
রাজশাহী ব্যুরো

চাঁদা দাবির অভিযোগে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরইউজে) সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান রফিকুল ইসলামসহ চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাতে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বজলুর রহমান মন্টু বাদী হয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- জিটিভির রাজশাহী প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) যুগ্ম মহাসচিব রাশেদ রিপন, দৈনিক করতোয়ার রাজশাহী প্রতিনিধি রোজিনা সুলতানা ও স্থানীয় দৈনিক উপচার পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক আসগর আলী সাগর। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীর মাদরাসা মাঠে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশকে সাফল্য মণ্ডিত করার জন্য মিডিয়া কার্ড ইস্যু করা হয়। এটি বিএনপির নিজস্ব সমাবেশ হওয়ায় সব ক্ষেত্রে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করা হয়। সমাবেশের আগের দিন (২ ডিসেম্বর, ২০২২) দুপুরে মালোপাড়ায় নগর বিএনপির কার্যালয় থেকে এই কার্ড বিতরণ করা হয়। অধিকাংশ সাংবাদিক স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই কার্ড গ্রহণ করেন। কিন্তু, মামলায় উল্লেখিত সাংবাদিকরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে মিডিয়া কার্ড গ্রহণ না করে মন্টুর কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। মন্টু চাঁদা প্রদানে অস্বীকার করলে তাকে হত্যার হুমকি দেন। এ ছাড়া ওই চার সাংবাদিক বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ‘খুনি’ ও ‘সাজাপ্রাপ্ত’ আসামিসহ আরও বিভিন্ন ধরনের মানহানিকর বক্তব্য দেন। এসব বক্তব্য তারা নিজ নিজ আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার করেন।
বজলুল হক মন্টু জানান, তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় বিষয়টি নিয়ে তারা মামলা দায়ের করতে পারেননি। বর্তমানে স্বৈরাচার খুনি হাসিনা সরকারের পতনের পর ন্যায্য বিচারের পথটি উন্মুক্ত হওয়ায় দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি এখন মামলা দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে আরইউজের সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, মামলার বাদী বজলুল হক মন্টু ওই সময়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ও পলাতক ছিলেন। এছাড়া, একটি রেস্তোরাঁ থেকে মিডিয়া কার্ড সরবরাহ করা হয় বলে বিএনপির কার্যালয়ে তারা কেউ যাননি। তবে, সমাবেশে প্রবেশে এ ধরনের একটি কার্ড ব্যবহার করা হবে না, এটা বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) চাপে একটা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি কার্ড ব্যবহার ছাড়াই তারা সংবাদ সংগ্রহ করেছেন।
বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব রাশেদ রিপন বলেন, আগের মালিকের ছেলের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা পাবেন দাবি করে গত ২২ আগস্ট আমার বাড়ির মিস্ত্রিদের কাজ করতে বাধা দেন বজলুল হক মন্টু। তিনি জানিয়েছেন, সেই টাকা তুলে দিতে হবে; নয়তো তারা কাজ করতে দেবেন না। এতে কথা কাটাকাটি হলে মন্টু হুমকি দিয়েছিলেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নিউজ করেছেন—এই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘চার সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করে ৯ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বজলুর রহমান মন্টু। থানার এসআই তাজউদ্দিন আহমেদকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চাঁদা দাবির অভিযোগে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরইউজে) সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের রাজশাহী ব্যুরো প্রধান রফিকুল ইসলামসহ চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাতে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বজলুর রহমান মন্টু বাদী হয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- জিটিভির রাজশাহী প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) যুগ্ম মহাসচিব রাশেদ রিপন, দৈনিক করতোয়ার রাজশাহী প্রতিনিধি রোজিনা সুলতানা ও স্থানীয় দৈনিক উপচার পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক আসগর আলী সাগর। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীর মাদরাসা মাঠে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশকে সাফল্য মণ্ডিত করার জন্য মিডিয়া কার্ড ইস্যু করা হয়। এটি বিএনপির নিজস্ব সমাবেশ হওয়ায় সব ক্ষেত্রে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করা হয়। সমাবেশের আগের দিন (২ ডিসেম্বর, ২০২২) দুপুরে মালোপাড়ায় নগর বিএনপির কার্যালয় থেকে এই কার্ড বিতরণ করা হয়। অধিকাংশ সাংবাদিক স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই কার্ড গ্রহণ করেন। কিন্তু, মামলায় উল্লেখিত সাংবাদিকরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে মিডিয়া কার্ড গ্রহণ না করে মন্টুর কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। মন্টু চাঁদা প্রদানে অস্বীকার করলে তাকে হত্যার হুমকি দেন। এ ছাড়া ওই চার সাংবাদিক বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ‘খুনি’ ও ‘সাজাপ্রাপ্ত’ আসামিসহ আরও বিভিন্ন ধরনের মানহানিকর বক্তব্য দেন। এসব বক্তব্য তারা নিজ নিজ আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচার করেন।
বজলুল হক মন্টু জানান, তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় বিষয়টি নিয়ে তারা মামলা দায়ের করতে পারেননি। বর্তমানে স্বৈরাচার খুনি হাসিনা সরকারের পতনের পর ন্যায্য বিচারের পথটি উন্মুক্ত হওয়ায় দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি এখন মামলা দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে আরইউজের সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, মামলার বাদী বজলুল হক মন্টু ওই সময়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ও পলাতক ছিলেন। এছাড়া, একটি রেস্তোরাঁ থেকে মিডিয়া কার্ড সরবরাহ করা হয় বলে বিএনপির কার্যালয়ে তারা কেউ যাননি। তবে, সমাবেশে প্রবেশে এ ধরনের একটি কার্ড ব্যবহার করা হবে না, এটা বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) চাপে একটা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি কার্ড ব্যবহার ছাড়াই তারা সংবাদ সংগ্রহ করেছেন।
বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব রাশেদ রিপন বলেন, আগের মালিকের ছেলের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা পাবেন দাবি করে গত ২২ আগস্ট আমার বাড়ির মিস্ত্রিদের কাজ করতে বাধা দেন বজলুল হক মন্টু। তিনি জানিয়েছেন, সেই টাকা তুলে দিতে হবে; নয়তো তারা কাজ করতে দেবেন না। এতে কথা কাটাকাটি হলে মন্টু হুমকি দিয়েছিলেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে নিউজ করেছেন—এই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘চার সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করে ৯ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বজলুর রহমান মন্টু। থানার এসআই তাজউদ্দিন আহমেদকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১৮ ঘণ্টা আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
সিলেটের বিয়ানীবাজারের সোনাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আয়োজনে বাধ সেধেছে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী। তারা প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি জানালেও আয়োজকরা ২৮ আগস্ট নৌকাবাইচ আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো নৌকাবাইচ হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২১ ঘণ্টা আগে
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার পর দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে মরদেহ ৫টি বেনাপোলে পৌঁছাতে পারে। তবে ঠিক কখন মরদেহগুলো সীমান্তে পৌঁছাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
১ দিন আগে