
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর পরিবেশ সংকট নিরসনে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) রাজশাহী কমিটি। এ দাবিতে সংগঠনটি আজ রোববার সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁয়ার নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, সবুজ ও পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে খ্যাত রাজশাহী এখন পরিবেশ দূষণ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও জলাশয় ভরাটের কারণে মারাত্মক সংকটে পড়েছে। অব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, রাসায়নিক সার ও প্লাস্টিক ব্যবহারের কারণে বায়ুদূষণ বাড়ছে। ভেঙে পড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে মশা-মাছির উপদ্রব এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এছাড়া গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি ২০২৬ সালে শেষ হলে রাজশাহীর পরিবেশ হুমকিতে পড়বে বলে সতর্ক করা হয়। বরেন্দ্র অঞ্চলে অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনে পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে, যা কৃষি ও গৃহস্থালি কাজে তীব্র সংকট তৈরি করছে। একইসঙ্গে নগরীর জলাশয়ের অপর্যাপ্ত সংরক্ষণ মশা ও জীবাণুর বিস্তার ঘটাচ্ছে।
রাজশাহীর পরিবেশ রক্ষায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্প বাস্তবায়ন, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাশয় সংরক্ষণ, সঠিক পানি ব্যবস্থাপনা ও সমন্বিত নগর পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানায় বাপা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাপা রাজশাহীর সভাপতি মো. জামাত খান, বাপা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আফজাল হোসেন, অধ্যক্ষ মুহমুদ হাসান, সাবেক ছাত্রনেতা সম্রাট রায়হান, সহসভাপতি সেলিনা বেগম, নারী সাংবাদিক হেলেন খান, রাজশাহী ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম নবী রনি, প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, চিকিৎসক আলামিন, নারীনেত্রী রাশেদা বেগম প্রমুখ।

রাজশাহীর পরিবেশ সংকট নিরসনে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) রাজশাহী কমিটি। এ দাবিতে সংগঠনটি আজ রোববার সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁয়ার নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, সবুজ ও পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে খ্যাত রাজশাহী এখন পরিবেশ দূষণ, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও জলাশয় ভরাটের কারণে মারাত্মক সংকটে পড়েছে। অব্যবস্থাপনা, অতিরিক্ত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, রাসায়নিক সার ও প্লাস্টিক ব্যবহারের কারণে বায়ুদূষণ বাড়ছে। ভেঙে পড়া ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে মশা-মাছির উপদ্রব এবং শ্বাসকষ্টজনিত রোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এছাড়া গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি ২০২৬ সালে শেষ হলে রাজশাহীর পরিবেশ হুমকিতে পড়বে বলে সতর্ক করা হয়। বরেন্দ্র অঞ্চলে অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনে পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে, যা কৃষি ও গৃহস্থালি কাজে তীব্র সংকট তৈরি করছে। একইসঙ্গে নগরীর জলাশয়ের অপর্যাপ্ত সংরক্ষণ মশা ও জীবাণুর বিস্তার ঘটাচ্ছে।
রাজশাহীর পরিবেশ রক্ষায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে উত্তর রাজশাহী সেচ প্রকল্প বাস্তবায়ন, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাশয় সংরক্ষণ, সঠিক পানি ব্যবস্থাপনা ও সমন্বিত নগর পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানায় বাপা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাপা রাজশাহীর সভাপতি মো. জামাত খান, বাপা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আফজাল হোসেন, অধ্যক্ষ মুহমুদ হাসান, সাবেক ছাত্রনেতা সম্রাট রায়হান, সহসভাপতি সেলিনা বেগম, নারী সাংবাদিক হেলেন খান, রাজশাহী ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম নবী রনি, প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, চিকিৎসক আলামিন, নারীনেত্রী রাশেদা বেগম প্রমুখ।

প্রতিবেশীরা জানান, কনিকার বাড়ি পাশের ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার ঝুরঝুরিয়া গ্রামে। বছর বছর ছয়েক আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকা রাজীবের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই ছিল। বৃহস্পতিবার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হলে রাজীব বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান।
১৬ ঘণ্টা আগে
কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলারের দায়িত্বে থাকা দেলোয়ার জাহান বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার পর সোনা মিয়ার জামিননামা কারাগারে পৌঁছালে বিষয়টি আইজি প্রিজনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে অবহিত করা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ সোনা মিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, জুমার নামাজের আগে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে গোসল করতে নেমেছিল ফাহিমা, লামিয়া ও সুলতানা। একপর্যায়ে তারা বাগানের ভেতরের গভীর ওই পুকুরের পানিতে ডুবে যায়। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
নিহত শ্রমিকদের মধ্যে চারজনের নাম-পরিচয় জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন— সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭), মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। চারজনই ভাটিয়ারী এলাকায় বসবাস করতেন। এর মধ্যে মনসুর ও নাসির সম্পর্কে আপন ভাই।
১৯ ঘণ্টা আগে