
রাজশাহী ব্যুরো

সরকার পতনের পর রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার ‘বেলগাছি লাইব্রেরি ও পাঠক ক্লাব’ নামে একটি পাঠাগারে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। গত ৫ আগস্ট বিজয় উল্লাসের নামে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনার পাশাপাশি পাঠাগারটিতেও এই তাণ্ডব চালানো হয়।
জানা যায়, স্থানীয়দের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়ানোর লক্ষ্যে ২০১৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি এই পাঠাগারের উদ্বোধন করা হয়। পাঠাগারটি রাজশাহী শহর থেকে ১৭ কিলোমিটার উত্তরে ও মোহনপুর উপজেলা সদর থেকে ৮ কিলোমিটার দক্ষিণে ও মোহনপুর উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের বেলগাছি গ্রামে গড়ে তুলেছিলেন আবুল বাসার নামে এক শিক্ষার্থী। তিনি তখন রাজশাহী কলেজে ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। বর্তমানে পাঠাগারের মোট সদস্য ১৩৩ জন। পাঠকরা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০ পর্যন্ত এখানে পড়াশোনা করতে পারতেন। ১০ টাকার একটি ফরম পূরণ করে সদস্য হওয়া ছাড়া পাঠকদের আর কোনো ফি দিতে হয় না। সমাজসেবা ও গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর নিবন্ধিত এই গ্রন্থাগারে বই ছিল ৩ হাজার ১০০টি। তবে দুর্বৃত্তরা অধিকাংশ বই পুড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়া, পাঠাগারের আটটি আলমারি, একটি গোলটেবিল, একটি কম্পিউটার, দুটি ফ্যান সব ভাঙচুর করা হয়েছে।
সম্প্রতি বেলগাছি গ্রাম পরিদর্শন করে এই প্রতিবেদক দেখেন যে গিয়ে দেখা যায়, লাইব্রেরি ভবনের ভেতরে আলমারি, টেবিল, চেয়ার, কম্পিউটারসহ বই পোড়ানো ছাই পড়ে রয়েছে। এই পাঠাগারে নিয়িমিত পড়াশোনা করা পাঠকরা তাদের প্রিয় জায়গাটির এমন দশা দেখে হাহাকার করছেন। কষ্টে চাপা কান্না করছেন পাঠাগারের সাথে সংশ্লিষ্টরা।
পাঠাগারটির সভাপতি ও জমি দানকারী কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, ‘দুর্বৃত্তরা আমার বাড়িতেও হামলা চালিয়েছে, তবে পাঠাগারে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে বেশি কষ্ট পেয়েছি।’
পাঠাগারের সহকারী সম্পাদক শ্যামলী বেগম বলেন, গত ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পরে বিজয় মিছিল নিয়ে এসে পাশের গ্রামের লোকজন তালা ভেঙে পাঠাগারে ঢুকে ভাঙচুর করে।
পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা আবুল বাসার বলেন, পাঠাগারে হামলা ও ভাঙচুর করার কারণ বুঝতে পারছি না। তবে যে কারণেই করা হোক এটা এলাকাবাসীর জন্য বড় ক্ষতি। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আয়শা সিদ্দিকা বলেন, পাঠাগারে হামলার ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। সকাল ১০টা থেকে রাত ১০ পর্যন্ত যার যখন সময় হয় পাঠাগারে এসে পাঠকরা বই পড়তেন, পত্রিকা পড়েন। এটি গ্রামে একটা আদর্শ জায়গা হয়ে উঠেছিল।
উল্লেখ্য, ‘সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি’ স্লোগানে ২০১৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পাঠাগারটির কার্যক্রম শুরু হয়।

সরকার পতনের পর রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার ‘বেলগাছি লাইব্রেরি ও পাঠক ক্লাব’ নামে একটি পাঠাগারে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। গত ৫ আগস্ট বিজয় উল্লাসের নামে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্থাপনার পাশাপাশি পাঠাগারটিতেও এই তাণ্ডব চালানো হয়।
