
নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মীকে পা-চাপা দিয়ে শহর ঘোরানোর ঘটনায় নবাব সিরাজউদ্দৌলা সরকারি কলেজ (এন এস কলেজ) ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার (২১ এপ্রিল) রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, নাটোর জেলা শাখার অধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হলো। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই কলেজ শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
জেলা ছাত্রদল সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার দুপুরে নাটোর শহরের কানাইখালি মহল্লায় জেলা ছাত্রলীগের কর্মী ফয়সাল হোসেনকে (২৫) অটোরিকশার ওপর শুইয়ে পা চেপে নির্যাতন করা হয় এবং প্রকাশ্যে শহরের রাস্তায় ঘোরানো হয়। এই দৃশ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।
ওই ঘটনায় নবাব সিরাজউদ্দৌলা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি এস এম জুবায়েরসহ তার অনুসারী কিছু ছাত্রদল নেতাকর্মী জড়িত বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা খায়রুল আলম বাদী হয়ে জুবায়েরসহ ছাত্রদলের পাঁচ নেতাকর্মীর নামে সদর থানায় মামলা করেন। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নজরে এলে দ্রুত ঘটনাটি তদন্ত করে। এরপর কলেজ ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন বলেন, এন এস কলেজ ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন। কাউকে ধরে মারপিট করার নির্দেশনা দল থেকে দেওয়া হয়নি। তাই ছাত্রলীগের কর্মীকে নির্যাতন করা ঠিক হয়নি। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। সাংগঠনিকভাবে যেটা করার, কেন্দ্র তাই করেছে।

নাটোরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মীকে পা-চাপা দিয়ে শহর ঘোরানোর ঘটনায় নবাব সিরাজউদ্দৌলা সরকারি কলেজ (এন এস কলেজ) ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার (২১ এপ্রিল) রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, নাটোর জেলা শাখার অধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হলো। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই কলেজ শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
জেলা ছাত্রদল সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার দুপুরে নাটোর শহরের কানাইখালি মহল্লায় জেলা ছাত্রলীগের কর্মী ফয়সাল হোসেনকে (২৫) অটোরিকশার ওপর শুইয়ে পা চেপে নির্যাতন করা হয় এবং প্রকাশ্যে শহরের রাস্তায় ঘোরানো হয়। এই দৃশ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।
ওই ঘটনায় নবাব সিরাজউদ্দৌলা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি এস এম জুবায়েরসহ তার অনুসারী কিছু ছাত্রদল নেতাকর্মী জড়িত বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা খায়রুল আলম বাদী হয়ে জুবায়েরসহ ছাত্রদলের পাঁচ নেতাকর্মীর নামে সদর থানায় মামলা করেন। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নজরে এলে দ্রুত ঘটনাটি তদন্ত করে। এরপর কলেজ ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন বলেন, এন এস কলেজ ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন। কাউকে ধরে মারপিট করার নির্দেশনা দল থেকে দেওয়া হয়নি। তাই ছাত্রলীগের কর্মীকে নির্যাতন করা ঠিক হয়নি। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। সাংগঠনিকভাবে যেটা করার, কেন্দ্র তাই করেছে।

চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
১ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
২ দিন আগে
এ সময় তাকে তার মায়ের সামনেই মারধর করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ। তবে ডিবি পুলিশের দাবি, ওই যুবককে কোনো নির্যাতন করা হয়নি। বরং তার সঙ্গে ভালো আচরণ করা হয়েছে এবং তাকে খাবারও দেওয়া হয়েছিল।
২ দিন আগে