
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী কলেজে পরীক্ষার ভাইভা দিতে আসা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী মো. মাজহারুল ইসলাম আশিককে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাকে আটকের পর বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
আটক মো. মাজহারুল ইসলাম আশিক রাজশাহী কলেজের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর থানার ক্ষুদ্রকমরপুর গ্রামে। তিনি রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগে তিনি কলেজের মুসলিম ছাত্রাবাসের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। পট পরিবর্তনের পর তিনি গা ঢাকা দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইতিহাস বিভাগে পরীক্ষার ভাইভা দিতে মঙ্গলবার সকালে কলেজে আসেন মাজহারুল ইসলাম আশিক। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা
তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পাশাপাশি ছাত্রদলের কাছে থাকা পূর্বের ছাত্রলীগের কর্মীদের কলেজ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন কার্যক্রমের ছবিতে চেক করা হয়। ছবিগুলোতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসন আমলে কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। ছাত্রলীগের মিছিলগুলোতে তাকে সামনের সাড়িতে অবস্থান করতে দেখা যায়। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে রাজশাহী কলেজে ১৬ জুলাই শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের হামলার দিনেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। পরে তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ (আবির) বলেন, রাজশাহী কলেজ ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী এবং রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হত্যা মামলার আসামি রাশিক দত্তের ঘনিষ্ঠ সহযোগী আশিক কলেজে ভাইভা দেয়ার জন্য আসে। পরবর্তীতে কলেজ ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
কলেজ প্রশাসনের নিকট দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, যারা জুলাই আন্দোলনে হামলাকারী তাদের বিরুদ্ধে যেন কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এছাড়াও যারা মূখ্য ভূমিকা পালন করেছে তাদের ছাত্রত্ব যেন বাতিল করা হয়।
আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে নগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, নতুন করে ওই ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা হয়নি।তবে তার বিরুদ্ধে পূর্বের একটি মামলা চলমান রয়েছে। সেই মামলায় তাকে চালান দেওয়া হবে।

রাজশাহী কলেজে পরীক্ষার ভাইভা দিতে আসা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী মো. মাজহারুল ইসলাম আশিককে আটকের পর পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাকে আটকের পর বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
আটক মো. মাজহারুল ইসলাম আশিক রাজশাহী কলেজের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর থানার ক্ষুদ্রকমরপুর গ্রামে। তিনি রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগে তিনি কলেজের মুসলিম ছাত্রাবাসের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। পট পরিবর্তনের পর তিনি গা ঢাকা দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইতিহাস বিভাগে পরীক্ষার ভাইভা দিতে মঙ্গলবার সকালে কলেজে আসেন মাজহারুল ইসলাম আশিক। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা
তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পাশাপাশি ছাত্রদলের কাছে থাকা পূর্বের ছাত্রলীগের কর্মীদের কলেজ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন কার্যক্রমের ছবিতে চেক করা হয়। ছবিগুলোতে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসন আমলে কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। ছাত্রলীগের মিছিলগুলোতে তাকে সামনের সাড়িতে অবস্থান করতে দেখা যায়। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে রাজশাহী কলেজে ১৬ জুলাই শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের হামলার দিনেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। পরে তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ (আবির) বলেন, রাজশাহী কলেজ ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী এবং রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হত্যা মামলার আসামি রাশিক দত্তের ঘনিষ্ঠ সহযোগী আশিক কলেজে ভাইভা দেয়ার জন্য আসে। পরবর্তীতে কলেজ ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
কলেজ প্রশাসনের নিকট দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, যারা জুলাই আন্দোলনে হামলাকারী তাদের বিরুদ্ধে যেন কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এছাড়াও যারা মূখ্য ভূমিকা পালন করেছে তাদের ছাত্রত্ব যেন বাতিল করা হয়।
আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে নগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, নতুন করে ওই ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা হয়নি।তবে তার বিরুদ্ধে পূর্বের একটি মামলা চলমান রয়েছে। সেই মামলায় তাকে চালান দেওয়া হবে।

চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
১ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
২ দিন আগে
এ সময় তাকে তার মায়ের সামনেই মারধর করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ। তবে ডিবি পুলিশের দাবি, ওই যুবককে কোনো নির্যাতন করা হয়নি। বরং তার সঙ্গে ভালো আচরণ করা হয়েছে এবং তাকে খাবারও দেওয়া হয়েছিল।
২ দিন আগে