সৌদির সঙ্গে মিল রেখে পুঠিয়ায় ঈদের নামাজ

রাজশাহী ব্যুরো
আপডেট : ২৭ মে ২০২৬, ১৪: ৪৮
সৌদির সঙ্গে মিল রেখে পুঠিয়ায় ঈদের নামাজ

সারাদেশে যখন পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে আগামীকাল বৃহস্পতিবারকে কেন্দ্র করে, ঠিক তখনই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় আগাম ঈদের নামাজ আদায় করেছেন কয়েকজন মুসল্লি।

আজ বুধবার সকাল ৮টায় উপজেলার কৃষ্ণপুর এলাকার কৃষ্ণপুর মুসলিম জামে মসজিদে ব্যতিক্রমী এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামাতে ইমামতি করেন এলাকার বাসিন্দা মো. রহিম গাজী। তবে জামাতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল খুবই কম। নারী-পুরুষ মিলিয়ে মোট ৫ জন মুসল্লি ঈদের নামাজে অংশ নেন। এর মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ২ জন নারী ছিলেন।

নামাজ শেষে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা জানান, তারা কয়েক বছর ধরেই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের জামাত আদায় করে আসছেন। আগে দেশের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ঈদ উদযাপন করলেও বর্তমানে তারা সৌদির চন্দ্রোদয়ের ভিত্তিতে ঈদ পালন করছেন। এতে তারা আত্মিকভাবে বেশি তৃপ্তি অনুভব করেন বলেও জানান।

ঈদের খুতবা ও দোয়া শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন ইমাম মো. রহিম গাজী। তিনি বলেন,

'অনেকে মনে করেন সৌদি আরবে ঈদ হচ্ছে বলেই আমরা ঈদ করছি। আসলে বিষয়টি তা নয়। চাঁদ শুধু সৌদি আরব বা বাংলাদেশের জন্য ওঠে না, চাঁদ ওঠে পুরো পৃথিবীর জন্য। যেদিন চাঁদ উদিত হয়, সেদিন থেকেই নতুন মাস শুরু হয়। পৃথিবী বড় হওয়ায় সব জায়গা থেকে একই সময়ে চাঁদ দেখা যায় না। সেটা দেখার সীমাবদ্ধতা হতে পারে, কিন্তু চাঁদের উপস্থিতি তো বাস্তব।'

স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত ধর্মীয় বিশ্বাসের চর্চা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ প্রচলিত জাতীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে আগাম ঈদ উদযাপনকে ভিন্নধর্মী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করছেন।

উল্লেখ্য, প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে ঈদ উদযাপনের খবর পাওয়া যায়। তবে রাজশাহীর পুঠিয়ায় মাত্র পাঁচজন মুসল্লির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই আগাম ঈদের জামাত এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের জন্ম দিয়েছে।

রাজনীতি/একে

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement