
রাজশাহী ব্যুরো

ভুয়া বিয়ের নাটক সাজিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে একসঙ্গে বসবাস এবং পরে তাকে গর্ভবতী করে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে মাসুম মন্ডল (২৭) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ বুধবার র্যাব-৫ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে রাজশাহীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে মাসুম মন্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব-৫, সদর কোম্পানির একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার মাসুম মন্ডলের বাড়ি বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার উথুলি পূর্বপাড়া গ্রামে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ভুক্তভোগী তরুণী ঢাকায় কর্মরত অবস্থায় লিবিয়া প্রবাসী মাসুম মন্ডলের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচিত হন। দেড় বছরের প্রেমের পর মাসুম দেশে ফিরে গত ১১ ফেব্রুয়ারি ওই তরুণীর গ্রামের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের প্রলোভন ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর তিনি জাল কাগজপত্র তৈরি করে ভুয়া বিয়ের আয়োজন করেন এবং স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে গাজীপুরে একটি ভাড়া বাসায় একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন। কিছুদিন পর তরুণী গর্ভবতী হলে মাসুম তাকে ফেলে পালিয়ে যান।পরবর্তীতে তরুণী মাসুমের বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর মর্যাদা দাবি করলে মাসুম তাকে মারধর করেন এবং হত্যার হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালতের নির্দেশে গত সেপ্টেম্বর মাসে বগুড়ার শিবগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়।
র্যাব জানায়, মামলা হওয়ার পর থেকে আসামি মাসুম পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুম ভুয়া বিয়ে ও ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানায় র্যাব।
গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় হস্তান্তর করা হবে।

ভুয়া বিয়ের নাটক সাজিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে একসঙ্গে বসবাস এবং পরে তাকে গর্ভবতী করে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে মাসুম মন্ডল (২৭) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ বুধবার র্যাব-৫ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে রাজশাহীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে মাসুম মন্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব-৫, সদর কোম্পানির একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তার মাসুম মন্ডলের বাড়ি বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার উথুলি পূর্বপাড়া গ্রামে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ভুক্তভোগী তরুণী ঢাকায় কর্মরত অবস্থায় লিবিয়া প্রবাসী মাসুম মন্ডলের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচিত হন। দেড় বছরের প্রেমের পর মাসুম দেশে ফিরে গত ১১ ফেব্রুয়ারি ওই তরুণীর গ্রামের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের প্রলোভন ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর তিনি জাল কাগজপত্র তৈরি করে ভুয়া বিয়ের আয়োজন করেন এবং স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে গাজীপুরে একটি ভাড়া বাসায় একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন। কিছুদিন পর তরুণী গর্ভবতী হলে মাসুম তাকে ফেলে পালিয়ে যান।পরবর্তীতে তরুণী মাসুমের বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর মর্যাদা দাবি করলে মাসুম তাকে মারধর করেন এবং হত্যার হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালতের নির্দেশে গত সেপ্টেম্বর মাসে বগুড়ার শিবগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়।
র্যাব জানায়, মামলা হওয়ার পর থেকে আসামি মাসুম পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুম ভুয়া বিয়ে ও ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানায় র্যাব।
গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় হস্তান্তর করা হবে।

সকাল ৯টার দিকে রানীগঞ্জ বাজারের কাছে একই মোটরসাইকেলে চড়ে ওই তিন আরোহী স্থানীয় একটি সড়ক থেকে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে উঠছিলেন। এ সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় অপর দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
৯ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়া থেকে পাংশাগামী একটি ড্রামট্রাকের (বগুড়া ড ১১-২৭০৩) সঙ্গে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো ব-১৩ ০০৯৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
১০ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ১৩ বন্ধু দেওভোগ এলাকার মোস্তাকুর রহমানের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে বিকেলে কয়েকজন গোসলে নামেন। এ সময় পা পিছলে আজওয়াদ পানিতে দূরে চলে যান। অপর বন্ধু সোপান উদ্ধারের চেষ্টা করেন। পরে দুজনেই পানিতে তলিয়ে যান।
১ দিন আগে
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মৌলভীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতসহ বৃষ্টি হয়। এ সময়ে তালেব মিয়া নিজ জমিতে ধান কাটার সময় এবং স্বপন মুন্ডা স্থানীয় রাবারবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
১ দিন আগে