
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর পবায় খড়খড়ি নামে একটি হাটের দরপত্র নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ফাঁকা গুলি ছুড়ে ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হাট ইজারার দরপত্র লুটের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। দরপত্র লুটের ঘটনার পর সোমবার রাতেই পবা উপজেলা প্রশাসনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সারুল আলম বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। তবে মামলার এজাহারে কোনো আসামির নাম নেই।
ইউএনও কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জানুয়ারি পবার ১২টি হাট ইজারার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে উপজেলা প্রশাসন। দরপত্র দাখিলের শেষ দিন সোমবার হাটগুলোর মধ্যে খড়খড়ি হাটকে কেন্দ্র করে বিরোধ দেখা দেয়। এর ফলে ককটেলবাজি ও টেন্ডার বাক্স লুটের ঘটনা ঘটে। দরপত্র বাক্সটি রাখা ছিল ইউএনওর কার্যালয়ের নিচতলায়। সেখানে একপক্ষ আরেক পক্ষকে দরপত্র দাখিল করতে বাধা দেয়। এরপর গুলি, ককটেল বিস্ফোরণ এবং বাক্স ভেঙে সব দরপত্র লুট করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
লুট হওয়ার আগে খড়খড়ি হাটের জন্য ৩১টি দরপত্র বিক্রি হয়েছিল। ক্রেতাদের মধ্যে অধিকাংশই বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে। এদিকে, সংঘর্ষের সময় শাকিলুর রহমান রন (৪২) নামে সাবেক এক যুবদল নেতা ছুরিকাঘাতে আহত হন। তিনি রাজশাহী নগরীর শাহমখদুম থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক।
মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে পবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত আমান আজিজ বলেন, ১২টি হাট ইজারার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার ছিল দরপত্র দাখিলের শেষ দিন। সময় ছিল সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা। সকাল থেকে বেশ কয়েকটা দরপত্র জমাও পড়ে। দুপুর ১২টা ৩৫ থেকে ১২টা ৫০ এর মধ্যে কিছু দুষ্কৃতকারী এখানে এসে টেন্ডারবাক্সটা ভেঙে দরপত্রগুলো নিয়ে যায়। এই ঘটনায় পবা থানায় অজ্ঞাত আসামিদের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ অভিযুক্তদের শনাক্ত করবে। আর হাট ইজারার জন্য পুনঃবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আবারো দরপত্র জমা নেয়া হবে।
নগরীর শাহ মখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুমা মোস্তারী জানান, ‘আমরা তদন্ত করছি। সিটি ক্যামেরার ফুটেজও দেখা হচ্ছে। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তবে এখন পর্যন্ত এ মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

রাজশাহীর পবায় খড়খড়ি নামে একটি হাটের দরপত্র নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ফাঁকা গুলি ছুড়ে ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হাট ইজারার দরপত্র লুটের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। দরপত্র লুটের ঘটনার পর সোমবার রাতেই পবা উপজেলা প্রশাসনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সারুল আলম বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। তবে মামলার এজাহারে কোনো আসামির নাম নেই।
ইউএনও কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জানুয়ারি পবার ১২টি হাট ইজারার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে উপজেলা প্রশাসন। দরপত্র দাখিলের শেষ দিন সোমবার হাটগুলোর মধ্যে খড়খড়ি হাটকে কেন্দ্র করে বিরোধ দেখা দেয়। এর ফলে ককটেলবাজি ও টেন্ডার বাক্স লুটের ঘটনা ঘটে। দরপত্র বাক্সটি রাখা ছিল ইউএনওর কার্যালয়ের নিচতলায়। সেখানে একপক্ষ আরেক পক্ষকে দরপত্র দাখিল করতে বাধা দেয়। এরপর গুলি, ককটেল বিস্ফোরণ এবং বাক্স ভেঙে সব দরপত্র লুট করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
লুট হওয়ার আগে খড়খড়ি হাটের জন্য ৩১টি দরপত্র বিক্রি হয়েছিল। ক্রেতাদের মধ্যে অধিকাংশই বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে। এদিকে, সংঘর্ষের সময় শাকিলুর রহমান রন (৪২) নামে সাবেক এক যুবদল নেতা ছুরিকাঘাতে আহত হন। তিনি রাজশাহী নগরীর শাহমখদুম থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক।
মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে পবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত আমান আজিজ বলেন, ১২টি হাট ইজারার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার ছিল দরপত্র দাখিলের শেষ দিন। সময় ছিল সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা। সকাল থেকে বেশ কয়েকটা দরপত্র জমাও পড়ে। দুপুর ১২টা ৩৫ থেকে ১২টা ৫০ এর মধ্যে কিছু দুষ্কৃতকারী এখানে এসে টেন্ডারবাক্সটা ভেঙে দরপত্রগুলো নিয়ে যায়। এই ঘটনায় পবা থানায় অজ্ঞাত আসামিদের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ অভিযুক্তদের শনাক্ত করবে। আর হাট ইজারার জন্য পুনঃবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আবারো দরপত্র জমা নেয়া হবে।
নগরীর শাহ মখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুমা মোস্তারী জানান, ‘আমরা তদন্ত করছি। সিটি ক্যামেরার ফুটেজও দেখা হচ্ছে। তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তবে এখন পর্যন্ত এ মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

চাকরি পুনর্বহাল, পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন দেশের পাঁচটি ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আজ সোমবার সকালে নগরের কোতোয়ালি এলাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
২ দিন আগে
চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
২ দিন আগে
যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
২ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
২ দিন আগে