
রাজশাহী ব্যুরো

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সহিংসতার পর রাজশাহীতে পুলিশের দায়ের করা ১৭ মামলায় মোট ৪১২ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত রাজশাহী জেলা পুলিশের ১০টি ও মহানগর পুলিশের (আরএমপি) ৭টি মামলায় গ্রেপ্তার হন তারা। গ্রেপ্তারদের অধিকাংশই জামাত-শিবির ও বিএনপির নেতাকর্মী বলে জানা গেছে। ফলে গ্রেপ্তার আতঙ্কে তাদের বেশির ভাগ নেতাকর্মী ঘরছাড়া হয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিএনপি-জামায়াতের অনেক নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। আবার অনেক নেতাকর্মী ঘরছাড়া হয়েছেন। ঘরছাড়া নেতাকর্মীরা নিজেদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রাখছেন। সুযোগ বুঝে কেউ বাসায় এসে মাঝে মধ্যে কোন রকম দেখা সাক্ষাৎ করে চলে যাচ্ছেন। এসব নিয়ে নিজ পরিবারের সদস্য ও সন্তানরাও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
এদিকে, কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে যে সহিংসতা হয়েছে তার সাথে জামায়াত-শিবির জড়িত নয় বলে দাবি করে রাজশাহী জেলা পশ্চিম জামায়াতের আমির অধ্যাপক আব্দুল খালেক বলেন, আমাদের নেতাকর্মীদের কোন কারণ ছাড়াই গ্রেপ্তার করছে। আমাদের প্রায় ৫০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেপ্তার আতঙ্কে অনেকে ঘরছাড়া হয়েছে। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে পুলিশ জামায়াতের নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন ও হয়রানি করছে।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির আহবায়ক এরশাদ আলী ইশা বলেন, গত ১৯ জুলাই বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা করে। কিন্তু উল্টো আমাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এছাড়াও শিক্ষার্থীরা পুলিশের গাড়িতে হামলা করেছে আর মামলার আসামি করা হয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীদের। এভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করে হয়রানি করা হচ্ছে। গত কয়েকদিনে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আরএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) জামিরুল ইসলাম জানান, রাজশাহী মহানগর এলাকায় গত কয়েকদিন সহিংসতা ও নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে ৭টি মামলায় অজ্ঞাত ৯০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এসব মামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত) আরও ১৫ জনকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে মোট ২৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযান চলমান রয়েছে।
রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) রফিকুল ইসলাম বলেন, জেলায় বিভিন্ন থানায় এখন পর্যন্ত ১০টি মামলা দায়ের হয়েছে। এ সব মামলায় মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনসহ মোট ১৫৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। অজ্ঞাত অনেক আসামি রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
র্যাব-৫ -এর অধিনায়ক ফিরোজ কবীর জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে রাজশাহীতে বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে। এ সব ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াত-শিবির সরাসরি জড়িত। এ সব ঘটনায় গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যে সেটি জানা গেছে। আমরা ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখে ৫০ জনের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছি। এদের মধ্যে বিএনপি ও জামায়াত-শিবির নেতাকর্মী ছাড়াও ভাড়াটে কিছু সন্ত্রাসীও রয়েছে। যাদের বিএনপি-জামায়াতের ভাড়াটে হিসেবে সহিংসতা করেছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সহিংসতার পর রাজশাহীতে পুলিশের দায়ের করা ১৭ মামলায় মোট ৪১২ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত রাজশাহী জেলা পুলিশের ১০টি ও মহানগর পুলিশের (আরএমপি) ৭টি মামলায় গ্রেপ্তার হন তারা। গ্রেপ্তারদের অধিকাংশই জামাত-শিবির ও বিএনপির নেতাকর্মী বলে জানা গেছে। ফলে গ্রেপ্তার আতঙ্কে তাদের বেশির ভাগ নেতাকর্মী ঘরছাড়া হয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজশাহী জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিএনপি-জামায়াতের অনেক নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। আবার অনেক নেতাকর্মী ঘরছাড়া হয়েছেন। ঘরছাড়া নেতাকর্মীরা নিজেদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রাখছেন। সুযোগ বুঝে কেউ বাসায় এসে মাঝে মধ্যে কোন রকম দেখা সাক্ষাৎ করে চলে যাচ্ছেন। এসব নিয়ে নিজ পরিবারের সদস্য ও সন্তানরাও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
এদিকে, কোটা সংস্কার আন্দোলনে সারা দেশে যে সহিংসতা হয়েছে তার সাথে জামায়াত-শিবির জড়িত নয় বলে দাবি করে রাজশাহী জেলা পশ্চিম জামায়াতের আমির অধ্যাপক আব্দুল খালেক বলেন, আমাদের নেতাকর্মীদের কোন কারণ ছাড়াই গ্রেপ্তার করছে। আমাদের প্রায় ৫০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেপ্তার আতঙ্কে অনেকে ঘরছাড়া হয়েছে। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে পুলিশ জামায়াতের নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন ও হয়রানি করছে।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির আহবায়ক এরশাদ আলী ইশা বলেন, গত ১৯ জুলাই বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা করে। কিন্তু উল্টো আমাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এছাড়াও শিক্ষার্থীরা পুলিশের গাড়িতে হামলা করেছে আর মামলার আসামি করা হয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীদের। এভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করে হয়রানি করা হচ্ছে। গত কয়েকদিনে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আরএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) জামিরুল ইসলাম জানান, রাজশাহী মহানগর এলাকায় গত কয়েকদিন সহিংসতা ও নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে ৭টি মামলায় অজ্ঞাত ৯০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এসব মামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত) আরও ১৫ জনকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে মোট ২৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযান চলমান রয়েছে।
রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) রফিকুল ইসলাম বলেন, জেলায় বিভিন্ন থানায় এখন পর্যন্ত ১০টি মামলা দায়ের হয়েছে। এ সব মামলায় মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনসহ মোট ১৫৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। অজ্ঞাত অনেক আসামি রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
র্যাব-৫ -এর অধিনায়ক ফিরোজ কবীর জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে রাজশাহীতে বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে। এ সব ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াত-শিবির সরাসরি জড়িত। এ সব ঘটনায় গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যে সেটি জানা গেছে। আমরা ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখে ৫০ জনের বেশি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছি। এদের মধ্যে বিএনপি ও জামায়াত-শিবির নেতাকর্মী ছাড়াও ভাড়াটে কিছু সন্ত্রাসীও রয়েছে। যাদের বিএনপি-জামায়াতের ভাড়াটে হিসেবে সহিংসতা করেছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
২১ ঘণ্টা আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
১ দিন আগে
সিলেটের বিয়ানীবাজারের সোনাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আয়োজনে বাধ সেধেছে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী। তারা প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি জানালেও আয়োজকরা ২৮ আগস্ট নৌকাবাইচ আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো নৌকাবাইচ হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ দিন আগে
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার পর দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে মরদেহ ৫টি বেনাপোলে পৌঁছাতে পারে। তবে ঠিক কখন মরদেহগুলো সীমান্তে পৌঁছাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
১ দিন আগে