
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে তালাকপ্রাপ্ত এক নারীর ঘরে ঢুকে এলাকাবাসীর হাতে আটক হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। বুধবার (৩০ এপ্রিল) রাতে নগরের তালাইমারি বাদুড়তলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত তিনি থানায় ছিলেন।
আটক ওই পুলিশ কনস্টেবলের নাম টি এম নাসির উদ্দিন। তিনি পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের বেইজড ওয়ারলেস অপারেটর হিসেবে কর্মরত।
নাসিরের বাড়ি সিরাজগঞ্জে। সেখানে তার স্ত্রী-সন্তানও রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, বাসা ভাড়া নিয়ে রাজশাহী শহরে থাকতেন নাছির। বৃহস্পতিবার রাতে ওই নারীর মায়ের বাসায় গিয়েছিলেন তিনি। খবর পেয়ে তাকে নারীসহ আটক করেন এলাকাবাসী। আটকের সময় তিনি বিবস্ত্র অবস্থায় ছিলেন।
তবে কনস্টেবল নাসিরের দাবি, আগের স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি ওই নারীকে কালেমা পড়ে বিয়ে করেন।
নগরের মতিহার থানার ওসি আবদুল মালেক বলেন, ‘ওই নারী তার মায়ের বাড়িতেই থাকতেন। সেখানে রাতে কনস্টেবল যান। এ সময় কিছু মানুষ দু’জনকে ঘরে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন।’
তিনি বলেন, ‘পুলিশ সদস্যর দাবি, কালেমা পড়ে তিনি ওই নারীকে বিয়ে করেছেন। আগের স্ত্রীও বিষয়টি অবগত। তবে বিয়ের কোনো রেজিস্ট্রি নেই। এখন তিনি রেজিস্ট্রি করতে চাচ্ছেন। বর্তমানে দু’জনে থানায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
ওসি আরও বলেন, ‘চাইলে ওই কনস্টেবল তাদের বিয়ের রেজিস্ট্রি করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আগের স্ত্রীর কোনো আপত্তি থাকলে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন।’

রাজশাহীতে তালাকপ্রাপ্ত এক নারীর ঘরে ঢুকে এলাকাবাসীর হাতে আটক হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। বুধবার (৩০ এপ্রিল) রাতে নগরের তালাইমারি বাদুড়তলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত তিনি থানায় ছিলেন।
আটক ওই পুলিশ কনস্টেবলের নাম টি এম নাসির উদ্দিন। তিনি পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের বেইজড ওয়ারলেস অপারেটর হিসেবে কর্মরত।
নাসিরের বাড়ি সিরাজগঞ্জে। সেখানে তার স্ত্রী-সন্তানও রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, বাসা ভাড়া নিয়ে রাজশাহী শহরে থাকতেন নাছির। বৃহস্পতিবার রাতে ওই নারীর মায়ের বাসায় গিয়েছিলেন তিনি। খবর পেয়ে তাকে নারীসহ আটক করেন এলাকাবাসী। আটকের সময় তিনি বিবস্ত্র অবস্থায় ছিলেন।
তবে কনস্টেবল নাসিরের দাবি, আগের স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি ওই নারীকে কালেমা পড়ে বিয়ে করেন।
নগরের মতিহার থানার ওসি আবদুল মালেক বলেন, ‘ওই নারী তার মায়ের বাড়িতেই থাকতেন। সেখানে রাতে কনস্টেবল যান। এ সময় কিছু মানুষ দু’জনকে ঘরে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন।’
তিনি বলেন, ‘পুলিশ সদস্যর দাবি, কালেমা পড়ে তিনি ওই নারীকে বিয়ে করেছেন। আগের স্ত্রীও বিষয়টি অবগত। তবে বিয়ের কোনো রেজিস্ট্রি নেই। এখন তিনি রেজিস্ট্রি করতে চাচ্ছেন। বর্তমানে দু’জনে থানায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
ওসি আরও বলেন, ‘চাইলে ওই কনস্টেবল তাদের বিয়ের রেজিস্ট্রি করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আগের স্ত্রীর কোনো আপত্তি থাকলে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন।’

চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
১ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
২ দিন আগে
এ সময় তাকে তার মায়ের সামনেই মারধর করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ। তবে ডিবি পুলিশের দাবি, ওই যুবককে কোনো নির্যাতন করা হয়নি। বরং তার সঙ্গে ভালো আচরণ করা হয়েছে এবং তাকে খাবারও দেওয়া হয়েছিল।
২ দিন আগে