
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) শামীম আহমেদ বলেছেন, রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য শিক্ষার্থীদের সকল ইতিবাচক দাবির সঙ্গে আমরা একমত পোষণ করছি। তারা যেভাবে কাজ করছে তাতে এই দেশ পরিবর্তন হবে বলে আমরা আশাবাদী।’
আজ শনিবার দুপুরে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘‘আমাদের পুলিশ কিংবা প্রশাসনেরও যদি কারো হাত রক্তে রঞ্জিত থাকে তাহলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রমাণ হলে তার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক হিসেবে আমার যে ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন সেই ব্যবস্থা আমি দ্বিধাহীন চিত্তে অবশ্যই নেব। কারণ আমরা যারা কাজ করছি কেউই দায়বদ্ধতার বাইরে নই। সবারই দায় রয়েছে। তবে আমাদের অতীত থেকে শিক্ষা নিতে হবে। বিবেকের কাছে পরিষ্কার থাকতে হবে। অন্য ১০ জন কর্মচারীর মত আমার দায় হচ্ছে, এই দেশকে ভালো রাখা। এখন যারা কাজ করছে, আমি দ্বিধাহীন চিত্তে বলতে পারি এদের কেউ কেউ অতি উৎসাহী আছেন। তবে আমাদের অনেক সরকারি কর্মচারী আছেন যারা সত্যিকার অর্থে দেশটাকে ভালোবাসেন। তারা যাতে ভিকটিমাইজ না হন সেই বিষয়টি দেখতে হবে। কিন্তু অতি উৎসাহীদের ব্যাপারে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে, যেন তারা অতি উৎসাহ দেখিয়ে আবার কটাক্ষ করতে না পারে।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা যেসব কাজ করছেন, সবই ইতিবাচক। রাষ্ট্রের সংস্কারের জন্য যে কাজগুলো হবে তা আমরা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ছাত্রদের নিয়ে একসাথে করবো। আর যারা দায়ী আছেন তাদের বের করে দেয়ার দায়িত্ব আমাদের, আমরা চিহ্নিত করে দেব। কিন্তু আমাদের দাবি থাকবে, সত্যিকার অর্থে যারা ভালো কাজ করছে তারা যেন তাদের স্থানটাকে আরো আলোকিত করতে পারে। অতি উৎসাহী যারা এখন হাত-তালি দিয়ে মিলে যাচ্ছে তাদের ব্যাপারে আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। হঠাৎ করে অনেক লোক নেমে গিয়েছে। এটি আমাদের মধ্যেও আছে। কয়েকদিন আগে আমার পাশে বসে যে লোক উল্টাপাল্টা কথা বলেছেন সে এখন ফেসবুকে পোস্ট করে বলছেন ‘বিজয়ের হাসি হাসলাম’।’
শামীম আহমেদ বলেন, ‘এখন বিজয়ীদের সাথে হাততালি দেয়ার লোকের অভাব নেই। রাজশাহীতে পেট্রোল পাম্পে অনেকেই জ্বালানি তেল নিয়েছে। কেউ কেউ নাকি বলার চেষ্টা করেছে যে, ক্ষমতায় এসে গেছি, তেল নিয়ে টাকা দিবো কেন। সেক্ষেত্রে আমাদের সবার অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সেই বিষয়গুলো আপনাদের সাথে নিয়ে আমরা শক্তভাবে দেখতে চাই। কারণ, পরিবর্তনের অর্থ এই নয় যে, তারা এমন অরাজকতা করবে। আর যারা এমন করছে তারা কিন্তু গুটি কয়েক মানুষ। এই পুরো ব্যবস্থাটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য তারা নানা অসঙ্গতি করবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা ইতোমধ্যেই থানায় যাওয়া শুরু করেছেন। পুলিশ বাহিনীর মধ্যে যাদেরকে নিয়ে বিতর্ক আছে তাদের বাদ দিয়ে এবং যাদের নিয়ে বিতর্ক নেই তাদের নিয়ে আমাদের নতুন যাত্রা শুরু হবে।’
মতবিনিময় সভায় সেনাবাহিনীর সিও মোহাম্মদ শামীম, জেলা পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক গোলাম কিবরিয়া মোহাম্মদ মেশকাত চৌধুরী, মেহেদী সজিব, ফাহিম রেজাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলেনর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) শামীম আহমেদ বলেছেন, রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য শিক্ষার্থীদের সকল ইতিবাচক দাবির সঙ্গে আমরা একমত পোষণ করছি। তারা যেভাবে কাজ করছে তাতে এই দেশ পরিবর্তন হবে বলে আমরা আশাবাদী।’
