
রাজশাহী ব্যুরো

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর নতুন বাংলাদেশ বির্নিমাণের প্রত্যয়ে দেশব্যাপী পরিষ্কার-পরিছন্ন ও যানজট নিরসনে রাজপথে নেমে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। তারই ধারাবাহিকতায় রাজশাহীতেও প্রধান প্রধান সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন করছেন তারা।
আজ বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর বাস টার্মিনাল, আলুপট্টি মোড়, সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট, মনিচত্বর, লক্ষ্মীপুর, রেলগেট, বর্নালী মোড়সহ এলাকায় যানজট নিরসনে দায়িত্ব পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা ছাড়াও সাধারণ শিক্ষার্থী, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের রোভার স্কাউট সদস্য, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ও রেড ক্রিসেন্ট সদস্যরা এসব দায়িত্ব পালন করছেন।
এদিকে, দেশের সংকট মুহূর্তে যখন বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যরা কর্মবিরতিতে আছেন সেই মুহুর্তে শিক্ষার্থীদের এই ভূমিকাই খুশি পথচারীরাও। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর পাশাপাশি ধ্বংসস্তুপ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ কিংবা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পাহারার কাজে মুগ্ধ সকলেই।
রাজশাহীর সাহেব বাজার এলাকায় পথচারী রায়হান হক বলেন, নতুন প্রজন্মকে আমরা মোবাইল আসক্ত, আর অলস হিসেবেই জানতাম। কিন্তু এই প্রজন্ম আমাদের সামনে নতুন পরিচয় এনেছে। নিজের জীবন উৎসর্গের বিনিময়ে দেশকে দ্বিতীয় বারের মতো স্বাধীন করেছে। একটা দেশকে নতুন স্বপ্ন দেখিয়েছে। এই প্রজন্মই দেশকে সুন্দরভাবে সাজাবে বলে আশা করি।
বাজারে আসা গৃহিণী শিরিন সুলতানা বলেন, কয়েক দিন পর বাজারে আসলাম। শিক্ষার্থীরা রাস্তাঘাট পরিষ্কার করছে। তারা হাতে ছোট লাঠি আর বাঁশি বাজিয়ে ট্রাফিক দেখাশোনা করছে এটা প্রশংসনীয়। মনে হচ্ছে আসল ট্রাফিক সদস্যরাই দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের ধন্যবাদও জানাই।
জিরো পয়েন্টে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছিলেন নগরীর বুদ্ধিজীবী কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও স্কাউট সদস্য ওয়ালিদ হাসান আপন। তিনি বলেন, দেশ তো ধ্বংসস্তুপ হয়ে আছে। কোথাও আইনশৃঙ্খলা ঠিক নাই। এজন্য নিজ দেশের জন্য যদি আমরা না আসি তো কখন দেশের জন্য কাজ করবো। সে জন্য শহরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে রাস্তায় আসছি।
হাতে হ্যান্ড মাইক নিয়ে পথচারীদের সচেতন করছিলেন মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সংগ্রাহক ও সাংবাদিক ওয়ালিউর রহমান বাবু। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিজয় এসেছে। এই বিজয় আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে পথ প্রদর্শক। রাস্তায় কোনো ট্রাফিক নেই, এতে যেন কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে সেজন্য ছাত্রদের সাথে রাস্তায় নেমেছি। আমরা সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে পাড়ায় পাড়ায় শান্তি বজায় রাখার জন্য।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর নতুন বাংলাদেশ বির্নিমাণের প্রত্যয়ে দেশব্যাপী পরিষ্কার-পরিছন্ন ও যানজট নিরসনে রাজপথে নেমে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। তারই ধারাবাহিকতায় রাজশাহীতেও প্রধান প্রধান সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব পালন করছেন তারা।
আজ বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর বাস টার্মিনাল, আলুপট্টি মোড়, সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট, মনিচত্বর, লক্ষ্মীপুর, রেলগেট, বর্নালী মোড়সহ এলাকায় যানজট নিরসনে দায়িত্ব পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা ছাড়াও সাধারণ শিক্ষার্থী, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের রোভার স্কাউট সদস্য, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ও রেড ক্রিসেন্ট সদস্যরা এসব দায়িত্ব পালন করছেন।
এদিকে, দেশের সংকট মুহূর্তে যখন বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যরা কর্মবিরতিতে আছেন সেই মুহুর্তে শিক্ষার্থীদের এই ভূমিকাই খুশি পথচারীরাও। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর পাশাপাশি ধ্বংসস্তুপ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ কিংবা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পাহারার কাজে মুগ্ধ সকলেই।
রাজশাহীর সাহেব বাজার এলাকায় পথচারী রায়হান হক বলেন, নতুন প্রজন্মকে আমরা মোবাইল আসক্ত, আর অলস হিসেবেই জানতাম। কিন্তু এই প্রজন্ম আমাদের সামনে নতুন পরিচয় এনেছে। নিজের জীবন উৎসর্গের বিনিময়ে দেশকে দ্বিতীয় বারের মতো স্বাধীন করেছে। একটা দেশকে নতুন স্বপ্ন দেখিয়েছে। এই প্রজন্মই দেশকে সুন্দরভাবে সাজাবে বলে আশা করি।
বাজারে আসা গৃহিণী শিরিন সুলতানা বলেন, কয়েক দিন পর বাজারে আসলাম। শিক্ষার্থীরা রাস্তাঘাট পরিষ্কার করছে। তারা হাতে ছোট লাঠি আর বাঁশি বাজিয়ে ট্রাফিক দেখাশোনা করছে এটা প্রশংসনীয়। মনে হচ্ছে আসল ট্রাফিক সদস্যরাই দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের ধন্যবাদও জানাই।
জিরো পয়েন্টে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছিলেন নগরীর বুদ্ধিজীবী কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও স্কাউট সদস্য ওয়ালিদ হাসান আপন। তিনি বলেন, দেশ তো ধ্বংসস্তুপ হয়ে আছে। কোথাও আইনশৃঙ্খলা ঠিক নাই। এজন্য নিজ দেশের জন্য যদি আমরা না আসি তো কখন দেশের জন্য কাজ করবো। সে জন্য শহরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে রাস্তায় আসছি।
হাতে হ্যান্ড মাইক নিয়ে পথচারীদের সচেতন করছিলেন মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সংগ্রাহক ও সাংবাদিক ওয়ালিউর রহমান বাবু। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিজয় এসেছে। এই বিজয় আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে পথ প্রদর্শক। রাস্তায় কোনো ট্রাফিক নেই, এতে যেন কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে সেজন্য ছাত্রদের সাথে রাস্তায় নেমেছি। আমরা সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে পাড়ায় পাড়ায় শান্তি বজায় রাখার জন্য।

তারা বলেন, একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হওয়ার যে অনন্য ইতিহাস, বেগম খালেদা জিয়া তা নিজের জীবন দিয়ে রচনা করে গেছেন। তিনি ক্ষমতার মোহে রাজনীতিতে আসেননি; ইতিহাসের নির্মম ডাকেই তাঁকে নেতৃত্বের ভার কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হারানোর শোক তাঁকে ভেঙে দেয়নি, ব
১ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১৭ জন বাংলাদেশিকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। পরে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তাদের আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
১ দিন আগে
বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র।
১ দিন আগে
তিনি বলেন, 'মা খালেদা জিয়া আমাকে রাজনীতিতে গড়ে তুলেছেন। ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হিসেবেও দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছি তাঁর কারণেই।'
১ দিন আগে