
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) কর্তৃক ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার স্থাপনের প্রতিবাদে তিন দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। এতে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর হেতেমখাঁ এলাকায় নেসকো কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজকদের তিন দফা দাবি হলো—প্রিপেইড মিটার স্থাপন বন্ধ করা, ৫০ থেকে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের একই স্বল্পমূল্য নির্ধারণ, গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া ডিমান্ড চার্জ বাতিল।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রিপেইড মিটার সাধারণ মানুষের জন্য ভোগান্তি বাড়িয়েছে। সরকারি অফিসে পোস্টপেইড মিটার চালু থাকলেও সাধারণ গ্রাহকদের জোর করে প্রিপেইড মিটার চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত বিল, রিচার্জ জটিলতা ও কারিগরি সমস্যার কারণে ভুক্তভোগীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রাহকদের মতামত ও জরিপ ছাড়া এই মিটার চাপিয়ে দেওয়া জনবিরোধী সিদ্ধান্ত। অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে তারা কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
মানববন্ধন শেষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল নেসকো কার্যালয়ে স্মারকলিপি জমা দেয়। সেখানে বলা হয়, “আগে টাকা পরে বিদ্যুৎ”—এ নীতি মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। প্রিপেইড মিটারে ভুতুড়ে বিল, ব্যালেন্স না দেখা যাওয়া, রিচার্জ করেও ইউনিট না পাওয়া, সার্ভার সমস্যা, অতিরিক্ত ভ্যাট ও সার্ভিস চার্জ কাটা—এসব কারণে মানুষ হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বয়স্ক ও অশিক্ষিতদের জন্য মিটার ব্যবহারও জটিল হয়ে উঠেছে।
কর্মসূচিতে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, বিএনপির বোয়ালিয়া পশ্চিম থানার আহ্বায়ক শামসুল হোসেন মিলু, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) রাজশাহী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন, চন্দ্রিমা থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ তপনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহীতে নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) কর্তৃক ডিজিটাল প্রিপেইড মিটার স্থাপনের প্রতিবাদে তিন দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। এতে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর হেতেমখাঁ এলাকায় নেসকো কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজকদের তিন দফা দাবি হলো—প্রিপেইড মিটার স্থাপন বন্ধ করা, ৫০ থেকে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের একই স্বল্পমূল্য নির্ধারণ, গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া ডিমান্ড চার্জ বাতিল।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রিপেইড মিটার সাধারণ মানুষের জন্য ভোগান্তি বাড়িয়েছে। সরকারি অফিসে পোস্টপেইড মিটার চালু থাকলেও সাধারণ গ্রাহকদের জোর করে প্রিপেইড মিটার চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত বিল, রিচার্জ জটিলতা ও কারিগরি সমস্যার কারণে ভুক্তভোগীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রাহকদের মতামত ও জরিপ ছাড়া এই মিটার চাপিয়ে দেওয়া জনবিরোধী সিদ্ধান্ত। অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে তারা কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
মানববন্ধন শেষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল নেসকো কার্যালয়ে স্মারকলিপি জমা দেয়। সেখানে বলা হয়, “আগে টাকা পরে বিদ্যুৎ”—এ নীতি মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। প্রিপেইড মিটারে ভুতুড়ে বিল, ব্যালেন্স না দেখা যাওয়া, রিচার্জ করেও ইউনিট না পাওয়া, সার্ভার সমস্যা, অতিরিক্ত ভ্যাট ও সার্ভিস চার্জ কাটা—এসব কারণে মানুষ হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বয়স্ক ও অশিক্ষিতদের জন্য মিটার ব্যবহারও জটিল হয়ে উঠেছে।
কর্মসূচিতে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি, বিএনপির বোয়ালিয়া পশ্চিম থানার আহ্বায়ক শামসুল হোসেন মিলু, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) রাজশাহী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন, চন্দ্রিমা থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ তপনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সকাল ৯টার দিকে রানীগঞ্জ বাজারের কাছে একই মোটরসাইকেলে চড়ে ওই তিন আরোহী স্থানীয় একটি সড়ক থেকে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে উঠছিলেন। এ সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় অপর দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
১২ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়া থেকে পাংশাগামী একটি ড্রামট্রাকের (বগুড়া ড ১১-২৭০৩) সঙ্গে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো ব-১৩ ০০৯৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
১৩ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ১৩ বন্ধু দেওভোগ এলাকার মোস্তাকুর রহমানের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে বিকেলে কয়েকজন গোসলে নামেন। এ সময় পা পিছলে আজওয়াদ পানিতে দূরে চলে যান। অপর বন্ধু সোপান উদ্ধারের চেষ্টা করেন। পরে দুজনেই পানিতে তলিয়ে যান।
১ দিন আগে
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মৌলভীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতসহ বৃষ্টি হয়। এ সময়ে তালেব মিয়া নিজ জমিতে ধান কাটার সময় এবং স্বপন মুন্ডা স্থানীয় রাবারবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
১ দিন আগে