
রাজশাহী ব্যুরো

কোটা সংস্কারের নামে দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের রুখে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে রাজশাহী জেলা ও মহানগর যুবলীগ এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড। আজ সোমবার পৃথক কর্মসূচি থেকে তারা এমন ঘোষণা দেয়া হয়।
জানা গেছে, সোমবার সকাল ১০টার দিকে মহানগরীর শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান চত্ত্বরে ‘চলো যাই যুদ্ধে, অসংগতির বিরুদ্ধে’ এই স্লোগানে বিক্ষোভ মিছিল করেছে রাজশাহী জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড। সংগঠনটির সাধারণ কামরুল ইসলাম মিঠুর সঞ্চালনায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলী মোল্লা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সহ-সভাপতি মাসুম আক্তার শিশির, মাসুম আল রশিদ, শরিফুজ্জামান তুহিন, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সাত্তার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এসময় বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিকৃতি করে মেধাবী শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে রাজাকার দাবি করে আন্দোলনে নতুন মোড় নেয়ার চেষ্টা করছে। বিএনপি-জামায়াতের মদদে তারা দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের এই হীন প্রচেষ্টা কখনোই সফল হবে না। তারা আন্দোলনের নামে রাজপথে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান ও লাঞ্ছিত করছে। জাতীয় পতাকা পদদলিত করছে। তাই এরা কী চায় দেশের মানুষের আর বুঝার বাকি নেই। তাই যেখানেই তারা এমন আন্দোলন করবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা স্বাধীনতার পক্ষের মানুষদের সঙ্গে নিয়ে তাদেরকে রুখে দেবে।
এদিকে সোমবার বেলা ১১ টার দিকে নগরীর কামারুজ্জামান চত্ত্বরে একই কর্মসূচি পালন করেছে জেলা যুবলীগ। তারাও কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের রুখে দিতে মঙ্গলবার থেকে রাজপথে থেকে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। অবস্থান কর্মসূচিতে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত সৈকত, সহ-সভাপতি মোজাহিদ হোসেন মানিক, আরিফুল ইসলাম রাজা,কাজী মোজাম্মেল হক, ওয়াসিম রেজা লিটন,যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন মিলন, সেজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম মিঠুসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে মহানগর যুবলীগ। কর্মসূচিতে যুবলীগ নেতারা বলেন, দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করতেই মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা স্বাধীনতা বিরোধীদের মদদপুষ্ঠ তথাকথিত কোটা-বিরোধীরা আজ মাঠে নেমেছে। কোটা আন্দোলনের নামে দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে রবিবার রাতে স্বঘোষিত রাজাকার ও রাজাকারের সন্তান হিসেবে নিজেদের পরিচয় দানকারী এদের কারা সংগঠিত করছে? এদের মদদদাতা ও অর্থদাতাদের চিহ্নিত করা সময়ের দাবি। এরা মাথায় লাল সবুজের পতাকা থাকতে পারে না। রাজাকার শাবকদের প্রতি নমনীয়তা দেখানোর কোন সুযোগ নাই। এসময় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের রুখে দেয়ার ঘোষণা দেন যুবলীগ নেতারা।
মহানগর যুবলীগ সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান খাঁন মণির সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসলাম সরকার, মতিহার থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: আলাউদ্দিন,মহানগর যুবলীগের সহ-সভাপতি মোখলেসুর রহমান মিলন, মুকুল শেখ, অ্যাডভোকেট মাজেদুল আলম শিবলী, জয়নাল আবেদীন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক- রায়হানুর রহমান রয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ হাসান বিপ্লব, অরবিন্দ দত্ত বাপ্পি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কোটা সংস্কারের নামে দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের রুখে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে রাজশাহী জেলা ও মহানগর যুবলীগ এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড। আজ সোমবার পৃথক কর্মসূচি থেকে তারা এমন ঘোষণা দেয়া হয়।
জানা গেছে, সোমবার সকাল ১০টার দিকে মহানগরীর শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান চত্ত্বরে ‘চলো যাই যুদ্ধে, অসংগতির বিরুদ্ধে’ এই স্লোগানে বিক্ষোভ মিছিল করেছে রাজশাহী জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড। সংগঠনটির সাধারণ কামরুল ইসলাম মিঠুর সঞ্চালনায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলী মোল্লা, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সহ-সভাপতি মাসুম আক্তার শিশির, মাসুম আল রশিদ, শরিফুজ্জামান তুহিন, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সাত্তার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এসময় বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে বিকৃতি করে মেধাবী শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে রাজাকার দাবি করে আন্দোলনে নতুন মোড় নেয়ার চেষ্টা করছে। বিএনপি-জামায়াতের মদদে তারা দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের এই হীন প্রচেষ্টা কখনোই সফল হবে না। তারা আন্দোলনের নামে রাজপথে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান ও লাঞ্ছিত করছে। জাতীয় পতাকা পদদলিত করছে। তাই এরা কী চায় দেশের মানুষের আর বুঝার বাকি নেই। তাই যেখানেই তারা এমন আন্দোলন করবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা স্বাধীনতার পক্ষের মানুষদের সঙ্গে নিয়ে তাদেরকে রুখে দেবে।
এদিকে সোমবার বেলা ১১ টার দিকে নগরীর কামারুজ্জামান চত্ত্বরে একই কর্মসূচি পালন করেছে জেলা যুবলীগ। তারাও কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের রুখে দিতে মঙ্গলবার থেকে রাজপথে থেকে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। অবস্থান কর্মসূচিতে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত সৈকত, সহ-সভাপতি মোজাহিদ হোসেন মানিক, আরিফুল ইসলাম রাজা,কাজী মোজাম্মেল হক, ওয়াসিম রেজা লিটন,যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন মিলন, সেজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম মিঠুসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে মহানগর যুবলীগ। কর্মসূচিতে যুবলীগ নেতারা বলেন, দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করতেই মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা স্বাধীনতা বিরোধীদের মদদপুষ্ঠ তথাকথিত কোটা-বিরোধীরা আজ মাঠে নেমেছে। কোটা আন্দোলনের নামে দেশকে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে রবিবার রাতে স্বঘোষিত রাজাকার ও রাজাকারের সন্তান হিসেবে নিজেদের পরিচয় দানকারী এদের কারা সংগঠিত করছে? এদের মদদদাতা ও অর্থদাতাদের চিহ্নিত করা সময়ের দাবি। এরা মাথায় লাল সবুজের পতাকা থাকতে পারে না। রাজাকার শাবকদের প্রতি নমনীয়তা দেখানোর কোন সুযোগ নাই। এসময় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের রুখে দেয়ার ঘোষণা দেন যুবলীগ নেতারা।
মহানগর যুবলীগ সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান খাঁন মণির সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসলাম সরকার, মতিহার থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো: আলাউদ্দিন,মহানগর যুবলীগের সহ-সভাপতি মোখলেসুর রহমান মিলন, মুকুল শেখ, অ্যাডভোকেট মাজেদুল আলম শিবলী, জয়নাল আবেদীন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক- রায়হানুর রহমান রয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ হাসান বিপ্লব, অরবিন্দ দত্ত বাপ্পি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছানোর পর দুই দেশের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১ দিন আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
১ দিন আগে
সিলেটের বিয়ানীবাজারের সোনাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আয়োজনে বাধ সেধেছে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী। তারা প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি জানালেও আয়োজকরা ২৮ আগস্ট নৌকাবাইচ আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো নৌকাবাইচ হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ দিন আগে