
রাজশাহী ব্যুরো

ঈদের ছুটি পুরোপুরি কাজে লাগাতে এখনো বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ছুটছে রাজশাহীবাসী। ঈদের দিন থেকেই তীব্র গরম উপেক্ষা করে বিনোদনকেন্দ্রমুখী ছিল রাজশাহীর মানুষ। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতে না হতেই মহানগরীর বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে নামে মানুষের ঢল। গতকাল বুধবার ঈদের তৃতীয় দিনেও রাজশাহীর শহীদ জিয়া শিশুপার্ক, বড়কুঠি পদ্মার পাড়, সীমান্ত নোঙর, ভদ্রা শিশুপার্ক, রাজশাহী চিড়িয়াখানা ও কেন্দ্রীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের প্রচণ্ড ভিড় দেখা গেছে। বিশেষ করে পদ্মাপাড়ে ছোট-বড় সব বয়সী মানুষের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো।
জানা যায়, ঈদের ছুটিতে রাজশাহী শহর এখন ফাঁকা। চিরচেনা প্রাণচাঞ্চল্য অনুপস্থিত। দীর্ঘ ছুটির কারণে রাজশাহী ছেড়েছেন অধিকাংশ মানুষ। তবে স্থানীয়সহ যারা রাজশাহীতে ঈদ উদযাপন করেছেন তারা বাড়িয়ে নিতে বিনোদনকেন্দ্রে ভিড় করছেন। ঈদের দিন থেকেই তীব্র গরম উপেক্ষা করে বিনোদনকেন্দ্রমুখী ছিল রাজশাহীর মানুষ। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতে না হতেই মহানগরীর বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে নামে মানুষের ঢল।
দর্শনার্থীরা জানান, ঈদের আনন্দ বাড়িয়ে দেয় রাজশাহীর শহীদ জিয়া শিশুপার্ক, বড়কুঠি পদ্মার পাড়, সীমান্ত নোঙর, ভদ্রা শিশুপার্ক, রাজশাহী চিড়িয়াখানা ও কেন্দ্রীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্র। বিশেষ করে এসব স্থানে আসার ক্ষেত্রে শিশুদের আগ্রহ বেশি। তবে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষ এসব কেন্দ্রে গিয়ে আনন্দ উপভোগ করে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদুল ফিতরের দিন থেকেই দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখোরিত হয়ে উঠেছে রাজশাহীর বিনোদনকেন্দ্রগুলো। ঈদের দিন (গত সোমবার) সকালে ভিড় তুলনামূলক কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বৃদ্ধি পায়। ঈদের দুইদিন পরও বিভিন্ন বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে নগরের দর্শনীয় স্থানগুলো।
পদ্মাপাড়ে পরিবারসহ ঘুরতে আসা আতাউল গনি বলেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার করণে পরিবারকে খুব একটা সময় দেওয়ার সুযোগ হয় না। এবার ঈদের ছুটির সাথে দুইদিন বাড়িয়ে নিয়েছি। তাই পদ্মাপাড়ে সবাইকে নিয়ে ঘুরতে এসেছি। তবে ঈদের তৃতীয় দিনেও মানুষের ভিড় কমেনি। ফলে দ্রুতই চলে যাচ্ছি।
নগরীর উপশহর এলাকার বিপুল হোসেন জানান, চাকরির সুবাদে ঢাকায় থাকি, তবে এবার পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারছি। ঈদের দুইদিন পর (বুধবার দুপুরে) সবাইকে নিয়ে বের হয়েছি, বাচ্চারা খুব আনন্দ করছে। ঈদের আনন্দটা সবাই মিলে উপভোগ করছি।”
এদিকে, ঈদ উপলক্ষে মানুষের ঢল নামায় নগরীর বিনোদনকেন্দ্র সংলগ্ন সড়কগুলোতে তীব্র যানজট লক্ষ্য করা গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েন চালক, যাত্রী, পথচারীসহ সবাই। অন্যদিকে, নগরীর বিনোদনকেন্দ্র সংলগ্ন সড়কগুলোতে চলাচল করা ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশার চালকরা যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আরমান হোসেন নামে এক সরকারি চাকরিজীবী বলেন, “এবার রাজশাহীতেই ঈদ করার কারণে ঈদের দিন বিনোদনকেন্দ্রে সময় কাটিয়েছি। বন্ধু-বান্ধবসহ বুধবারও ঘুরতে বের হয়েছিলাম। কিন্তু রিকশা ও অটোরিকশার চালকরা বেশি ভাড়া চাচ্ছেন, যা ভোগান্তির কারণ হচ্ছে।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রিকশাচালক সাইফুল ইসলাম অকপটে স্বীকার করে বলেন, “ঈদের সময় হওয়ায় একটু বেশি ভাড়া চাইছি, তাই যাত্রীরা রেগে যাচ্ছেন। বছরে তো এক/দুইদিনই এমন সুযোগ পাই, একটু সেলামি চাইলে দোষ কী!”
