
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার ১৫ দিন পরও সন্ধান মেলেনি শাবানা খাতুন নামে এক গৃহবধূর। গত ১১ মে স্বামী আসাদুল ইসলামের বাড়ি থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন তিনি।
জামাই ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন মেয়েকে হত্যা করে মরদেহ গুম করেছে বলে ধারণা নিখোঁজ শাবানার বাবা-মায়ের।
জানা গেছে, উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের উদপাড়া গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে আসাদুল ইসলামের সঙ্গে প্রায় ১৫ বছর আগে একই গ্রামের আবু তাহেরের মেয়ে শাবানা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে দুটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। শাবানার স্বামী আসাদুল ইসলাম একটি কোম্পানিতে চাকরির সুবাদে ময়মনসিংহের ত্রিশালে থাকেন। এ নিয়ে দ্বন্দ্বে এক মাস আগে শাবানা দুই সন্তান নিয়ে শ্বশুড়-শাশুড়ির সংসার থেকে আলাদা হয়ে যান। খবর পেয়ে গত ১০ মে শাবানার স্বামী আসাদুল ইসলাম বাড়িতে আসেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে উভয় পরিবারের আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে আসাদুলের বাড়িতে ওইদিন রাত ১২টা পর্যন্ত বৈঠক হয়। কিন্তু পরের দিন সকালে শাবানাকে স্বামীর বাড়িতে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
শাবানার শাশুড়ি নূরজাহান বেগম জানান, রাতে বৈঠক শেষে তার ছেলে ও ছেলের বউ এক সঙ্গেই তাদের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলো। কিন্তু ভোর রাতে ছেলের বউ (শাবানা) রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়।
আসাদুল ইসলাম জানান, স্ত্রীকে খুঁজতে তিনি এখন টাঙ্গাইলে অবস্থান করছেন। স্ত্রী নিখোঁজের বিষয়ে তিনি থানায় একটি জিডিও করেছেন বলে জানান।
তবে নিখোঁজ শাবানার বাবা-মায়ের অভিযোগ, জামাই ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন মেয়েকে হত্যা করে মরদেহ গুম করেছে। দ্রুত তদন্ত করে এই ঘটনার রহস্য উন্মোচনের দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার বলেন, নিখোঁজ গৃহবধূকে উদ্ধারের জন্য পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। শিগগিরই এই রহস্য উদঘাটন করা হবে।

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার ১৫ দিন পরও সন্ধান মেলেনি শাবানা খাতুন নামে এক গৃহবধূর। গত ১১ মে স্বামী আসাদুল ইসলামের বাড়ি থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন তিনি।
জামাই ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন মেয়েকে হত্যা করে মরদেহ গুম করেছে বলে ধারণা নিখোঁজ শাবানার বাবা-মায়ের।
জানা গেছে, উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের উদপাড়া গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে আসাদুল ইসলামের সঙ্গে প্রায় ১৫ বছর আগে একই গ্রামের আবু তাহেরের মেয়ে শাবানা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে দুটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। শাবানার স্বামী আসাদুল ইসলাম একটি কোম্পানিতে চাকরির সুবাদে ময়মনসিংহের ত্রিশালে থাকেন। এ নিয়ে দ্বন্দ্বে এক মাস আগে শাবানা দুই সন্তান নিয়ে শ্বশুড়-শাশুড়ির সংসার থেকে আলাদা হয়ে যান। খবর পেয়ে গত ১০ মে শাবানার স্বামী আসাদুল ইসলাম বাড়িতে আসেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে উভয় পরিবারের আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে আসাদুলের বাড়িতে ওইদিন রাত ১২টা পর্যন্ত বৈঠক হয়। কিন্তু পরের দিন সকালে শাবানাকে স্বামীর বাড়িতে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
শাবানার শাশুড়ি নূরজাহান বেগম জানান, রাতে বৈঠক শেষে তার ছেলে ও ছেলের বউ এক সঙ্গেই তাদের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলো। কিন্তু ভোর রাতে ছেলের বউ (শাবানা) রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়।
আসাদুল ইসলাম জানান, স্ত্রীকে খুঁজতে তিনি এখন টাঙ্গাইলে অবস্থান করছেন। স্ত্রী নিখোঁজের বিষয়ে তিনি থানায় একটি জিডিও করেছেন বলে জানান।
তবে নিখোঁজ শাবানার বাবা-মায়ের অভিযোগ, জামাই ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন মেয়েকে হত্যা করে মরদেহ গুম করেছে। দ্রুত তদন্ত করে এই ঘটনার রহস্য উন্মোচনের দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার বলেন, নিখোঁজ গৃহবধূকে উদ্ধারের জন্য পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। শিগগিরই এই রহস্য উদঘাটন করা হবে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১৭ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১৮ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছানোর পর দুই দেশের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২১ ঘণ্টা আগে