
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদ্য ঘোষিত মহানগর ও জেলা কমিটিকে 'ভুয়া' উল্লেখ করে তা বাতিলের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে নগরীর তালাইমারি মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এসময় প্রায় ৪০ মিনিট সড়ক অবরোধ করে রাখেন তারা। এতে সড়কের দুইপাশে যানজট দেখা দেয়। তবে জরুরি পরিবহনগুলোকে যেতে দেওয়া হয়।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ-মিছিল ও সমাবেশ করে কমিটি বাতিলের জন্য জন্য শনিবার পর্যন্ত সময় বেধে দেন। কমিটি বাতিল না হওয়ায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে রোববার আবারও সড়ক অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে ‘ভুয়া কমিটি মানি না, মানব না’, ‘পকেট কমিটি বাতিল করো, করতে হবে’সহ নানা স্লোগান দেন। এসময় দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হলে রাস্তার দুই লেনের দুই পাশে একটি গাড়ি চলাচলে জায়গা করে দেওয়া হয়।
এর আগে, গত ৩০ জানুয়ারি ঘোষিত কমিটিতে ছাত্রলীগ, জাসদ ছাত্রলীগসহ সুবিধাবাদী আওয়ামী লীগের দালালদের কমিটিতে রাখা হয়েছে দাবি করে রাজশাহী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবদুল হাফিজ সরকার বলেন, বৈষম্যবিরোধীদের কমিটিতে এমন ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে, যাদের এই আন্দোলনে সম্পৃক্ততাই ছিল না। এই সমন্বয়কদের পরিচয়েই গত ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি হয়েছে। সেই ভুয়া সমন্বয়কেরা এখন আবার বিভিন্ন পদের নেতা। এই আন্দোলনের সক্রিয় ব্যক্তিরা কেউই কমিটিতে নেই। তাই এই কমিটির শেষ দেখা পর্যন্ত আমরা রাস্তায় থাকব। যাঁরা টাকার বিনিময়ে কমিটি করেছেন, এই কমিটি অচিরেই বিলুপ্ত করতে হবে।’
শিক্ষার্থী আবদুর রহিম জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি তাদের আশ্বাস দিয়েছে। এছাড়া জনদুর্ভোগ এড়াতে পুলিশ তাদের অবরোধ তুলে নেওয়ার অনুরোধ করে। তাই তারা ৪০ মিনিট পর অবরোধ তুলে নিয়েছেন। দ্রুতই কমিটি বাতিল না হলে তারা আবার কর্মসূচি দেবেন।
কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে শিক্ষার্থী আদিব মাহমুদ, শাহাদাত হোসেন, নিসাত তাসনীম, হাফিজ সরকার প্রমুখ বক্তব্য দেন। পরে পুলিশের অনুরোধে অবরোধ তুলে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

রাজশাহীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদ্য ঘোষিত মহানগর ও জেলা কমিটিকে 'ভুয়া' উল্লেখ করে তা বাতিলের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে নগরীর তালাইমারি মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এসময় প্রায় ৪০ মিনিট সড়ক অবরোধ করে রাখেন তারা। এতে সড়কের দুইপাশে যানজট দেখা দেয়। তবে জরুরি পরিবহনগুলোকে যেতে দেওয়া হয়।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ-মিছিল ও সমাবেশ করে কমিটি বাতিলের জন্য জন্য শনিবার পর্যন্ত সময় বেধে দেন। কমিটি বাতিল না হওয়ায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে রোববার আবারও সড়ক অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে ‘ভুয়া কমিটি মানি না, মানব না’, ‘পকেট কমিটি বাতিল করো, করতে হবে’সহ নানা স্লোগান দেন। এসময় দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হলে রাস্তার দুই লেনের দুই পাশে একটি গাড়ি চলাচলে জায়গা করে দেওয়া হয়।
এর আগে, গত ৩০ জানুয়ারি ঘোষিত কমিটিতে ছাত্রলীগ, জাসদ ছাত্রলীগসহ সুবিধাবাদী আওয়ামী লীগের দালালদের কমিটিতে রাখা হয়েছে দাবি করে রাজশাহী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবদুল হাফিজ সরকার বলেন, বৈষম্যবিরোধীদের কমিটিতে এমন ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে, যাদের এই আন্দোলনে সম্পৃক্ততাই ছিল না। এই সমন্বয়কদের পরিচয়েই গত ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি হয়েছে। সেই ভুয়া সমন্বয়কেরা এখন আবার বিভিন্ন পদের নেতা। এই আন্দোলনের সক্রিয় ব্যক্তিরা কেউই কমিটিতে নেই। তাই এই কমিটির শেষ দেখা পর্যন্ত আমরা রাস্তায় থাকব। যাঁরা টাকার বিনিময়ে কমিটি করেছেন, এই কমিটি অচিরেই বিলুপ্ত করতে হবে।’
শিক্ষার্থী আবদুর রহিম জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি তাদের আশ্বাস দিয়েছে। এছাড়া জনদুর্ভোগ এড়াতে পুলিশ তাদের অবরোধ তুলে নেওয়ার অনুরোধ করে। তাই তারা ৪০ মিনিট পর অবরোধ তুলে নিয়েছেন। দ্রুতই কমিটি বাতিল না হলে তারা আবার কর্মসূচি দেবেন।
কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে শিক্ষার্থী আদিব মাহমুদ, শাহাদাত হোসেন, নিসাত তাসনীম, হাফিজ সরকার প্রমুখ বক্তব্য দেন। পরে পুলিশের অনুরোধে অবরোধ তুলে নিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

চাকরি পুনর্বহাল, পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন দেশের পাঁচটি ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আজ সোমবার সকালে নগরের কোতোয়ালি এলাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
২ দিন আগে
চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
২ দিন আগে
যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
২ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
২ দিন আগে