আজ শনিবার দুপুরে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘‘আমাদের পুলিশ কিংবা প্রশাসনেরও যদি কারো হাত রক্তে রঞ্জিত থাকে তাহলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রমাণ হলে তার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক হিসেবে আমার যে ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন সেই ব্যবস্থা আমি দ্বিধাহীন চিত্তে অবশ্যই নেব। কারণ আমরা যারা কাজ করছি কেউই দায়বদ্ধতার বাইরে নই। সবারই দায় রয়েছে। তবে আমাদের অতীত থেকে শিক্ষা নিতে হবে। বিবেকের কাছে পরিষ্কার থাকতে হবে। অন্য ১০ জন কর্মচারীর মত আমার দায় হচ্ছে, এই দেশকে ভালো রাখা। এখন যারা কাজ করছে, আমি দ্বিধাহীন চিত্তে বলতে পারি এদের কেউ কেউ অতি উৎসাহী আছেন। তবে আমাদের অনেক সরকারি কর্মচারী আছেন যারা সত্যিকার অর্থে দেশটাকে ভালোবাসেন। তারা যাতে ভিকটিমাইজ না হন সেই বিষয়টি দেখতে হবে। কিন্তু অতি উৎসাহীদের ব্যাপারে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে, যেন তারা অতি উৎসাহ দেখিয়ে আবার কটাক্ষ করতে না পারে।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা যেসব কাজ করছেন, সবই ইতিবাচক। রাষ্ট্রের সংস্কারের জন্য যে কাজগুলো হবে তা আমরা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও ছাত্রদের নিয়ে একসাথে করবো। আর যারা দায়ী আছেন তাদের বের করে দেয়ার দায়িত্ব আমাদের, আমরা চিহ্নিত করে দেব। কিন্তু আমাদের দাবি থাকবে, সত্যিকার অর্থে যারা ভালো কাজ করছে তারা যেন তাদের স্থানটাকে আরো আলোকিত করতে পারে। অতি উৎসাহী যারা এখন হাত-তালি দিয়ে মিলে যাচ্ছে তাদের ব্যাপারে আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। হঠাৎ করে অনেক লোক নেমে গিয়েছে। এটি আমাদের মধ্যেও আছে। কয়েকদিন আগে আমার পাশে বসে যে লোক উল্টাপাল্টা কথা বলেছেন সে এখন ফেসবুকে পোস্ট করে বলছেন ‘বিজয়ের হাসি হাসলাম’।’
শামীম আহমেদ বলেন, ‘এখন বিজয়ীদের সাথে হাততালি দেয়ার লোকের অভাব নেই। রাজশাহীতে পেট্রোল পাম্পে অনেকেই জ্বালানি তেল নিয়েছে। কেউ কেউ নাকি বলার চেষ্টা করেছে যে, ক্ষমতায় এসে গেছি, তেল নিয়ে টাকা দিবো কেন। সেক্ষেত্রে আমাদের সবার অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সেই বিষয়গুলো আপনাদের সাথে নিয়ে আমরা শক্তভাবে দেখতে চাই। কারণ, পরিবর্তনের অর্থ এই নয় যে, তারা এমন অরাজকতা করবে। আর যারা এমন করছে তারা কিন্তু গুটি কয়েক মানুষ। এই পুরো ব্যবস্থাটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য তারা নানা অসঙ্গতি করবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা ইতোমধ্যেই থানায় যাওয়া শুরু করেছেন। পুলিশ বাহিনীর মধ্যে যাদেরকে নিয়ে বিতর্ক আছে তাদের বাদ দিয়ে এবং যাদের নিয়ে বিতর্ক নেই তাদের নিয়ে আমাদের নতুন যাত্রা শুরু হবে।’
মতবিনিময় সভায় সেনাবাহিনীর সিও মোহাম্মদ শামীম, জেলা পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক গোলাম কিবরিয়া মোহাম্মদ মেশকাত চৌধুরী, মেহেদী সজিব, ফাহিম রেজাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলেনর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেছে। আর চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুরগামী মেঘনা এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত হয়েছে চারটি। দুটি ট্রেন দুই লাইনে দুর্ঘটনার কবলে পড়লে আপ ও ডাউন উভয় লাইনেই ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
২ দিন আগে
খাগড়াছড়ির পানছড়ি ও রামগড় উপজেলায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। অভিযানে এক সশস্ত্র সংগঠনের সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া আত্মসমর্পণ করেছেন আরও দুই সদস্য। উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক অস্ত্র, ম্যাগাজিন ও গোলাবারুদ।
২ দিন আগে
নিহতদের একজন নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে এবং অন্যজন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস)- সশস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি করেছে ইউপিডিএফ।
২ দিন আগে
দিনাজপুর সদর উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় চারজনকে আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। আজ বুধবার ভোর ৬টার দিকে বনতারা-গিলাবাড়ি সীমান্ত এলাকায় তাদের আটক করা হয়।
২ দিন আগে