এদিকে, দুর্ভোগ ভুলে ঈদের আনন্দ পরিবার, বন্ধু-স্বজনদের সাথে ভাগাভাগি করতে বের হচ্ছেন ভ্রমণ পিপাসুরা। এক্ষেত্রে রাজশাহীর অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র এখন পদ্মা নদীর পাড়। নদীর ধারে একটু নির্মল বাতাসের আশায় পরিবার-পরিজন নিয়ে আসছে মানুষ। কেউ বাঁধের ওপরে হাঁটছে, কেউ হাঁটছে নদীর চরে। আবার পরিবার নিয়ে নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে অনেকেই। সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকছে কোলাহল। নগরীর বড়কুঠি পদ্মার পাড়, টি-বাঁধ এলাকায় পা ফেলার জো থাকছে না। এসব এলাকায় যানবাহনের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশ সদস্যদের। তবে টি বাঁধের প্রবেশদ্বারে মোটরসাইকেল গ্যারেজ করায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ঘুরতে আসা মানুষদের।
অন্যদিকে, রাজশাহীর আরেক বিনোদনকেন্দ্র শহীদ জিয়া শিশুপার্কও ঈদের ছুটিতে জমজমাট হয়ে ওঠে।

ঈদের ছুটি পুরোপুরি কাজে লাগাতে এখনো বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ছুটছে রাজশাহীবাসী। ঈদের দিন থেকেই তীব্র গরম উপেক্ষা করে বিনোদনকেন্দ্রমুখী ছিল রাজশাহীর মানুষ। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতে না হতেই মহানগরীর বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে নামে মানুষের ঢল। গতকাল বুধবার ঈদের তৃতীয় দিনেও রাজশাহীর শহীদ জিয়া শিশুপার্ক, বড়কুঠি পদ্মার পাড়, সীমান্ত নোঙর, ভদ্রা শিশুপার্ক, রাজশাহী চিড়িয়াখানা ও কেন্দ্রীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে দর্শনার্থীদের প্রচণ্ড ভিড় দেখা গেছে। বিশেষ করে পদ্মাপাড়ে ছোট-বড় সব বয়সী মানুষের সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো।
জানা যায়, ঈদের ছুটিতে রাজশাহী শহর এখন ফাঁকা। চিরচেনা প্রাণচাঞ্চল্য অনুপস্থিত। দীর্ঘ ছুটির কারণে রাজশাহী ছেড়েছেন অধিকাংশ মানুষ। তবে স্থানীয়সহ যারা রাজশাহীতে ঈদ উদযাপন করেছেন তারা বাড়িয়ে নিতে বিনোদনকেন্দ্রে ভিড় করছেন। ঈদের দিন থেকেই তীব্র গরম উপেক্ষা করে বিনোদনকেন্দ্রমুখী ছিল রাজশাহীর মানুষ। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতে না হতেই মহানগরীর বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে নামে মানুষের ঢল।
দর্শনার্থীরা জানান, ঈদের আনন্দ বাড়িয়ে দেয় রাজশাহীর শহীদ জিয়া শিশুপার্ক, বড়কুঠি পদ্মার পাড়, সীমান্ত নোঙর, ভদ্রা শিশুপার্ক, রাজশাহী চিড়িয়াখানা ও কেন্দ্রীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্র। বিশেষ করে এসব স্থানে আসার ক্ষেত্রে শিশুদের আগ্রহ বেশি। তবে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষ এসব কেন্দ্রে গিয়ে আনন্দ উপভোগ করে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদুল ফিতরের দিন থেকেই দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখোরিত হয়ে উঠেছে রাজশাহীর বিনোদনকেন্দ্রগুলো। ঈদের দিন (গত সোমবার) সকালে ভিড় তুলনামূলক কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বৃদ্ধি পায়। ঈদের দুইদিন পরও বিভিন্ন বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে নগরের দর্শনীয় স্থানগুলো।
পদ্মাপাড়ে পরিবারসহ ঘুরতে আসা আতাউল গনি বলেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার করণে পরিবারকে খুব একটা সময় দেওয়ার সুযোগ হয় না। এবার ঈদের ছুটির সাথে দুইদিন বাড়িয়ে নিয়েছি। তাই পদ্মাপাড়ে সবাইকে নিয়ে ঘুরতে এসেছি। তবে ঈদের তৃতীয় দিনেও মানুষের ভিড় কমেনি। ফলে দ্রুতই চলে যাচ্ছি।
