিল মিয়ার ছেলে মো. নুরুল আমিন (৩৫) এবং পুটিজুরী ইউনিয়নের গোলগাও গ্রামের ছুরুক মিয়ার ছেলে ফজলু মিয়া(৫৩) গুরুতর আহত হন।
এ সময় স্থানীয় লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জহুর মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় নুরুল আমিন, ফজলু মিয়া ও মিজান মিয়াকে সিলেট ওসমানী মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়। পথেই নুরুল আমিন মারা যান।
এদিকে রাত ২টার দিকে চুনারুঘাট উপজেলার গাজীগঞ্জ বাজারে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একজন মারা যায়। তিনি উপজেলার নাছিমাবাদ চা বাগানের আকাশ উড়াং এর ছেলে বিশাল উড়াং (২০)।
দুর্ঘটনা ও হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যথাক্রমে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিল্লোল রায় ও বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মশিউর রহমান।

হবিগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৩জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন বাহুবল উপজেলার পুটিজুরি এলাকার জহুর মিয়া (৫৫), নুরুল আমিন (৩৫) ও চুনারুঘাট উপজেলার নাছিমাবাদ চাবাগানের বিশাল উড়াং (২০)।
এ ছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় ৩জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার গভীর রাতে যথাক্রমে বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের ঢাকা সিলেট মহাসড়কের শেওড়াতুলী ও চুনারুঘাট উপজেলার গাজীগঞ্জ নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
বাহুবল উপজেলার ২নং পুটিজুরী ইউনিয়নের হিলালপুর গ্রামের মৃত মোস্তফা মিয়ার ছেলে মাওলানা মিজান মিয়ার পিকআপ ভ্যান ঢাকা সিলেট মহাসড়কের শেওড়াতুলী নামক স্থানে উল্টে গেলে ভ্যানে থাকা উপজেলার হিলালপুর গ্রামের মৃত চন্দু মিয়ার ছেলে জহুর মিয়া (৫৫), মৃত মোস্তফা মিয়ার ছেলে মাওলানা মিজান মিয়া(৪০), অলুয়া গ্রামের মৃত সিজিল মিয়ার ছেলে মো. নুরুল আমিন (৩৫) এবং পুটিজুরী ইউনিয়নের গোলগাও গ্রামের ছুরুক মিয়ার ছেলে ফজলু মিয়া(৫৩) গুরুতর আহত হন।
এ সময় স্থানীয় লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জহুর মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় নুরুল আমিন, ফজলু মিয়া ও মিজান মিয়াকে সিলেট ওসমানী মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়। পথেই নুরুল আমিন মারা যান।
এদিকে রাত ২টার দিকে চুনারুঘাট উপজেলার গাজীগঞ্জ বাজারে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একজন মারা যায়। তিনি উপজেলার নাছিমাবাদ চা বাগানের আকাশ উড়াং এর ছেলে বিশাল উড়াং (২০)।
দুর্ঘটনা ও হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যথাক্রমে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিল্লোল রায় ও বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মশিউর রহমান।

মন্ত্রী বলেন, “আমাদের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আপনাদের এলাকায় যত রাস্তাঘাট ও সেতু রয়েছে, ইনশাআল্লাহ পাঁচ বছরের মধ্যে সব সম্পন্ন করা হবে। তিন মাসে যে কাজ হয়েছে, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরেও তা হয়নি।”
১ দিন আগে
বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে