
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৬ (মিরপুর, রূপনগর ও কালশীর একাংশ) আসনে নির্বাচনি প্রচারের তৃতীয় দিনে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আমিনুল হক। এ সময় তিনি মাদক ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বিএনপিতে মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের কোনো ঠাঁই হবে না।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) মিরপুর ৬ নম্বর এলাকার ‘ট’ ব্লকের বিভিন্ন অলিগলি প্রদক্ষিণ করে তিনি এলাকাবাসীর হাতে তার ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতিসংবলিত লিফলেট তুলে দেন এবং ভোট চেয়ে এসব কথা বলেন। এ সময় এলাকার সাধারণ মানুষ আমিনুল হককে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
গণসংযোগকালে পথসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেন। বলেন, তার নির্বাচনি ইশতেহারে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে, কোনো মাদক ব্যবসায়ী বা চাঁদাবাজকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। মাদকের বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করে একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গড়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি কেউ কোনো প্রকার অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে সে বিএনপির রাজনীতি করার যোগ্যতা হারাবে। এ ধরনের কোনো ব্যক্তিকে দলে ঠাঁই দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
আমিনুল হক আরও বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের পরিকল্পনা তৈরি করেছেন। আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে সেসব পরিকল্পনা ‘অক্ষরে অক্ষরে’ বাস্তবায়ন করা হবে।
‘জনগণের সেবক’ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের সাথে তার দেখা করতে কোনো পিএস কিংবা মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন হবে না; বরং তিনি সরাসরি জনগণের ধরাছোঁয়ার মধ্যে থাকবেন। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনের সকল আইন মেনে এবং অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৬ (মিরপুর, রূপনগর ও কালশীর একাংশ) আসনে নির্বাচনি প্রচারের তৃতীয় দিনে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আমিনুল হক। এ সময় তিনি মাদক ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বিএনপিতে মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের কোনো ঠাঁই হবে না।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) মিরপুর ৬ নম্বর এলাকার ‘ট’ ব্লকের বিভিন্ন অলিগলি প্রদক্ষিণ করে তিনি এলাকাবাসীর হাতে তার ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতিসংবলিত লিফলেট তুলে দেন এবং ভোট চেয়ে এসব কথা বলেন। এ সময় এলাকার সাধারণ মানুষ আমিনুল হককে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
গণসংযোগকালে পথসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেন। বলেন, তার নির্বাচনি ইশতেহারে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে, কোনো মাদক ব্যবসায়ী বা চাঁদাবাজকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। মাদকের বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করে একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গড়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি কেউ কোনো প্রকার অনৈতিক কর্মকাণ্ড বা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে সে বিএনপির রাজনীতি করার যোগ্যতা হারাবে। এ ধরনের কোনো ব্যক্তিকে দলে ঠাঁই দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
আমিনুল হক আরও বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের পরিকল্পনা তৈরি করেছেন। আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে সেসব পরিকল্পনা ‘অক্ষরে অক্ষরে’ বাস্তবায়ন করা হবে।
‘জনগণের সেবক’ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের সাথে তার দেখা করতে কোনো পিএস কিংবা মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন হবে না; বরং তিনি সরাসরি জনগণের ধরাছোঁয়ার মধ্যে থাকবেন। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনের সকল আইন মেনে এবং অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই বিকালে শাওন নগরীর জিইসি মোড়ে ‘সাফ’ নামের সিএ কোচিং সেন্টারে যাবার জন্য বাসা থেকে বের হয়। ওইদিন রাতে নগরীর বাদশা মিয়া সড়কে তার গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে কোনাবাড়ী এলাকায় একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি মালবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
রাজশাহীতে একটি পেট্রোল পাম্পে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে জ্বালানি তেল নেওয়ার চেষ্টা করার অপরাধে তৌহিদুর রহমান (২৯) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
এ অগ্নিকাণ্ড ছাপিয়ে সামনে এসেছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নিষ্ঠুরতার অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের দাবি, আগুন লাগার পর তাদের বাইরে বের হতে না দিয়ে মূল ফটক তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর সে কারণেই তারা কারখানা থেকে বের হতে পারেননি, দগ্ধ হয়ে তাদের পাড়ি জমাতে হয়েছে না ফেরার দেশে।
২ দিন আগে