নগরীর উপশহর এলাকার বিপুল হোসেন জানান, চাকরির সুবাদে ঢাকায় থাকি, তবে এবার পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারছি। ঈদের দুইদিন পর (বুধবার দুপুরে) সবাইকে নিয়ে বের হয়েছি, বাচ্চারা খুব আনন্দ করছে। ঈদের আনন্দটা সবাই মিলে উপভোগ করছি।”
এদিকে, ঈদ উপলক্ষে মানুষের ঢল নামায় নগরীর বিনোদনকেন্দ্র সংলগ্ন সড়কগুলোতে তীব্র যানজট লক্ষ্য করা গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েন চালক, যাত্রী, পথচারীসহ সবাই। অন্যদিকে, নগরীর বিনোদনকেন্দ্র সংলগ্ন সড়কগুলোতে চলাচল করা ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশার চালকরা যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আরমান হোসেন নামে এক সরকারি চাকরিজীবী বলেন, “এবার রাজশাহীতেই ঈদ করার কারণে ঈদের দিন বিনোদনকেন্দ্রে সময় কাটিয়েছি। বন্ধু-বান্ধবসহ বুধবারও ঘুরতে বের হয়েছিলাম। কিন্তু রিকশা ও অটোরিকশার চালকরা বেশি ভাড়া চাচ্ছেন, যা ভোগান্তির কারণ হচ্ছে।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রিকশাচালক সাইফুল ইসলাম অকপটে স্বীকার করে বলেন, “ঈদের সময় হওয়ায় একটু বেশি ভাড়া চাইছি, তাই যাত্রীরা রেগে যাচ্ছেন। বছরে তো এক/দুইদিনই এমন সুযোগ পাই, একটু সেলামি চাইলে দোষ কী!”
এদিকে, দুর্ভোগ ভুলে ঈদের আনন্দ পরিবার, বন্ধু-স্বজনদের সাথে ভাগাভাগি করতে বের হচ্ছেন ভ্রমণ পিপাসুরা। এক্ষেত্রে রাজশাহীর অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র এখন পদ্মা নদীর পাড়। নদীর ধারে একটু নির্মল বাতাসের আশায় পরিবার-পরিজন নিয়ে আসছে মানুষ। কেউ বাঁধের ওপরে হাঁটছে, কেউ হাঁটছে নদীর চরে। আবার পরিবার নিয়ে নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে অনেকেই। সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকছে কোলাহল। নগরীর বড়কুঠি পদ্মার পাড়, টি-বাঁধ এলাকায় পা ফেলার জো থাকছে না। এসব এলাকায় যানবাহনের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশ সদস্যদের। তবে টি বাঁধের প্রবেশদ্বারে মোটরসাইকেল গ্যারেজ করায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ঘুরতে আসা মানুষদের।
অন্যদিকে, রাজশাহীর আরেক বিনোদনকেন্দ্র শহীদ জিয়া শিশুপার্কও ঈদের ছুটিতে জমজমাট হয়ে ওঠে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃত শিশুদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি।
৭ ঘণ্টা আগে
বন্ধুদের এমন অভিনব উদ্যোগকে ঘিরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। অতিথিদের মাঝে হাস্যরস আর আলোচনা— দুটিই ছিল চোখে পড়ার মতো।
১২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই আসন। উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম (বাদশা) ধানের শীষ, জামায়াতের আবিদুর রহমান (সোহেল) দাঁড়িপাল্লা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থী আল আমিন তালুকদার ফুলকপি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার পোকরারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাউজদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, করদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ পাঁচটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিম্নমানের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
১ দিন আগে