
বাসস

বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার অন্যতম নদী তিস্তার পানির উচ্চতা বেড়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয় সূত্র জানায়, এ সময়ে নদীর পানির উচ্চতা ৩৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আজ সকালে কাউনিয়া পয়েন্টে নদী বিপদসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নদীর পানি জেলার সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমা স্পর্শ করছে। উপজেলার নদী অববাহিকা এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে পাট ও গ্রীষ্মকালীন সবজিসহ স্থায়ী ফসলের জমি বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। নদীর ডান ও বাম তীরসহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙনে তীরের বাসিন্দাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটিকাপাসিয়া গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানা, তার অন্তত ৩ বিঘা ফসলি জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জু মিয়া বলেন, ভাঙন কবলিত অনেক মানুষ তাদের বসতভিটা ছেড়ে পার্শ্ববর্তী বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও অন্যান্য নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল জানান, উপজেলার তারাপুর, বেলকা, চন্ডিপুর, হরিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ায় একগ্রাম থেকে অন্যগ্রামে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এখন নৌকা।
সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের পাঠানো তথ্যে জানা গেছে, বন্যায় ইউনিয়নের ১ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির লিখিত তালিকা এখন পর্যন্ত ইউপি চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি, তাদের কাছ থেকে তালিকা পেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
ইউএনও তরিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বন্যা দুর্গতদের দুর্ভোগ কমাতে উপজেলা প্রশাসন বন্যা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে।
এ সময় জেলার অন্যান্য প্রধান নদ-নদীর পানির উচ্চতাও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সূত্র জানায়।

বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার অন্যতম নদী তিস্তার পানির উচ্চতা বেড়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয় সূত্র জানায়, এ সময়ে নদীর পানির উচ্চতা ৩৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আজ সকালে কাউনিয়া পয়েন্টে নদী বিপদসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নদীর পানি জেলার সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমা স্পর্শ করছে। উপজেলার নদী অববাহিকা এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে পাট ও গ্রীষ্মকালীন সবজিসহ স্থায়ী ফসলের জমি বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। নদীর ডান ও বাম তীরসহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙনে তীরের বাসিন্দাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটিকাপাসিয়া গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানা, তার অন্তত ৩ বিঘা ফসলি জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জু মিয়া বলেন, ভাঙন কবলিত অনেক মানুষ তাদের বসতভিটা ছেড়ে পার্শ্ববর্তী বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও অন্যান্য নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল জানান, উপজেলার তারাপুর, বেলকা, চন্ডিপুর, হরিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ায় একগ্রাম থেকে অন্যগ্রামে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এখন নৌকা।
সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের পাঠানো তথ্যে জানা গেছে, বন্যায় ইউনিয়নের ১ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির লিখিত তালিকা এখন পর্যন্ত ইউপি চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি, তাদের কাছ থেকে তালিকা পেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
ইউএনও তরিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বন্যা দুর্গতদের দুর্ভোগ কমাতে উপজেলা প্রশাসন বন্যা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে।
এ সময় জেলার অন্যান্য প্রধান নদ-নদীর পানির উচ্চতাও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সূত্র জানায়।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. রিয়াজুল কবির আটজন নিহত হওয়া তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
১ দিন আগে
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, শনিবার ভোর থেকে প্রবল দমকা বাতাস ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়। ফলে সোমেশরী নদীর পানি বেড়ে মধ্যনগর জামে মসজিদের পাশের কালভার্টের সামনের পাউবোর দেওয়া বাঁধ ভেঙে প্রবল বেগে হাওরে পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। এসময় হাওরে ধান কাটতে গিয়েছিলেন কৃষকরা। কষ্টে ফলানো একমাত্র বোরো ফসল চোখের সামনে ড
২ দিন আগে
কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও নদ-নদীর পানি বাড়ায় ও পাহাড়ি ঢলে নতুন করে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। পাকা ধান তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কাটা ধানের স্তূপেও চারা গজিয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। গতকাল শুক্রবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টির পানিতে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ হাওর এলাকা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অন্তত ২৫ হ
২ দিন আগে
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের খেওয়ারচর হাটে উপজেলা প্রশাসনের নোটিশের দুই সপ্তাহ পার হলেও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের নেতৃত্বে নির্মাণাধীন অবৈধ দোকানঘর এখনো অপসারণ করা হয়নি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
২ দিন আগে