
নীলফামারী প্রতিনিধি

ভারত থেকে নেমে আসা উজানের ঢলের পাশাপাশি টানা ভারী বৃষ্টিপাতে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে নীলফামারীসহ তিস্তা অববাহিকার বিভিন্ন চর ও নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এর মধ্যেই আগামী ৪৮ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের নিম্নাঞ্চলে নদীর পানি বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
গত কয়েকদিন ধরেই তিস্তা নদীর পানি বাড়ছিল। এর মধ্যে মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল ৩টায় নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি সমতল পরিমাপ করা হয় ৫২ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার। তিস্তার এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।
পাউবোর ডালিয়া বিভাগের ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, উজানের ঢলের কারণে তিস্তার পানি দ্রুত বেড়েছে। নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে।
পানি বাড়তে থাকায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুরের গঙ্গাচড়া এবং কুড়িগ্রামের চর ও নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। তিস্তাপাড়ের শত শত একর ফসলি জমিও পানিতে তলিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এ পরিস্থিতির মধ্যেই বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র পূর্বাভাস দিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল এলাকার কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
এ ছাড়াও আগামী ৭২ ঘণ্টায় নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায় ভুগাই, কংস ও সোমেশ্বরী এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল এলাকার কোখাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে জানিয়েছে পূর্বাভাস কেন্দ্র।
গত ২৪ ঘণ্টায় পূর্বাঞ্চলীয় ও দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম বিভাগের সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি সমতলে বেড়েছে জানিয়ে কেন্দ্রটি বলছে, গোমতী, মুহুরী, ফেনী ও হালদার মতো নদীগুলোর পানি সমতলে কমেছে, অন্যদিকে সেলোনিয়া নদীর পানি সমতলে স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী তিন দিনে চট্টগ্রাম বিভাগের এই নদীগুলোর পানি সমতলে বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

ভারত থেকে নেমে আসা উজানের ঢলের পাশাপাশি টানা ভারী বৃষ্টিপাতে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে নীলফামারীসহ তিস্তা অববাহিকার বিভিন্ন চর ও নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এর মধ্যেই আগামী ৪৮ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের নিম্নাঞ্চলে নদীর পানি বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
গত কয়েকদিন ধরেই তিস্তা নদীর পানি বাড়ছিল। এর মধ্যে মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল ৩টায় নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি সমতল পরিমাপ করা হয় ৫২ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার। তিস্তার এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।
পাউবোর ডালিয়া বিভাগের ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, উজানের ঢলের কারণে তিস্তার পানি দ্রুত বেড়েছে। নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে।
পানি বাড়তে থাকায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুরের গঙ্গাচড়া এবং কুড়িগ্রামের চর ও নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। তিস্তাপাড়ের শত শত একর ফসলি জমিও পানিতে তলিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এ পরিস্থিতির মধ্যেই বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র পূর্বাভাস দিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল এলাকার কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
এ ছাড়াও আগামী ৭২ ঘণ্টায় নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায় ভুগাই, কংস ও সোমেশ্বরী এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল এলাকার কোখাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে জানিয়েছে পূর্বাভাস কেন্দ্র।
গত ২৪ ঘণ্টায় পূর্বাঞ্চলীয় ও দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম বিভাগের সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি সমতলে বেড়েছে জানিয়ে কেন্দ্রটি বলছে, গোমতী, মুহুরী, ফেনী ও হালদার মতো নদীগুলোর পানি সমতলে কমেছে, অন্যদিকে সেলোনিয়া নদীর পানি সমতলে স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী তিন দিনে চট্টগ্রাম বিভাগের এই নদীগুলোর পানি সমতলে বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

বুধবার (১২ আগস্ট) চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় করা একটি চাঁদাবাজির মামলায় চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লোকমান হাকিমের আদালত এ আদেশ দেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় কিছু হাতবোমা ও বোমা তৈরির উপকরণ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বনগাঁও ইউনিয়নেও বোমাসদৃশ একটি প্রেসার কুকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল ও আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের পরই পুলিশ ওই ভবন ঘিরে ফেলে। ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সিটিটিসিকে ডাকা হয়। সবার উপস্থিতিতে রাতে শুরু হয় অভিযান। পরে ওই বাসায় আরও ৯টি পাইপ বোমা, গান পাউডার, সায়ানাইডসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়। আরিফের কাছে পাওয়া ছয়টিসহ সব মিলিয়ে ১৫টি পাইপ বোমা নিষ্ক্রিয় করে বোম্
৬ ঘণ্টা আগে