
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী কলেজ ও রাজশাহী সিটি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাইমুল ইসলাম নাইমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সাবিনা ইয়াসমিন তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বুধবার (৯ এপ্রিল) দিনগত রাতে নগরীর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলো- নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার রাজারহাতা এলাকার মৃত আবু তাহেরের ছেলে নাইমুল ইসলাম নাইম (৩০), একই এলাকার মৃত আবুল খায়েরের ছেলে তানভির হাসান সজিব (৩২) ও নগরীর কুমারপাড়ার মৃত আনসার উদ্দিন আনফোরের ছেলে এসএনকে আরকান উদ্দিন বাপ্পি (৪৯)। এদের মধ্যে সজিব আওয়ামী লীগ কর্মী ও বাপ্পি রাজশাহী মহানগর যুবলীগের সাবেক গ্রন্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক।
আরএমপি মুখপাত্র সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, বুধবার দিবাগত রাতে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। ভিডিও ফুটেজ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ছবি বিশ্লেষণ করে তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

রাজশাহী কলেজ ও রাজশাহী সিটি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাইমুল ইসলাম নাইমসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সাবিনা ইয়াসমিন তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বুধবার (৯ এপ্রিল) দিনগত রাতে নগরীর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলো- নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার রাজারহাতা এলাকার মৃত আবু তাহেরের ছেলে নাইমুল ইসলাম নাইম (৩০), একই এলাকার মৃত আবুল খায়েরের ছেলে তানভির হাসান সজিব (৩২) ও নগরীর কুমারপাড়ার মৃত আনসার উদ্দিন আনফোরের ছেলে এসএনকে আরকান উদ্দিন বাপ্পি (৪৯)। এদের মধ্যে সজিব আওয়ামী লীগ কর্মী ও বাপ্পি রাজশাহী মহানগর যুবলীগের সাবেক গ্রন্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক।
আরএমপি মুখপাত্র সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, বুধবার দিবাগত রাতে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। ভিডিও ফুটেজ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ছবি বিশ্লেষণ করে তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
১৪ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে