
দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুরে শিশু মিরাজ কাজী (৫) হত্যা মামলায় মমতাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয়মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে অপর তিন আসামিকে খালাস দিয়েছে আদালত।
আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩ টায় দিনাজপুরের অতিরক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ শ্যাম সুন্দর রায় আদালত এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
মামলার রায় ঘোষণাকালে আসামি মমতাজ উদ্দিনসহ অন্য আসামিরা আদালতে উপস্থিতি ছিলেন। মামলার অপর তিন আসামি মোস্তাফিজুর রহমান, মর্জিনা বেগম ও জেসমিন আরা রুবিকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দিনাজপুর কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক এ কে এম লিয়াকত আলী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এ মামলায় বাদী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এ পি পি মোস্তাফিজুর রহমান। আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট দেবল চন্দ্র সরকার।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০১৮ সালের ৮ জুলাই দুপুরে জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় পাঁচবছর বয়সী শিশু মিরাজ কাজী বাড়ি থেকে বের হয়ে ফিরে না আসায় তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে পরদিন ৯ জুলাই সকালে অভিযুক্ত মমতাজ উদ্দিনের দেখানো ডোবা থেকে শিশু মিরাজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি ফুলবাড়ী থানা পুলিশকে অবগত করা হলে পুলিশ অভিযুক্ত মমতাজ উদ্দিনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ২০১৮ সালের ৯ জুলাই বেলা ১১ টায় শিশু মিরাজ কাজীর পিতা মাহবুবুর রহমান কাজী বাদী হয়ে ফুলবাড়ী থানায় প্রধান অভিযুক্ত মমতাজ উদ্দিনসহ চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন ও শুনানি শেষে বিচারক দিনাজপুরের অতিরক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ শ্যাম সুন্দর রায় আজ এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। বিচারক রায়ে আসামি মমতাজ উদ্দিনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয়মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায়ে অপর তিন আসামিকে খালাস দিয়েছে আদালত।

দিনাজপুরে শিশু মিরাজ কাজী (৫) হত্যা মামলায় মমতাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয়মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে অপর তিন আসামিকে খালাস দিয়েছে আদালত।
আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩ টায় দিনাজপুরের অতিরক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ শ্যাম সুন্দর রায় আদালত এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
মামলার রায় ঘোষণাকালে আসামি মমতাজ উদ্দিনসহ অন্য আসামিরা আদালতে উপস্থিতি ছিলেন। মামলার অপর তিন আসামি মোস্তাফিজুর রহমান, মর্জিনা বেগম ও জেসমিন আরা রুবিকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দিনাজপুর কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক এ কে এম লিয়াকত আলী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এ মামলায় বাদী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এ পি পি মোস্তাফিজুর রহমান। আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট দেবল চন্দ্র সরকার।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০১৮ সালের ৮ জুলাই দুপুরে জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় পাঁচবছর বয়সী শিশু মিরাজ কাজী বাড়ি থেকে বের হয়ে ফিরে না আসায় তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে পরদিন ৯ জুলাই সকালে অভিযুক্ত মমতাজ উদ্দিনের দেখানো ডোবা থেকে শিশু মিরাজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি ফুলবাড়ী থানা পুলিশকে অবগত করা হলে পুলিশ অভিযুক্ত মমতাজ উদ্দিনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ২০১৮ সালের ৯ জুলাই বেলা ১১ টায় শিশু মিরাজ কাজীর পিতা মাহবুবুর রহমান কাজী বাদী হয়ে ফুলবাড়ী থানায় প্রধান অভিযুক্ত মমতাজ উদ্দিনসহ চারজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন ও শুনানি শেষে বিচারক দিনাজপুরের অতিরক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ শ্যাম সুন্দর রায় আজ এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। বিচারক রায়ে আসামি মমতাজ উদ্দিনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয়মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায়ে অপর তিন আসামিকে খালাস দিয়েছে আদালত।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সাত বছর বয়সী শিশু জান্নাতুল নেসা ইরা মনিকে শ্বাসনালি কেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামি বাবু শেখ (৫০) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ সময় তিনি শিশুটিকে চকলেট খাওয়ানো ও বেড়ানোর লোভ দেখিয়ে সীতাকুণ্ডের ওই পাহাড়ের জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টা ও গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার
১ দিন আগে
তালিকায় মোছা. সালমা আক্তারের নাম থাকলেও তার নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা হয়নি; বরং অন্য এক নারীর হিসাবে টাকা জমা ও উত্তোলনের তথ্য মিলেছে। ফলে গত দুই বছর ধরে সরকারি ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন প্রকৃত ভাতাভোগী সালমা আক্তার।
১ দিন আগে
ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে কার্যালয় এলাকায় অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রতিমন্ত্রী অফিসের বারান্দায় প্রায় আধা ঘণ্টা বসে কর্মকর্তাদের জন্য অপেক্ষা করেন। স্থানীয় সেবাগ্রহীতা ও সাধারণ মানুষ এ দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন।
২ দিন আগে
পুলিশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নিহত শিশু ইরার বাবা মনিরের সঙ্গে বাবু শেখের বিরোধ ছিল। বিভিন্ন সময়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। এর জের ধরে মনিরের মেয়ে ইরাকে হত্যা করে প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি।
২ দিন আগে