
রংপুর প্রতিনিধি

মোটরসাইকেলে করে বিয়েবাড়ির পথে রওয়ানা হয়েছিলেন প্রশান্ত চন্দ্র রায় (৩৫)। সামনে বসে ছিল তার পাঁচ বছর বয়সী ছেলে বন্ধন চন্দ্র রায়, পেছনে বাবা নির্মল চন্দ্র রায় (৭৫)। বিয়ে বাড়ি আর পৌঁছানো হয়নি তাদের। সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন তিনজনই। একে একে এক মোটরসাইকেলে থাকা তিন প্রজন্মের তিনজনই পাড়িয়ে জমিয়েছেন না ফেরার দেশে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের মন্থনা বাজারের জুট মিলসংলগ্ন এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান প্রশান্ত। গুরুতর আহত অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা নির্মলকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন শিশু বন্ধনও বেশিক্ষণ লড়াই করতে পারেনি। ঘণ্টা দশেক পর বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে সেও পাড়ি জমায় না ফেরার দেশে।
নিহত নির্মল চন্দ্র রায় ও তার ছেলে প্রশান্ত চন্দ্র রায় গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের পশ্চিম মানদ্রাইন এলাকার বাসিন্দা। প্রশান্ত চন্দ্র রায় পেশায় পল্লিচিকিৎসক ছিলেন। একই দুর্ঘটনায় পরিবারের তিন প্রজন্মের তিন সদস্যের এমন প্রাণহানিতে পশ্চিম মানদ্রাইন এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, গঙ্গাচড়া থেকে বড়াইবাড়ীর দিকে মোটরসাইকেলে করে ওই তিনজন যাচ্ছিলেন। মন্থনা বাজারের জুট মিলের সামনে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাককে সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় মোটরসাইকেলটি। সড়কে পড়ে থাকা ধানের খড়ের কারণে সেটি পিছলে যায়। মুহূর্তেই ট্রাকের সামনের চাকার নিচে চাপা পড়েন বাবা, ছেলে ও নাতি।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর বলেন, দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে গেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। থানায় একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে।

মোটরসাইকেলে করে বিয়েবাড়ির পথে রওয়ানা হয়েছিলেন প্রশান্ত চন্দ্র রায় (৩৫)। সামনে বসে ছিল তার পাঁচ বছর বয়সী ছেলে বন্ধন চন্দ্র রায়, পেছনে বাবা নির্মল চন্দ্র রায় (৭৫)। বিয়ে বাড়ি আর পৌঁছানো হয়নি তাদের। সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন তিনজনই। একে একে এক মোটরসাইকেলে থাকা তিন প্রজন্মের তিনজনই পাড়িয়ে জমিয়েছেন না ফেরার দেশে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের মন্থনা বাজারের জুট মিলসংলগ্ন এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান প্রশান্ত। গুরুতর আহত অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা নির্মলকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন শিশু বন্ধনও বেশিক্ষণ লড়াই করতে পারেনি। ঘণ্টা দশেক পর বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে সেও পাড়ি জমায় না ফেরার দেশে।
নিহত নির্মল চন্দ্র রায় ও তার ছেলে প্রশান্ত চন্দ্র রায় গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের পশ্চিম মানদ্রাইন এলাকার বাসিন্দা। প্রশান্ত চন্দ্র রায় পেশায় পল্লিচিকিৎসক ছিলেন। একই দুর্ঘটনায় পরিবারের তিন প্রজন্মের তিন সদস্যের এমন প্রাণহানিতে পশ্চিম মানদ্রাইন এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, গঙ্গাচড়া থেকে বড়াইবাড়ীর দিকে মোটরসাইকেলে করে ওই তিনজন যাচ্ছিলেন। মন্থনা বাজারের জুট মিলের সামনে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাককে সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় মোটরসাইকেলটি। সড়কে পড়ে থাকা ধানের খড়ের কারণে সেটি পিছলে যায়। মুহূর্তেই ট্রাকের সামনের চাকার নিচে চাপা পড়েন বাবা, ছেলে ও নাতি।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর বলেন, দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে গেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। থানায় একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে।

প্রায় ৭০ বছর বয়সী হেমায়েত মোল্লাকে কয়েক দিন ধরে মাদারীপুর পৌরসভার পানিছত্র এলাকায় অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। বয়সের ভার, অসুস্থতা ও শারীরিক দুর্বলতার কারণে তিনি ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারছিলেন না। পথচারীরা খাবার ও পানি দিলেও তার পরিচয় জানা যাচ্ছিল না।
২ দিন আগে
চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার ফরেস্ট গেট এলাকায় সড়কের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় মো. আজাদ (২৫) নামে এক তরুণকে গুলি করে হত্যা করেছে এক দুর্বৃত্ত। আজ বুধবার বিকেলে পেছন দিক থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তাকে গুলি করলে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি।
২ দিন আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার একটি হাফিজিয়া মাদরাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ বছর বয়সী এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার আইনি পদক্ষেপ নিতে গেলে মামলা গ্রহণ নিয়ে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার মধ্যে এখতিয়ার-সংক্রান্ত জটিলতার মুখে পড়ে।
২ দিন আগে
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে নোঙর করে রাখা অবস্থায় একটি ফিশিং ট্রলারের ইঞ্জিন রুমে বিস্ফোরণের পর লাগা আগুনে দগ্ধ ছয়জনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় আনার পথে ট্রলারটির দুই গ্রিজার রুবেল ও ডেক কর্মী শাহ আলমের মৃত্যু হয়।
২ দিন আগে