রাজশাহী ব্যুরো
রাজশাহীতে গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনরা এখনও তাদের প্রিয়জনদের ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন। তারা হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের সন্ধান এবং গুমের ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে ভোটের আগেই বিচারের দাবি জানান।
আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষে শনিবার (৩০ আগস্ট) রাজশাহী নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ আয়োজিত মানববন্ধনে তারা এ দাবি জানান।
এর আগে সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর আলুপট্রি থেকে একটি র্যালি বের হয়। র্যালিটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালি শেষে মানববন্ধনে গুম থেকে বেঁচে ফেরা আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘রাষ্ট্র প্রতিটি নাগরিককে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা, কিন্তু কোন আইন বলে সরকারি বাহিনী গুম করেছে? আমার পরিবারের মতো অসংখ্য পরিবারকে এ কষ্ট মাসের পর মাস, বছরের পর বছর যেন বয়ে যেতে না হয়। গুমের সঙ্গে জড়িতদের অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।’
আতিকুল ইসলাম গুম হওয়া ব্যক্তিদের ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি আয়নাঘর নামে পরিচিত নির্যাতন কেন্দ্রটি বিলুপ্ত করারও দাবি জানান।
মানববন্ধনে গুম হওয়া পরিবারের সদস্যরা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দাবি জানান, ‘আমাদের পিতা বা স্বামী জীবিত নাকি মৃত, আমরা পিতৃহারা, বিধবা না সধবা— এটুুকু জানার নিশ্চয়তা চাই। গুমের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে ভোটের আগেই বিচারের কার্য শেষ করতে হবে।’
‘অধিকার’ রাজশাহীর সমন্বয়ক মঈন উদ্দিনের পরিচালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মানবাধিকার কর্মী অধ্যাপক ড. ইফতেখারুল আলম মাসউদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহকারী মহাসচিব ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন, গুমের শিকার আব্দুল কুদ্দসের স্ত্রী জামিল আক্তার, মুরশিদুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা বিবিসহ অন্যরা।
পরে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’-এর বিবৃতি পাঠ করে শোনান দীর্ঘ ছয় মাস পর গুম থেকে ফিরে আসা আলামিন হোসেন। এ সময় গুম থেকে ফিরে আসা মিজান ইসলাম, আল-আমিন, মাসুদ রানা, মিজান, বুলবুল ইসলাম, মো. সুমনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এই মানববন্ধন ও র্যালির মাধ্যমে গুমের শিকার ব্যক্তিদের ফিরে আসা ও গুমের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবির পাশাপাশি গুম হওয়া পরিবারের প্রতি সমর্থন এবং আন্তর্জাতিক গুম দিবসের প্রতি সম্মান জানানো হয়।
রাজশাহীতে গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনরা এখনও তাদের প্রিয়জনদের ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন। তারা হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের সন্ধান এবং গুমের ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে ভোটের আগেই বিচারের দাবি জানান।
আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষে শনিবার (৩০ আগস্ট) রাজশাহী নগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ আয়োজিত মানববন্ধনে তারা এ দাবি জানান।
এর আগে সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর আলুপট্রি থেকে একটি র্যালি বের হয়। র্যালিটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালি শেষে মানববন্ধনে গুম থেকে বেঁচে ফেরা আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘রাষ্ট্র প্রতিটি নাগরিককে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা, কিন্তু কোন আইন বলে সরকারি বাহিনী গুম করেছে? আমার পরিবারের মতো অসংখ্য পরিবারকে এ কষ্ট মাসের পর মাস, বছরের পর বছর যেন বয়ে যেতে না হয়। গুমের সঙ্গে জড়িতদের অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।’
আতিকুল ইসলাম গুম হওয়া ব্যক্তিদের ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি আয়নাঘর নামে পরিচিত নির্যাতন কেন্দ্রটি বিলুপ্ত করারও দাবি জানান।
মানববন্ধনে গুম হওয়া পরিবারের সদস্যরা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দাবি জানান, ‘আমাদের পিতা বা স্বামী জীবিত নাকি মৃত, আমরা পিতৃহারা, বিধবা না সধবা— এটুুকু জানার নিশ্চয়তা চাই। গুমের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে ভোটের আগেই বিচারের কার্য শেষ করতে হবে।’
‘অধিকার’ রাজশাহীর সমন্বয়ক মঈন উদ্দিনের পরিচালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মানবাধিকার কর্মী অধ্যাপক ড. ইফতেখারুল আলম মাসউদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহকারী মহাসচিব ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন, গুমের শিকার আব্দুল কুদ্দসের স্ত্রী জামিল আক্তার, মুরশিদুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা বিবিসহ অন্যরা।
পরে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’-এর বিবৃতি পাঠ করে শোনান দীর্ঘ ছয় মাস পর গুম থেকে ফিরে আসা আলামিন হোসেন। এ সময় গুম থেকে ফিরে আসা মিজান ইসলাম, আল-আমিন, মাসুদ রানা, মিজান, বুলবুল ইসলাম, মো. সুমনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এই মানববন্ধন ও র্যালির মাধ্যমে গুমের শিকার ব্যক্তিদের ফিরে আসা ও গুমের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবির পাশাপাশি গুম হওয়া পরিবারের প্রতি সমর্থন এবং আন্তর্জাতিক গুম দিবসের প্রতি সম্মান জানানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন, “একটি সংগঠনের দাবির ভিত্তিতে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব নয়। যখন তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে, তখন তারা ভর্তি ছিল না, তাই ভোটার হওয়ার যোগ্যতাও ছিল না। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে বর্তমান তফসিল অনুযায়ী এ পরিবর্তন করা যাব
৮ ঘণ্টা আগেপ্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভকালে ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা একটি প্লাস্টিকের চেয়ার ভেঙে ফেলেন ও একটি টেবিল উল্টে দেন। এরপর ফটকে তালা মেরে স্লোগান দেন— ‘প্রথম বর্ষের ভোটাধিকার দিতে হবে’, ‘রাকসু ফি দিয়েছি, ভোটার হতে চেয়েছি’, ‘রাকসু আমার অধিকার, তুমি কে বাদ দেওয়ার’ ইত্যাদি।
৯ ঘণ্টা আগেপুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতী ইউনিয়নের ঝামাটি গ্রামের সাবেক ইউপি মেম্বার ও স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা দোজাহান মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের আমজাদ মিয়ার দুই বছর আগে থেকেই সামাজিক, গ্রাম্য সালিশ ও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
১১ ঘণ্টা আগে