
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে বিচারকের ছেলেকে হত্যার ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামির বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় এর আগে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনারকে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেছিলেন আদালত।
শনিবার রাতে রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার গাজিউর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, আসামি লিমন মিয়ার পাহারায় নিযুক্ত একজন এসআই ও তিন কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আরও কারও দায়িত্বে অবহেলা বা জড়িত থাকার প্রমান মিললে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যে চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে তারা হলেন— রাজপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু শাহাদাত এবং কনস্টেবল আব্দুস সবুর, মাহফুজার রহমান ও মিঠু সরদার।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমানের ভাড়া বাসায় ঢুকে তার ছেলে তাওসিফ রহমানকে সুমন ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। ছুরিকাঘাতে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসি জখম হন। এ সময় ধস্তাধস্তি হলে আসামি লিমন মিয়াও আহত হন।
ঘটনাস্থলে থেকেই আটক করা হয় অভিযুক্ত লিমনকে। পরে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় তার বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়।
ছেলে হত্যা ও স্ত্রী জখমের ঘটনায় শুক্রবার বিচারক আব্দুর রহমান লিমনকে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
এদিকে শনিবার আসামি লিমনকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে মহানগর হাকিম আমলি আদালতের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রাজশাহীতে বিচারকের ছেলেকে হত্যার ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে থাকা আসামির বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় এর আগে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনারকে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেছিলেন আদালত।
শনিবার রাতে রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার গাজিউর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, আসামি লিমন মিয়ার পাহারায় নিযুক্ত একজন এসআই ও তিন কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আরও কারও দায়িত্বে অবহেলা বা জড়িত থাকার প্রমান মিললে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যে চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে তারা হলেন— রাজপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু শাহাদাত এবং কনস্টেবল আব্দুস সবুর, মাহফুজার রহমান ও মিঠু সরদার।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমানের ভাড়া বাসায় ঢুকে তার ছেলে তাওসিফ রহমানকে সুমন ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। ছুরিকাঘাতে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসি জখম হন। এ সময় ধস্তাধস্তি হলে আসামি লিমন মিয়াও আহত হন।
ঘটনাস্থলে থেকেই আটক করা হয় অভিযুক্ত লিমনকে। পরে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় তার বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়।
ছেলে হত্যা ও স্ত্রী জখমের ঘটনায় শুক্রবার বিচারক আব্দুর রহমান লিমনকে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
এদিকে শনিবার আসামি লিমনকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে মহানগর হাকিম আমলি আদালতের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ দিন আগে
যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
১ দিন আগে
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও
২ দিন আগে
পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির
২ দিন আগে