
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকারের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আক্তার হোসেন (৪৫) নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কালির বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান।
গ্রেপ্তার আক্তার হোসেন উপজেলার পারুলের চর (চর ফুলছড়ি) এলাকার মৃত মোগরোব আলীর ছেলে। তিনি ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
ওসি খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, “শনিবার দুপুরে উপজেলার কালির বাজার এলাকায় বিচারপতি খুরশিদ আলম সরকারের বাসভবন গাবগাছি হাউজের সামনে আক্তার হোসেন হাঁটাহাঁটি করছিলেন। প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন অভিযুক্ত আক্তার হোসেন। পরে সেই টাকা আনতে তিনি গাবগাছি হাউজে যান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন বিচারপতি। এর আগেও ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট বিচারপতির হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে একই পরিমাণ চাঁদা দাবি করেছিলেন অভিযুক্ত আক্তার হোসেন।”
তিনি আরো বলেন, “এ ঘটনায় অভিযুক্ত আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে বিচারপতির বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক সোহেল রানা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।”
এ ব্যাপারে ফুলছড়ি উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম নান্টু বলেন, “দলের নাম ভাঙিয়ে যে কেউ অপরাধ করলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ঘটনায় আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এ বিষয়ে জানতে বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উল্লেখ্য, হাইকোটের বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার (খুশি) প্রয়াত ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বীর মেয়েজামাই এবং ফুলছড়ি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারজানা রাব্বী বুবলীর স্বামী।

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকারের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে আক্তার হোসেন (৪৫) নামে এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার কালির বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান।
গ্রেপ্তার আক্তার হোসেন উপজেলার পারুলের চর (চর ফুলছড়ি) এলাকার মৃত মোগরোব আলীর ছেলে। তিনি ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
ওসি খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, “শনিবার দুপুরে উপজেলার কালির বাজার এলাকায় বিচারপতি খুরশিদ আলম সরকারের বাসভবন গাবগাছি হাউজের সামনে আক্তার হোসেন হাঁটাহাঁটি করছিলেন। প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন অভিযুক্ত আক্তার হোসেন। পরে সেই টাকা আনতে তিনি গাবগাছি হাউজে যান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন বিচারপতি। এর আগেও ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট বিচারপতির হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে একই পরিমাণ চাঁদা দাবি করেছিলেন অভিযুক্ত আক্তার হোসেন।”
তিনি আরো বলেন, “এ ঘটনায় অভিযুক্ত আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে বিচারপতির বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক সোহেল রানা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।”
এ ব্যাপারে ফুলছড়ি উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম নান্টু বলেন, “দলের নাম ভাঙিয়ে যে কেউ অপরাধ করলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ঘটনায় আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এ বিষয়ে জানতে বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উল্লেখ্য, হাইকোটের বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার (খুশি) প্রয়াত ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বীর মেয়েজামাই এবং ফুলছড়ি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারজানা রাব্বী বুবলীর স্বামী।

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন
২০ ঘণ্টা আগে
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।
১ দিন আগে
টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।
২ দিন আগে