
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত শিশু হুজাইফা আফনান (১১) এখনো চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) রয়েছে। আইসিইউ সূত্র জানায়, গুলিটি শিশুটির মাথা ভেদ করে মস্তিষ্কে প্রবেশ করেছে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাসে রাখা হয়েছে।
হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে বলেন, ‘ভোর চারটা পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তবে গুলিটি বের করা হয়নি। সেটি মস্তিষ্কে; বের করা হলে ঝুঁকি আছে। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানো হয়েছে।’
গতকাল রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া গুলিতে আহত হয় শিশু হুজাইফা। টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে । আহত শিশুটির বাবার নাম জসিম উদ্দিন।
প্রথমে শিশুটি মারা গেছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে সড়ক অবরোধ করেন। পরে জানা যায়, শিশুটি মারা যায়নি, গুরুতর আহত হয়েছে। এদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে তাকে।
হুজাইফার চাচা মোহাম্মদ এরশাদ জানান, শনিবার সারা রাত সীমান্তের ওপারে গোলাগুলির শব্দে এলাকাবাসী আতঙ্কে ছিলেন। রোববার সকালে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত মনে হওয়ায় তিনি ঘর থেকে বের হন। কিছুক্ষণ পর শিশু হুজাইফাও খেলতে বের হয়ে সড়কের কাছে চলে আসে। এ সময় আবার সীমান্তের ওপারে গোলাগুলি শুরু হলে একটি গুলি তার মুখের পাশ দিয়ে মাথায় ঢুকে যায়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে নাফ নদীর হোয়াইক্যং অংশে মাছ ধরার সময় মো. আলমগীর (৩০) নামে এক বাংলাদেশি জেলে গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে উখিয়া কুতুপালং এমএমএস হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতা থামছেই না। বিমান হামলা, ড্রোন হামলা, মর্টার শেল নিক্ষেপ ও বোমা বিস্ফোরণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। টানা চার দিন ধরে রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপের আশপাশে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) অবস্থানে বিমান হামলা জোরদার করেছে সরকারি জান্তা বাহিনী।
অন্যদিকে, আরাকান আর্মির সঙ্গে স্থলভাগে সংঘর্ষে জড়িয়েছে রোহিঙ্গাদের তিনটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। এতে সীমান্ত পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে। ওপারের বিকট বিস্ফোরণে টেকনাফের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো কেঁপে উঠছে। মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলি এসে পড়ছে এপারের ঘরবাড়ি, চিংড়িঘের ও নাফ নদীতে, যা স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত শিশু হুজাইফা আফনান (১১) এখনো চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) রয়েছে। আইসিইউ সূত্র জানায়, গুলিটি শিশুটির মাথা ভেদ করে মস্তিষ্কে প্রবেশ করেছে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাসে রাখা হয়েছে।
হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে বলেন, ‘ভোর চারটা পর্যন্ত অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তবে গুলিটি বের করা হয়নি। সেটি মস্তিষ্কে; বের করা হলে ঝুঁকি আছে। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানো হয়েছে।’
গতকাল রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া গুলিতে আহত হয় শিশু হুজাইফা। টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে । আহত শিশুটির বাবার নাম জসিম উদ্দিন।
প্রথমে শিশুটি মারা গেছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে সড়ক অবরোধ করেন। পরে জানা যায়, শিশুটি মারা যায়নি, গুরুতর আহত হয়েছে। এদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে তাকে।
হুজাইফার চাচা মোহাম্মদ এরশাদ জানান, শনিবার সারা রাত সীমান্তের ওপারে গোলাগুলির শব্দে এলাকাবাসী আতঙ্কে ছিলেন। রোববার সকালে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত মনে হওয়ায় তিনি ঘর থেকে বের হন। কিছুক্ষণ পর শিশু হুজাইফাও খেলতে বের হয়ে সড়কের কাছে চলে আসে। এ সময় আবার সীমান্তের ওপারে গোলাগুলি শুরু হলে একটি গুলি তার মুখের পাশ দিয়ে মাথায় ঢুকে যায়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে নাফ নদীর হোয়াইক্যং অংশে মাছ ধরার সময় মো. আলমগীর (৩০) নামে এক বাংলাদেশি জেলে গুলিবিদ্ধ হন। আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে উখিয়া কুতুপালং এমএমএস হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতা থামছেই না। বিমান হামলা, ড্রোন হামলা, মর্টার শেল নিক্ষেপ ও বোমা বিস্ফোরণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। টানা চার দিন ধরে রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপের আশপাশে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) অবস্থানে বিমান হামলা জোরদার করেছে সরকারি জান্তা বাহিনী।
অন্যদিকে, আরাকান আর্মির সঙ্গে স্থলভাগে সংঘর্ষে জড়িয়েছে রোহিঙ্গাদের তিনটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। এতে সীমান্ত পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে। ওপারের বিকট বিস্ফোরণে টেকনাফের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো কেঁপে উঠছে। মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলি এসে পড়ছে এপারের ঘরবাড়ি, চিংড়িঘের ও নাফ নদীতে, যা স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

গণভোট শুধু আগামী পাঁচ বছরের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের পূর্ণ প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রিয়াজ।
৬ ঘণ্টা আগে
বিলপাড় গ্রামের ১০ থেকে ১৫ জন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকারি কোনো প্রকল্প নেওয়া না হলেও ফসলি জমিতে ব্যক্তি উদ্যোগে খাল খনন করা হচ্ছে। এতে ফসলি জমি নষ্ট হওয়ার পাশপাশি উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতেও কৃষকদের সমস্যা হবে। খাল খনন হলে দ্বিখণ্ডিত হবে কৃষকদের জমিজমা। যাতায়াতে সমস্যা হবে। খালের কারণে চাষের লা
১৯ ঘণ্টা আগে
নিহত পিকুলের বিরুদ্ধে রূপসা থানায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
১ দিন আগে
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ভোরে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করছেন। সেইসঙ্গে টহল জোরদার করা হয়েছে।
১ দিন আগে