জানা যায়, স্থানীয়দের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়ানোর লক্ষ্যে ২০১৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি এই পাঠাগারের উদ্বোধন করা হয়। পাঠাগারটি রাজশাহী শহর থেকে ১৭ কিলোমিটার উত্তরে ও মোহনপুর উপজেলা সদর থেকে ৮ কিলোমিটার দক্ষিণে ও মোহনপুর উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের বেলগাছি গ্রামে গড়ে তুলেছিলেন আবুল বাসার নামে এক শিক্ষার্থী। তিনি তখন রাজশাহী কলেজে ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। বর্তমানে পাঠাগারের মোট সদস্য ১৩৩ জন। পাঠকরা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০ পর্যন্ত এখানে পড়াশোনা করতে পারতেন। ১০ টাকার একটি ফরম পূরণ করে সদস্য হওয়া ছাড়া পাঠকদের আর কোনো ফি দিতে হয় না। সমাজসেবা ও গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর নিবন্ধিত এই গ্রন্থাগারে বই ছিল ৩ হাজার ১০০টি। তবে দুর্বৃত্তরা অধিকাংশ বই পুড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়া, পাঠাগারের আটটি আলমারি, একটি গোলটেবিল, একটি কম্পিউটার, দুটি ফ্যান সব ভাঙচুর করা হয়েছে।
সম্প্রতি বেলগাছি গ্রাম পরিদর্শন করে এই প্রতিবেদক দেখেন যে গিয়ে দেখা যায়, লাইব্রেরি ভবনের ভেতরে আলমারি, টেবিল, চেয়ার, কম্পিউটারসহ বই পোড়ানো ছাই পড়ে রয়েছে। এই পাঠাগারে নিয়িমিত পড়াশোনা করা পাঠকরা তাদের প্রিয় জায়গাটির এমন দশা দেখে হাহাকার করছেন। কষ্টে চাপা কান্না করছেন পাঠাগারের সাথে সংশ্লিষ্টরা।
পাঠাগারটির সভাপতি ও জমি দানকারী কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, ‘দুর্বৃত্তরা আমার বাড়িতেও হামলা চালিয়েছে, তবে পাঠাগারে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে বেশি কষ্ট পেয়েছি।’
পাঠাগারের সহকারী সম্পাদক শ্যামলী বেগম বলেন, গত ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পরে বিজয় মিছিল নিয়ে এসে পাশের গ্রামের লোকজন তালা ভেঙে পাঠাগারে ঢুকে ভাঙচুর করে।
পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা আবুল বাসার বলেন, পাঠাগারে হামলা ও ভাঙচুর করার কারণ বুঝতে পারছি না। তবে যে কারণেই করা হোক এটা এলাকাবাসীর জন্য বড় ক্ষতি। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আয়শা সিদ্দিকা বলেন, পাঠাগারে হামলার ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। সকাল ১০টা থেকে রাত ১০ পর্যন্ত যার যখন সময় হয় পাঠাগারে এসে পাঠকরা বই পড়তেন, পত্রিকা পড়েন। এটি গ্রামে একটা আদর্শ জায়গা হয়ে উঠেছিল।
উল্লেখ্য, ‘সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি’ স্লোগানে ২০১৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পাঠাগারটির কার্যক্রম শুরু হয়।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১৯ ঘণ্টা আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
সিলেটের বিয়ানীবাজারের সোনাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আয়োজনে বাধ সেধেছে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী। তারা প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি জানালেও আয়োজকরা ২৮ আগস্ট নৌকাবাইচ আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো নৌকাবাইচ হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২১ ঘণ্টা আগে
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার পর দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে মরদেহ ৫টি বেনাপোলে পৌঁছাতে পারে। তবে ঠিক কখন মরদেহগুলো সীমান্তে পৌঁছাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
১ দিন আগে