
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে অভিযান চালিয়ে সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ বিশ্বাসকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। রোববার (৫ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় বেলকুচি পৌর এলাকার কামারপাড়া নিজ বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেলকুচি থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুল বারিক।
তিনি বলেন, যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে আব্দুল লতিফ বিশ্বাসকে আটক করেছে। এখনো যৌথবাহিনী সেখানেই কাজ করছে। তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে বা আটক করা হয়েছে এবং তাকে আটকের সময় কি কি উদ্ধার হয়েছে বা হচ্ছে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
জানা যায়, আব্দুল লতিফ বিশ্বাস তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসেন। দীর্ঘদিন বেলকুচি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। দুইবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পরে সিরাজগঞ্জ-৫ আসন থেকে ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে একই আসনে নির্বাচন করে পরাজিত হলেও ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৯ সালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান এবং ২০১৩ সালের ২১ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন বঞ্চিত হন। দলের ও সরকারের কোনো দায়িত্ব না থাকলেও তিনি দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে সিরাজগঞ্জের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে আব্দুল লতিফ বিশ্বাস সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে দ্বিতীয়বারের মতো সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসকের পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার জন্য তিনি সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে অভিযান চালিয়ে সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ বিশ্বাসকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। রোববার (৫ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় বেলকুচি পৌর এলাকার কামারপাড়া নিজ বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেলকুচি থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুল বারিক।
তিনি বলেন, যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে আব্দুল লতিফ বিশ্বাসকে আটক করেছে। এখনো যৌথবাহিনী সেখানেই কাজ করছে। তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে বা আটক করা হয়েছে এবং তাকে আটকের সময় কি কি উদ্ধার হয়েছে বা হচ্ছে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
জানা যায়, আব্দুল লতিফ বিশ্বাস তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসেন। দীর্ঘদিন বেলকুচি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। দুইবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পরে সিরাজগঞ্জ-৫ আসন থেকে ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে একই আসনে নির্বাচন করে পরাজিত হলেও ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৯ সালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান এবং ২০১৩ সালের ২১ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন বঞ্চিত হন। দলের ও সরকারের কোনো দায়িত্ব না থাকলেও তিনি দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে সিরাজগঞ্জের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে আব্দুল লতিফ বিশ্বাস সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে দ্বিতীয়বারের মতো সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসকের পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার জন্য তিনি সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন
১৯ ঘণ্টা আগে
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।
১ দিন আগে
টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।
১ দিন আগে