
রাজশাহী ব্যুরো

জামায়াত-শিবির চোরাগোপ্তা হামলা চালাতে এলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিরোধ করা হবে বলে হুশিয়ার করে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর থেকেই জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধের দাবি ছিল। জাতির পিতা ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্মম মৃত্যুর পর খুনি চক্রের মূল পুরোধা জিয়াউর রহমান, তার সঙ্গে খন্দকার মোস্তাক গং, তারা সকলে মিলে আবারো ধর্মভিত্তিক রাজনীতি চালু করে। গোলাম আজমকে দেশে ফেরত আনে, জামায়াতে ইসলামীকে রাজনীতি করার অনুমতি দেয়, তারাই পথটি সুগম করে দেয়। দীর্ঘদিন পরও জামায়াত-শিবির তাদের অতীতের বিভৎসতা, সহিংসতা, পশ্চাৎমুখীতা থেকে তারা সরে আসেনি। তারা হত্যা, খুন, জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ শান্তির পক্ষে, জ্বালাও-পোড়াওয়ের পক্ষে নয়। তাই জামায়াত-শিবির চোরাগোপ্তা হামলা চালাতে আসলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদেরকে প্রতিরোধ করা হবে।
শোকবহ আগস্ট স্মরণে আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের শোক র্যালি শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, সাম্প্রতিককালে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢুকে তারা আবারো ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, পরিকল্পিতভাবে আমাদের গর্বের ও অহংকারের স্থাপনাসমূহ ভাংচুর ও আগুনে পুড়িয়েছে। তারা গণভবনসহ স্বাধীনতার বাড়ি-ঘরগুলোকে টার্গেট করেছিল। সেই অপশক্তিকে আমরা এবারো মতো পরাজিত করতে পেরেছি এবং সেই কারণে এবার আর বিলম্ব নয়, জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি চিরকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া দরকার। তাদের রাজনীতি করার সুযোগ এদেশের মাটিতে দেওয়া যায় না।
এই বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধারা ও তাদের বংশধরেরা এবং স্বাধীনতার চেতনাধারণকারী কোটি কোটি মানুষ আমরা মাথা উঁচু করে বসবাস করবো। অতীতেও যেকোন দুঃসময়ে আমাদের নেতাকর্মীরা এক আহ্বানে রাজপথে চলে এসেছে। আমরা এটি বারবার প্রমাণ দিয়েছি। জামায়াত-শিবির চোরাগোপ্তা হামলা চালাতে আসলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা তাদেরকে প্রতিরোধ করবো। কারণ জনগণ শান্তির পক্ষে, জ্বালাও-পোড়াও এর পক্ষে নয় বলেও উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য।
এর আগে বেলা সাড়ে ১২টায় নগরীর কুমারপাড়ায় মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোক র্যালিটি বের করা হয়। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে র্যালিটি শেষ হয়। র্যালিতে নেতৃত্ব দেন খায়রুজ্জামান লিটন। এসময় অন্যদের মধ্যে নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী, রেজাউল ইসলাম বাবুল, ডা. তবিবুর রহমান শেখ, নাঈমুল হুদা রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, আসাদুজ্জামান আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আসলাম সরকার, মীর ইসতিয়াক আহম্মেদ লিমন, প্রচার সম্পাদক দিলীপ কুমার ঘোষ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মীর তৌফিক আলী ভাদু, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মুসাব্বিরুল ইসলাম, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জিয়া হাসান আজাদ হিমেল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ কবির সেন্টু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, যুব ও ক্রীড়া বিয়ষক সম্পাদক মকিদুজ্জামান জুরাত, শ্রম সম্পাদক আব্দুস সোহেল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক কামারউল্লাহ সরকার কামাল, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা: ফ ম আ জাহিদ, নগর শ্রমিক লীগ সভাপতি মাহাবুবুল আলম, সাধারণ সম্পাদক আকতার আলী, নগর যুবলীগ সভাপতি মনিরুজ্জামান খাঁন মনির, সাধারণ সম্পাদক তৌরিদ আল মাসুদ রনি, নগর কৃষক লীগ সাধারণ সম্পাদক সাকির হোসেন বাবু, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আব্দুল মোমিন, সাধারণ সম্পাদক জেডু সরকার, নগর যুব মহিলা লীগ সভাপতি এ্যাড. ইসমত আরা, সাধারণ সম্পাদক নিলুফার ইয়াসমিন নিলু, নগর ছাত্রলীগ সভাপতি নূর মোহাম্মদ সিয়াম, সাধারণ সম্পাদক ডা: সিরাজুম মুবিন সবুজ সহ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াত-শিবির চোরাগোপ্তা হামলা চালাতে এলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিরোধ করা হবে বলে হুশিয়ার করে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর থেকেই জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধের দাবি ছিল। জাতির পিতা ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্মম মৃত্যুর পর খুনি চক্রের মূল পুরোধা জিয়াউর রহমান, তার সঙ্গে খন্দকার মোস্তাক গং, তারা সকলে মিলে আবারো ধর্মভিত্তিক রাজনীতি চালু করে। গোলাম আজমকে দেশে ফেরত আনে, জামায়াতে ইসলামীকে রাজনীতি করার অনুমতি দেয়, তারাই পথটি সুগম করে দেয়। দীর্ঘদিন পরও জামায়াত-শিবির তাদের অতীতের বিভৎসতা, সহিংসতা, পশ্চাৎমুখীতা থেকে তারা সরে আসেনি। তারা হত্যা, খুন, জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ শান্তির পক্ষে, জ্বালাও-পোড়াওয়ের পক্ষে নয়। তাই জামায়াত-শিবির চোরাগোপ্তা হামলা চালাতে আসলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদেরকে প্রতিরোধ করা হবে।
