
রাজশাহী ব্যুরো

তরুণদের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক বিকাশ ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজশাহীতে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী বিভাগীয় আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। সেই লক্ষ্যে বুধবার সকাল ৯টায় পবা উপজেলার বায়া সরকারি শিশু সদন প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর “খেলাধুলায় গড়বো দেশ, তারুণ্যের বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। রাজশাহী বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতা চলবে আগামী ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. কামাল উদ্দিন বিশ্বাস, উপ-মহাপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শাহজাহান, পিপিএম (বার), পিএইচডি, আরএমপি পুলিশ কমিশনার ড. মোঃ জিল্লুর রহমান এবং বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক (যুগ্মসচিব) সৈয়দ মোস্তাক হাসান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ সচিব বলেন, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম তরুণদের শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদকাসক্তি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে সহায়ক। একই সঙ্গে এটি শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক দৃঢ়তা অর্জনে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
তিনি আরও বলেন, আজকের তরুণরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার মূল শক্তি। তাদের নৈতিকতা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই। এ ধরনের প্রতিযোগিতা তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সহনশীলতা ও সামাজিক বন্ধন জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজসেবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে, যাতে একটি সুস্থ, সচেতন ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

তরুণদের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক বিকাশ ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজশাহীতে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী বিভাগীয় আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। সেই লক্ষ্যে বুধবার সকাল ৯টায় পবা উপজেলার বায়া সরকারি শিশু সদন প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর “খেলাধুলায় গড়বো দেশ, তারুণ্যের বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। রাজশাহী বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতা চলবে আগামী ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. কামাল উদ্দিন বিশ্বাস, উপ-মহাপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শাহজাহান, পিপিএম (বার), পিএইচডি, আরএমপি পুলিশ কমিশনার ড. মোঃ জিল্লুর রহমান এবং বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক (যুগ্মসচিব) সৈয়দ মোস্তাক হাসান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সমাজকল্যাণ সচিব বলেন, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম তরুণদের শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদকাসক্তি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে সহায়ক। একই সঙ্গে এটি শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক দৃঢ়তা অর্জনে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
তিনি আরও বলেন, আজকের তরুণরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার মূল শক্তি। তাদের নৈতিকতা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে খেলাধুলা ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই। এ ধরনের প্রতিযোগিতা তরুণদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সহনশীলতা ও সামাজিক বন্ধন জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজসেবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে, যাতে একটি সুস্থ, সচেতন ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

চরদুখিয়া পশ্চিম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান বলেন, সৈয়দ আহমেদ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিল। আমাদের আসনে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এমএ হান্নান বহিষ্কার এবং স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী হওয়ায় উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির সকল কমিটি কার্যক্রম বর্তমানে স্থগিত রয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ওই স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। পরে মঙ্গলবার দুপুরে বিএনপির নেতাকর্মীরা পাইলট মোড় এলাকায় ভোটের প্রচারণায় গেলে বিষয়টি নিয়ে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ভোজেশ্বর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির কাহেদ নজরুল ইসলামের সঙ্গে যুবদল নেতা সবুজ মাদবরের
১৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি যদি এতটাই খারাপ ও দুর্নীতিগ্রস্ত হতো, তাহলে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সরকারে থাকা একটি রাজনৈতিক দলের দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি—এই প্রশ্নের জবাব জাতির কাছে দিতে হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর শান্তিনগরে পিঠা উৎসবে গিয়ে হামলার শিকার হওয়া ঢাকা-৮ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী একই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের দল থেকে বহিষ্কার দাবি করেছেন।
২০ ঘণ্টা আগে