
রাজশাহী ব্যুরো

যার যার অবস্থান থেকে সাধ্য মতো প্রতিবন্ধীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আসুন, সকলে মিলে একটি বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা করি, যে বাংলাদেশে কম-বেশি প্রত্যেকটা মানুষের একটা মর্যাদা তৈরি হবে। আত্মমর্যাদা নিয়ে প্রত্যেকে বেঁচে থাকতে পারবে, তেমন বাংলাদেশ গড়তে আমরা চেষ্টা করি।’
আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে বগুড়ার হোটেল নাজ গার্ডেনে ডা. জুবাইদা রহমানের পক্ষ থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু-কিশোরদের জন্য হুইল চেয়ার বিতরণ ও মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘আজকে আমরা এখানে কতগুলো মানুষকে সামনে রেখে একত্রিত হয়েছি। আমাদের সমাজ ব্যবস্থা এ রকম মানুষ যারা আছে, আমাদের মধ্যে একটা প্রবণতা আছে যে, এই মানুষগুলোকে একটু আমরা ঘরের ভেতরে রেখে দেই। তাদেরকে আমরা বের হতে দেই না। এ রকম মন-মানসিকতা আমাদের দেশে সমাজ ব্যবস্থায় এখনো রয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘যে মানুষগুলো আজকে এখানে উপস্থিত, আমরা যাদের গান শুনলাম, বক্তব্য রাখলেন, কবিতা পড়লেন, এ থেকে পরিষ্কার বোঝা যায়, আমরা যারা সুস্থ-স্বাভাবিক আছি বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে, তাদের অনেকের থেকে এই মানুষগুলোর মধ্যে অনেক গুণ আছে, যেটা আমাদের অনেকের মধ্যে নেই।’
‘আমরা যদি সামাজিক অবস্থান হোক, রাজনৈতিক অবস্থান হোক, রাষ্ট্রীয় অবস্থান হোক, সকল অবস্থান থেকে এই মানুষগুলোর পাশে এসে দাঁড়াই, তাহলে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ অনেক প্রতিভা বের করতে পারবে। অনেক প্রতিভাবান মানুষকে বের করে নিয়ে আসতে পারবে, যাদের বিভিন্ন খাতে প্রতিভা আছে,’— বলেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
‘খুব বেশি কিছু করা প্রয়োজন— তা না’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘শুধু এই মানুষগুলোকে একটু সুযোগ করে দেওয়া, যাতে তারা দুনিয়ার আলো-বাতাসে আমাদের আর ১০ জনের মতো স্বাভাবিকভাবে কম-বেশি চলাফেরা করতে পারে। অন্তত ন্যূনতম ব্যবস্থা করা যাতে করে এই মানুষগুলো আত্মপ্রকাশ করতে পারে। সেই সুযোগটা তাদের তৈরি করে দেওয়া। কারণ তারাও মানুষ। তারা আমাদের বাইরে না, তারা আমাদের ভেতরে, তারা আমাদেরই অংশ। আমাদের প্রত্যেকের পরিবারের ভেতরেই কেউ না কেউ একজন হয়ত আছে।’

যার যার অবস্থান থেকে সাধ্য মতো প্রতিবন্ধীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আসুন, সকলে মিলে একটি বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা করি, যে বাংলাদেশে কম-বেশি প্রত্যেকটা মানুষের একটা মর্যাদা তৈরি হবে। আত্মমর্যাদা নিয়ে প্রত্যেকে বেঁচে থাকতে পারবে, তেমন বাংলাদেশ গড়তে আমরা চেষ্টা করি।’
আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে বগুড়ার হোটেল নাজ গার্ডেনে ডা. জুবাইদা রহমানের পক্ষ থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু-কিশোরদের জন্য হুইল চেয়ার বিতরণ ও মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘আজকে আমরা এখানে কতগুলো মানুষকে সামনে রেখে একত্রিত হয়েছি। আমাদের সমাজ ব্যবস্থা এ রকম মানুষ যারা আছে, আমাদের মধ্যে একটা প্রবণতা আছে যে, এই মানুষগুলোকে একটু আমরা ঘরের ভেতরে রেখে দেই। তাদেরকে আমরা বের হতে দেই না। এ রকম মন-মানসিকতা আমাদের দেশে সমাজ ব্যবস্থায় এখনো রয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘যে মানুষগুলো আজকে এখানে উপস্থিত, আমরা যাদের গান শুনলাম, বক্তব্য রাখলেন, কবিতা পড়লেন, এ থেকে পরিষ্কার বোঝা যায়, আমরা যারা সুস্থ-স্বাভাবিক আছি বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে, তাদের অনেকের থেকে এই মানুষগুলোর মধ্যে অনেক গুণ আছে, যেটা আমাদের অনেকের মধ্যে নেই।’
‘আমরা যদি সামাজিক অবস্থান হোক, রাজনৈতিক অবস্থান হোক, রাষ্ট্রীয় অবস্থান হোক, সকল অবস্থান থেকে এই মানুষগুলোর পাশে এসে দাঁড়াই, তাহলে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ অনেক প্রতিভা বের করতে পারবে। অনেক প্রতিভাবান মানুষকে বের করে নিয়ে আসতে পারবে, যাদের বিভিন্ন খাতে প্রতিভা আছে,’— বলেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
‘খুব বেশি কিছু করা প্রয়োজন— তা না’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘শুধু এই মানুষগুলোকে একটু সুযোগ করে দেওয়া, যাতে তারা দুনিয়ার আলো-বাতাসে আমাদের আর ১০ জনের মতো স্বাভাবিকভাবে কম-বেশি চলাফেরা করতে পারে। অন্তত ন্যূনতম ব্যবস্থা করা যাতে করে এই মানুষগুলো আত্মপ্রকাশ করতে পারে। সেই সুযোগটা তাদের তৈরি করে দেওয়া। কারণ তারাও মানুষ। তারা আমাদের বাইরে না, তারা আমাদের ভেতরে, তারা আমাদেরই অংশ। আমাদের প্রত্যেকের পরিবারের ভেতরেই কেউ না কেউ একজন হয়ত আছে।’

কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মাহবুবুল হাসান নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ১০ জন শ্রমিক অসুস্থ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১ দিন আগে
এ নিয়ে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের একই ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্বিতীয়বারের মতো বন্ধ হয়ে গেল। এর আগে গত ৩১ জুলাই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এই ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দুদিন পর ২ আগস্ট ইউনিটটি সচল হয়। ১২ দিন পর ফের ইউনিটটির উৎপাদন বন্ধ হলো।
১ দিন আগে
এলাকাবাসী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রংছাতি ইউনিয়নের আমগড়া বাজার মোড় এলাকায় কবরস্থানের পাশেই পুলিয়া পানেশ্বর গ্রামের লোকজন দোকান ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। শুক্রবার সকালে এ ঘটনার সময় আমগড়া গ্রামের লোকজন তাদের বাধা দেন। এতে দুই গ্রামের বাসিন্দারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
২ দিন আগে
প্রতিবেশীরা জানান, কনিকার বাড়ি পাশের ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার ঝুরঝুরিয়া গ্রামে। বছর বছর ছয়েক আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকা রাজীবের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই ছিল। বৃহস্পতিবার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হলে রাজীব বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান।
২ দিন আগে