রাজশাহী ব্যুরো
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এই অবরোধ কর্মসূচির কারণে সড়কের দুই পাশে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।
পরে অবরোধ কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন। এসময় তাঁরা স্লোগান দেন— “ছাত্র নাগরিক জনতা, গড়ে তুল একতা”, “জুলাইয়ে হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার”, “ফ্যাসিবাদের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে”, “ভিপি নুর আহত কেন, প্রশাসন জবাব চাই”, “বাহ ইউনুস চমৎকার, জাতীয় পার্টির পাহারাদার” ইত্যাদি।
সমাবেশে শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী হাসান মারুফ বলেন, “চৌদ্দদলসহ জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবি আমরা বারবার জানিয়েছি। কিন্তু এখনো জাতীয় পার্টি ও উত্তরপাড়ার জলপাই টুপিওয়ালাদের মাধ্যমে আওয়ামী ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় জাতীয় পার্টির ছায়াতলে সেনাবাহিনী ও পুলিশ নুরের ওপর যে হামলা ও নারকীয় তাণ্ডব চালিয়েছে, তার দায়ভার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নিতে হবে এবং বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”
সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, “নুরুল হক নুর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি ২০১৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে একা নিরন্তর লড়াই চালিয়ে গেছেন। তাঁর ওপর ভয়াবহ আক্রমণ আমাদের জন্য বড় সতর্কবার্তা। যদি একজন রাজনৈতিক প্রধানের ওপর এমন হামলা হতে পারে, তবে বিশ্ববিদ্যালয় ও গ্রাম পর্যায়ে যারা নেতৃত্ব দিয়েছে, তাঁদের ভবিষ্যৎ কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, তা অনুধাবন করা কঠিন নয়। আজ নুরের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, কাল আমার-আপনার ওপর চালানো হতে পারে।”
বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সাবেক সমন্বয়ক ফাহিম রেজা এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আল শাহরিয়ার শুভ। এতে বিভিন্ন বিভাগের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।
এর আগে গত শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লাঠিপেটায় গুরুতর আহত হন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এই অবরোধ কর্মসূচির কারণে সড়কের দুই পাশে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।
পরে অবরোধ কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন। এসময় তাঁরা স্লোগান দেন— “ছাত্র নাগরিক জনতা, গড়ে তুল একতা”, “জুলাইয়ে হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার”, “ফ্যাসিবাদের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে”, “ভিপি নুর আহত কেন, প্রশাসন জবাব চাই”, “বাহ ইউনুস চমৎকার, জাতীয় পার্টির পাহারাদার” ইত্যাদি।
সমাবেশে শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী হাসান মারুফ বলেন, “চৌদ্দদলসহ জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবি আমরা বারবার জানিয়েছি। কিন্তু এখনো জাতীয় পার্টি ও উত্তরপাড়ার জলপাই টুপিওয়ালাদের মাধ্যমে আওয়ামী ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় জাতীয় পার্টির ছায়াতলে সেনাবাহিনী ও পুলিশ নুরের ওপর যে হামলা ও নারকীয় তাণ্ডব চালিয়েছে, তার দায়ভার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নিতে হবে এবং বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”
সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, “নুরুল হক নুর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি ২০১৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে একা নিরন্তর লড়াই চালিয়ে গেছেন। তাঁর ওপর ভয়াবহ আক্রমণ আমাদের জন্য বড় সতর্কবার্তা। যদি একজন রাজনৈতিক প্রধানের ওপর এমন হামলা হতে পারে, তবে বিশ্ববিদ্যালয় ও গ্রাম পর্যায়ে যারা নেতৃত্ব দিয়েছে, তাঁদের ভবিষ্যৎ কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, তা অনুধাবন করা কঠিন নয়। আজ নুরের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, কাল আমার-আপনার ওপর চালানো হতে পারে।”
বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সাবেক সমন্বয়ক ফাহিম রেজা এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আল শাহরিয়ার শুভ। এতে বিভিন্ন বিভাগের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।
এর আগে গত শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লাঠিপেটায় গুরুতর আহত হন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন, “একটি সংগঠনের দাবির ভিত্তিতে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব নয়। যখন তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে, তখন তারা ভর্তি ছিল না, তাই ভোটার হওয়ার যোগ্যতাও ছিল না। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে বর্তমান তফসিল অনুযায়ী এ পরিবর্তন করা যাব
৮ ঘণ্টা আগেপ্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভকালে ছাত্রদল নেতা-কর্মীরা একটি প্লাস্টিকের চেয়ার ভেঙে ফেলেন ও একটি টেবিল উল্টে দেন। এরপর ফটকে তালা মেরে স্লোগান দেন— ‘প্রথম বর্ষের ভোটাধিকার দিতে হবে’, ‘রাকসু ফি দিয়েছি, ভোটার হতে চেয়েছি’, ‘রাকসু আমার অধিকার, তুমি কে বাদ দেওয়ার’ ইত্যাদি।
৯ ঘণ্টা আগেপুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতী ইউনিয়নের ঝামাটি গ্রামের সাবেক ইউপি মেম্বার ও স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা দোজাহান মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের আমজাদ মিয়ার দুই বছর আগে থেকেই সামাজিক, গ্রাম্য সালিশ ও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
১২ ঘণ্টা আগে