
রাজশাহী ব্যুরো

উপজেলা/থানা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের (ইউএপিইও) চাকরি ১০ম হতে নবম গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাংলাদেশ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি আল মামুন ও সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক শাহ জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাংগঠনিক কাঠামোভুক্ত ‘উপজেলা/থানা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ইউএপিইও) পদটি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ১০ম গ্রেডেই অপরিবর্তিত রয়েছে। অথচ ইউএপিইওগণ তাদের চাকরির কর্মপরিধির কাজের পাশাপাশি ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাগণের মতো সরকার কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এরমধ্যে ভোটার রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত কাজে সহকারী রেজিস্ট্রেশন অফিসার, নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার, ভিজিএফ ও ভিজিডি সংক্রান্ত কাজে তদারককারীসহ সরকারি দায়িত্ব অন্যতম। সম্প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণের চূড়ান্ত রায় প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু ইউএপিইওগণ প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের প্রশাসনিক ও একাডেমিক তত্ত্বাবধায়ক, মেন্টর, মনিটর, এসিআর ও ছুটি প্রদানকারী কর্মকর্তা। এক্ষেত্রে ইউএপিইও, প্রধান শিক্ষক একই গ্রেড হওয়াতে তাদের নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা হিসেবে মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। উপজেলা/থানা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারগণ দীর্ঘ ২০/২৫ বছর যাবৎ একই পদে চাকরি করছেন, এমনকি অধিকাংশ কর্মকর্তা একই পদে থেকে অবসরে যাচ্ছেন। ফলে তাদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হচ্ছে এবং কর্মস্পৃহা হ্রাস পাচ্ছে বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক কোহিনূর আক্তার, সদস্য
আফজাল হোসেন, আব্দুস সামাদ, মামুনুর রশীদ, শহীদুল ইসলাম, শামীম আরা বেগম এবং জোবাইদা খানম।

উপজেলা/থানা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের (ইউএপিইও) চাকরি ১০ম হতে নবম গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টাকে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাংলাদেশ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি আল মামুন ও সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক শাহ জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাংগঠনিক কাঠামোভুক্ত ‘উপজেলা/থানা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ইউএপিইও) পদটি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ১০ম গ্রেডেই অপরিবর্তিত রয়েছে। অথচ ইউএপিইওগণ তাদের চাকরির কর্মপরিধির কাজের পাশাপাশি ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাগণের মতো সরকার কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এরমধ্যে ভোটার রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত কাজে সহকারী রেজিস্ট্রেশন অফিসার, নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার, ভিজিএফ ও ভিজিডি সংক্রান্ত কাজে তদারককারীসহ সরকারি দায়িত্ব অন্যতম। সম্প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণের চূড়ান্ত রায় প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু ইউএপিইওগণ প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের প্রশাসনিক ও একাডেমিক তত্ত্বাবধায়ক, মেন্টর, মনিটর, এসিআর ও ছুটি প্রদানকারী কর্মকর্তা। এক্ষেত্রে ইউএপিইও, প্রধান শিক্ষক একই গ্রেড হওয়াতে তাদের নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা হিসেবে মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। উপজেলা/থানা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারগণ দীর্ঘ ২০/২৫ বছর যাবৎ একই পদে চাকরি করছেন, এমনকি অধিকাংশ কর্মকর্তা একই পদে থেকে অবসরে যাচ্ছেন। ফলে তাদের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হচ্ছে এবং কর্মস্পৃহা হ্রাস পাচ্ছে বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার অ্যাসোসিয়েশনের রাজশাহী জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক কোহিনূর আক্তার, সদস্য
আফজাল হোসেন, আব্দুস সামাদ, মামুনুর রশীদ, শহীদুল ইসলাম, শামীম আরা বেগম এবং জোবাইদা খানম।

জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং একে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
১ দিন আগে
দলীয় সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে গোলাম নবী আলমগীরকে এই আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল। তবে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ভোলা-১ আসনটি আন্দালিভ রহমান পার্থকে ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দেয় বিএনপি। জোটের ঐক্য বজায় রাখতে এবং একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে গোলাম নবী
১ দিন আগে