
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে কয়েকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্রুত অবস্থান নেওয়ায় সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি বিএসএফ। পরে সীমান্তে জড়ো করা ব্যক্তিদের আবার ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে শিবগঞ্জের চকপাড়া সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে রাতভর সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে।
৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ১১৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের মল্লিক সুলতানপুর ক্যাম্পের আওতাধীন সীমান্ত পিলার ১৮৩/৩-এস এলাকার নিরাপত্তা বাতি হঠাৎ নিভিয়ে দেওয়া হয়। একই সময়ে শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৬০০ গজ ভেতরে ভারতের মুসলিমপাড়া এলাকায় প্রায় ১২ জনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
বিষয়টি নজরে আসতেই বিজিবির টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় সীমান্তে সতর্ক অবস্থান নেয়। তাদের উপস্থিতির কারণে অনুপ্রবেশের চেষ্টা ভেস্তে যায়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রাত পৌনে ১০টার দিকে সীমান্তের আলো নিভে গেলে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এরপর মাইকিং করে এলাকাবাসীকে সতর্ক করা হলে কয়েক শ মানুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে সীমান্তে জড়ো হন। একই সময়ে বিজিবিও সেখানে অবস্থান নেয়।
শাহবাজপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হক বলেন, স্থানীয়দের ব্যাপক উপস্থিতি ও চিৎকার-চেঁচামেচির একপর্যায়ে সীমান্তের আলো আবার জ্বালায় বিএসএফ। তখন সীমান্তের ওপারে তাদের চারটি গাড়ি এবং সাদাপোশাকে কয়েকজনকে দেখা যায়। রাতভর বিজিবি ও গ্রামবাসী পাহারায় থাকায় শেষ পর্যন্ত বিএসএফ পুশ-ইনের জন্য আনা লোকজনকে সরিয়ে নেয়।
বিজিবি জানায়, শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বিএসএফ নিজেদের গাড়িতে করে ওই ব্যক্তিদের মালদাহ হোল্ডার সেন্টারে নিয়ে যায় বলে তাদের নিজস্ব সূত্রে জানা গেছে।
৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। এ কাজে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং ভবিষ্যতেও এই সমন্বিত তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
রাজনীতি/আরআইআর

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে কয়েকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্রুত অবস্থান নেওয়ায় সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেনি বিএসএফ। পরে সীমান্তে জড়ো করা ব্যক্তিদের আবার ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে শিবগঞ্জের চকপাড়া সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে রাতভর সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে।
৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ১১৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের মল্লিক সুলতানপুর ক্যাম্পের আওতাধীন সীমান্ত পিলার ১৮৩/৩-এস এলাকার নিরাপত্তা বাতি হঠাৎ নিভিয়ে দেওয়া হয়। একই সময়ে শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৬০০ গজ ভেতরে ভারতের মুসলিমপাড়া এলাকায় প্রায় ১২ জনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
বিষয়টি নজরে আসতেই বিজিবির টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় সীমান্তে সতর্ক অবস্থান নেয়। তাদের উপস্থিতির কারণে অনুপ্রবেশের চেষ্টা ভেস্তে যায়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রাত পৌনে ১০টার দিকে সীমান্তের আলো নিভে গেলে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এরপর মাইকিং করে এলাকাবাসীকে সতর্ক করা হলে কয়েক শ মানুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে সীমান্তে জড়ো হন। একই সময়ে বিজিবিও সেখানে অবস্থান নেয়।
শাহবাজপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হক বলেন, স্থানীয়দের ব্যাপক উপস্থিতি ও চিৎকার-চেঁচামেচির একপর্যায়ে সীমান্তের আলো আবার জ্বালায় বিএসএফ। তখন সীমান্তের ওপারে তাদের চারটি গাড়ি এবং সাদাপোশাকে কয়েকজনকে দেখা যায়। রাতভর বিজিবি ও গ্রামবাসী পাহারায় থাকায় শেষ পর্যন্ত বিএসএফ পুশ-ইনের জন্য আনা লোকজনকে সরিয়ে নেয়।
বিজিবি জানায়, শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বিএসএফ নিজেদের গাড়িতে করে ওই ব্যক্তিদের মালদাহ হোল্ডার সেন্টারে নিয়ে যায় বলে তাদের নিজস্ব সূত্রে জানা গেছে।
৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সীমান্ত দিয়ে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। এ কাজে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং ভবিষ্যতেও এই সমন্বিত তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
রাজনীতি/আরআইআর

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, "দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও শান্তির জন্য আমরা দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন, সংগ্রাম ও লড়াই করেছি। দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে ও নিরাপদে বসবাস করতে পারে, বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে।"
১ দিন আগে
‘সরকার এরই মধ্যে বিভিন্ন খাল ও নদী খনন কর্মসূচি শুরু করেছে। নেত্রকোনার বেশ কিছু হাওরের তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। এসব হাওরের তলদেশ খনন করা প্রয়োজন। এ ছাড়া ধনু নদ খনন করার একটা দাবি উঠেছে এ বিষয়টাও আমাদের পরিকল্পনায় আছে। মা মাছ এবং পোনামাছ যাতে মারা না পড়ে এসব বিষয়ে আইনের যথাযথ প্রয়োগ করা হচ্ছে।’
১ দিন আগে
মোটরসাইকেলে করে বিয়েবাড়ির পথে রওয়ানা হয়েছিলেন প্রশান্ত চন্দ্র রায় (৩৫)। সামনে বসে ছিল তার পাঁচ বছর বয়সী ছেলে বন্ধন চন্দ্র রায়, পেছনে বাবা নির্মল চন্দ্র রায় (৭৫)। বিয়ে বাড়ি আর পৌঁছানো হয়নি তাদের। সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন তিনজনই।
১ দিন আগে
পরীক্ষার প্রবেশপত্র না পেয়ে তারা বৃহস্পতিবার সকালে কলেজ ফটকের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়ে। মনিমুক্তা জানায়, এইচএসসির নির্বাচনি (টেস্ট) পরীক্ষায় তারা দুজন দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছিলেন। এ কারণে কলেজ কতৃপক্ষ তাদের ফরম পূরণের সুযোগ দেয়নি।
১ দিন আগে