শোকবহ আগস্ট স্মরণে আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের শোক র্যালি শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, সাম্প্রতিককালে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢুকে তারা আবারো ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, পরিকল্পিতভাবে আমাদের গর্বের ও অহংকারের স্থাপনাসমূহ ভাংচুর ও আগুনে পুড়িয়েছে। তারা গণভবনসহ স্বাধীনতার বাড়ি-ঘরগুলোকে টার্গেট করেছিল। সেই অপশক্তিকে আমরা এবারো মতো পরাজিত করতে পেরেছি এবং সেই কারণে এবার আর বিলম্ব নয়, জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি চিরকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া দরকার। তাদের রাজনীতি করার সুযোগ এদেশের মাটিতে দেওয়া যায় না।
এই বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধারা ও তাদের বংশধরেরা এবং স্বাধীনতার চেতনাধারণকারী কোটি কোটি মানুষ আমরা মাথা উঁচু করে বসবাস করবো। অতীতেও যেকোন দুঃসময়ে আমাদের নেতাকর্মীরা এক আহ্বানে রাজপথে চলে এসেছে। আমরা এটি বারবার প্রমাণ দিয়েছি। জামায়াত-শিবির চোরাগোপ্তা হামলা চালাতে আসলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা তাদেরকে প্রতিরোধ করবো। কারণ জনগণ শান্তির পক্ষে, জ্বালাও-পোড়াও এর পক্ষে নয় বলেও উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য।
এর আগে বেলা সাড়ে ১২টায় নগরীর কুমারপাড়ায় মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোক র্যালিটি বের করা হয়। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে র্যালিটি শেষ হয়। র্যালিতে নেতৃত্ব দেন খায়রুজ্জামান লিটন। এসময় অন্যদের মধ্যে নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী, রেজাউল ইসলাম বাবুল, ডা. তবিবুর রহমান শেখ, নাঈমুল হুদা রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, আসাদুজ্জামান আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আসলাম সরকার, মীর ইসতিয়াক আহম্মেদ লিমন, প্রচার সম্পাদক দিলীপ কুমার ঘোষ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মীর তৌফিক আলী ভাদু, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মুসাব্বিরুল ইসলাম, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জিয়া হাসান আজাদ হিমেল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ কবির সেন্টু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, যুব ও ক্রীড়া বিয়ষক সম্পাদক মকিদুজ্জামান জুরাত, শ্রম সম্পাদক আব্দুস সোহেল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক কামারউল্লাহ সরকার কামাল, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা: ফ ম আ জাহিদ, নগর শ্রমিক লীগ সভাপতি মাহাবুবুল আলম, সাধারণ সম্পাদক আকতার আলী, নগর যুবলীগ সভাপতি মনিরুজ্জামান খাঁন মনির, সাধারণ সম্পাদক তৌরিদ আল মাসুদ রনি, নগর কৃষক লীগ সাধারণ সম্পাদক সাকির হোসেন বাবু, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আব্দুল মোমিন, সাধারণ সম্পাদক জেডু সরকার, নগর যুব মহিলা লীগ সভাপতি এ্যাড. ইসমত আরা, সাধারণ সম্পাদক নিলুফার ইয়াসমিন নিলু, নগর ছাত্রলীগ সভাপতি নূর মোহাম্মদ সিয়াম, সাধারণ সম্পাদক ডা: সিরাজুম মুবিন সবুজ সহ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেছে। আর চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুরগামী মেঘনা এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত হয়েছে চারটি। দুটি ট্রেন দুই লাইনে দুর্ঘটনার কবলে পড়লে আপ ও ডাউন উভয় লাইনেই ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
২ দিন আগে
খাগড়াছড়ির পানছড়ি ও রামগড় উপজেলায় সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। অভিযানে এক সশস্ত্র সংগঠনের সদস্য নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া আত্মসমর্পণ করেছেন আরও দুই সদস্য। উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক অস্ত্র, ম্যাগাজিন ও গোলাবারুদ।
২ দিন আগে
নিহতদের একজন নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে এবং অন্যজন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস)- সশস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি করেছে ইউপিডিএফ।
২ দিন আগে
দিনাজপুর সদর উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় চারজনকে আটক করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। আজ বুধবার ভোর ৬টার দিকে বনতারা-গিলাবাড়ি সীমান্ত এলাকায় তাদের আটক করা হয়।
২ দিন আগে