
নওগাঁ প্রতিনিধি

ছাত্রদলের পদে থাকা অবস্থায় পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে একই দিনে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন নওগাঁর নিয়ামতপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি বিদ্যুৎ চন্দ্র মাহাতো।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলার হেলিপ্যাড মাঠে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত হয়ে প্রকাশ্যে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। তাৎক্ষণিক গলায় মালা পরিয়ে তার এই দল বদলকে স্বাগত জানান নওগাঁ-১ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম।
এর আগে এদিন দুপুরে নওগাঁ জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি। পদত্যাগপত্রে বিদ্যুৎ চন্দ্র মাহাতো ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার কথা উল্লেখ করে দায়িত্ব পালনে অক্ষমতার কথা দাবি করলেও পদত্যাগের পরপরই তার ভিন্ন রাজনৈতিক দলে যোগদান ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে। দায়িত্বে থাকা অবস্থায় হঠাৎ এভাবে দলত্যাগ দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থি বলছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
পদত্যাগ করে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের কারণ জানতে চাইলে বিদ্যুৎ চন্দ্র মাহাতো বলেন, চব্বিশের ৫ আগস্টের পর থেকে জামায়াতে ইসলামীর সকল কর্মকাণ্ড আমার অনেক ভালো লেগেছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীর হয়ে জামায়াতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ আছে কি না, সেবিষয়ে অনেকের কাছে পরামর্শ নিয়েছি। এরপর জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করলাম।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর কাছে এই দেশ নিরাপদ। প্রতিটা মানুষের আকাঙ্ক্ষা এই দল পূরণ করতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তাই ছাত্রদলের রাজনীতিকে বিদায় জানিয়ে জামায়াতকে বেছে নিলাম।
এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মামুন বিন ইসলাম দোহা বলেন, কিছু দিন আগে পারিবারিক কিছু সমস্যায় রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাওয়ার কথা জানিয়েছিল বিদ্যুৎ চন্দ্র মাহাতো। এরপর শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে তার পাঠানো পদত্যাগপত্র হোয়াটসঅ্যাপে পেয়েছি। তার জামায়াতে যোগদানের বিষয়টি আমি অবগত নই।

ছাত্রদলের পদে থাকা অবস্থায় পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে একই দিনে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন নওগাঁর নিয়ামতপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি বিদ্যুৎ চন্দ্র মাহাতো।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলার হেলিপ্যাড মাঠে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত হয়ে প্রকাশ্যে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। তাৎক্ষণিক গলায় মালা পরিয়ে তার এই দল বদলকে স্বাগত জানান নওগাঁ-১ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম।
এর আগে এদিন দুপুরে নওগাঁ জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পদত্যাগপত্র পাঠান তিনি। পদত্যাগপত্রে বিদ্যুৎ চন্দ্র মাহাতো ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার কথা উল্লেখ করে দায়িত্ব পালনে অক্ষমতার কথা দাবি করলেও পদত্যাগের পরপরই তার ভিন্ন রাজনৈতিক দলে যোগদান ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে। দায়িত্বে থাকা অবস্থায় হঠাৎ এভাবে দলত্যাগ দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থি বলছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
পদত্যাগ করে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের কারণ জানতে চাইলে বিদ্যুৎ চন্দ্র মাহাতো বলেন, চব্বিশের ৫ আগস্টের পর থেকে জামায়াতে ইসলামীর সকল কর্মকাণ্ড আমার অনেক ভালো লেগেছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীর হয়ে জামায়াতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ আছে কি না, সেবিষয়ে অনেকের কাছে পরামর্শ নিয়েছি। এরপর জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করলাম।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর কাছে এই দেশ নিরাপদ। প্রতিটা মানুষের আকাঙ্ক্ষা এই দল পূরণ করতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি। তাই ছাত্রদলের রাজনীতিকে বিদায় জানিয়ে জামায়াতকে বেছে নিলাম।
এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মামুন বিন ইসলাম দোহা বলেন, কিছু দিন আগে পারিবারিক কিছু সমস্যায় রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাওয়ার কথা জানিয়েছিল বিদ্যুৎ চন্দ্র মাহাতো। এরপর শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে তার পাঠানো পদত্যাগপত্র হোয়াটসঅ্যাপে পেয়েছি। তার জামায়াতে যোগদানের বিষয়টি আমি অবগত নই।

কুষ্টিয়া থেকে পাংশাগামী একটি ড্রামট্রাকের (বগুড়া ড ১১-২৭০৩) সঙ্গে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো ব-১৩ ০০৯৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
৫ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ১৩ বন্ধু দেওভোগ এলাকার মোস্তাকুর রহমানের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে বিকেলে কয়েকজন গোসলে নামেন। এ সময় পা পিছলে আজওয়াদ পানিতে দূরে চলে যান। অপর বন্ধু সোপান উদ্ধারের চেষ্টা করেন। পরে দুজনেই পানিতে তলিয়ে যান।
১ দিন আগে
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মৌলভীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতসহ বৃষ্টি হয়। এ সময়ে তালেব মিয়া নিজ জমিতে ধান কাটার সময় এবং স্বপন মুন্ডা স্থানীয় রাবারবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
১ দিন আগে