
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

গত কয়েক দিন ধরে চট্টগ্রামে অব্যাহত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতে নগরজীবন একেবারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রেললাইনে পানি জমে থাকায় বন্ধ আছে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজারগামী রেল যোগাযোগ।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেল থেকে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে রেকর্ড ৪১২ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা গত ৪২ বছরের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ।
এর আগে ১৯৮৩ সালে একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড ছিল। মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্তও ৩৩০ থেকে ৩৮৬ মিলিমিটারের মতো বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এই অতি ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং কর্ণফুলী নদীর জোয়ারের প্রভাবে নগরের নিম্নাঞ্চলগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে।
নগরের আগ্রাবাদ, কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা, ফরিদারপাড়া, চান্দগাঁও, চকবাজারের তেলেপট্টি গলি, কাট্টলী, হালিশহর, রামপুর, মুরাদপুর, বিবিরহাট, সুন্নিয়া মাদ্রাসা, আনন্দীপুরসহ অসংখ্য এলাকায় গোড়ালি থেকে হাঁটুসমান পানি জমেছে।
দুপুরে নগরীর বাকলিয়া এলাকায় দেখা যায়, অনেক দোকানপাটে পানি ঢুকে পণ্য নষ্ট হয়েছে। বাসিন্দারা আসবাবপত্র উঁচু স্থানে সরিয়ে রাখছেন। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ সদস্যদের নিয়ে অনেক পরিবার চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে।
বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাসিন্দারা পানি মাড়িয়ে অফিস-বাজারে যাওয়া-আসা করছেন। অনেক জায়গায় যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। আগ্রাবাদের মতো বাণিজ্যিক এলাকায় অফিসগামী কর্মীরা হাঁটু পানি ঠেলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
আগ্রাবাদের স্থানীয় বাসিন্দা জোবায়ের হোসেন জানান, অফিসে ঢোকার সময় প্রচুর বেগ পেতে হয়েছে।
নগরীর সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকা তলিয়ে গেছে পানিতে। এলাকার শ্যামলি আবাসিক এলাকা, গ্রিন ভিউ, লিবার সোসোইটির বাসা-বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। ওই এলাকার বাসিন্দা অন্তত তিনজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেছে রাজনীতি ডটকম।
উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের একজন শিক্ষার্থী জাফরুল হাসান মিশু রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘আমি গ্রিনভিউ এলাকায় থাকি। এখানকার অধিকাংশ ভবনের নিচতলায় ব্যাচেলররা থাকে, যারা মূলত শিক্ষার্থী। এমন কোনও বাসা নেই, যেখানে পানি প্রবেশ করেনি। খাটের উপর জামা-কাপড় ও বইপত্র উঠিয়ে কোনওভাবে ভিজে যাওয়া থেকে বাঁচাচ্ছি’
সিটি ভিউ এলাকার বাসিন্ধা এক শিক্ষার্থী তৈমুর হাসান বলেন, ‘এখানে প্রতিবছরই পানি উঠে। তবে এবার মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। বাইরে বেরোনোর কোনও সুযোগ নেই। এই যুগে এসেও এমন অব্যবস্থাপনা অনাকাঙ্ক্ষিত’
এদিকে, কাট্টলীর ঈশান মহাজন সড়কে বৃষ্টির কারণে বড় গাছ ভেঙে পড়েছে। ফলে ওই সড়কে যান চলাচল একেবারে বন্ধ রয়েছে। হালিশহরের সোনালি আবাসিক, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাসহ বিভিন্ন আবাসিক পাড়ায়ও পানি উঠেছে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও যোগাযোগ সংকটের কারণে আজকের ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করেছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা জানিয়েছেন, কয়েকটি এলাকায় পানি জমার খবর পাওয়া গেছে। দুই দিন ধরে ভারী বর্ষণের সঙ্গে জোয়ার যুক্ত হওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে নালা-খাল অনেকটা পরিষ্কার থাকায় পানি দ্রুত নামতে শুরু করেছে। মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, দুই নম্বর গেটের মতো জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকায় এবার তুলনামূলক কম পানি উঠেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার প্রবল বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের জানালীহাট স্টেশনের কাছে রেললাইন পানির নিচে চলে যায়। এতে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন ষোলশহর এলাকায় আটকে পড়ে। হাজারো যাত্রী দীর্ঘ সময় ধরে চরম দুর্ভোগে পড়েন। রেললাইনে পানি ওঠার কারণে ট্রেন চলাচলও ব্যাহত হয়।
বুধবার দুপুরে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মুরাদপুর সংলগ্ন বেশ কিছু পয়েন্টে রেললাইন হাঁটু পানিতে ডুবে আছে।
এ কারণে এখনও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে। রেলপথটিতে প্রতিদিন চার জোড়া ট্রেন চলাচল করে। এর মধ্যে দুই জোড়া চট্টগ্রাম থেকে এবং দুই জোড়া ঢাকা থেকে কক্সবাজারে যাওয়া-আসা করে।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক আবু বক্কর সিদ্দিকি জানান, রেললাইনে পানি ওঠার কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ট্রেন চালানো হবে।
চট্টগ্রামের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী খাগড়াছড়ি জেলাতেও টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। মাইনী, চেঙ্গী ও ফেনী নদীর পানি দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি উঠে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে গিয়ে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে।

গত কয়েক দিন ধরে চট্টগ্রামে অব্যাহত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতে নগরজীবন একেবারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রেললাইনে পানি জমে থাকায় বন্ধ আছে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজারগামী রেল যোগাযোগ।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেল থেকে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে রেকর্ড ৪১২ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা গত ৪২ বছরের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ।
এর আগে ১৯৮৩ সালে একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড ছিল। মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্তও ৩৩০ থেকে ৩৮৬ মিলিমিটারের মতো বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এই অতি ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং কর্ণফুলী নদীর জোয়ারের প্রভাবে নগরের নিম্নাঞ্চলগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে।
নগরের আগ্রাবাদ, কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা, ফরিদারপাড়া, চান্দগাঁও, চকবাজারের তেলেপট্টি গলি, কাট্টলী, হালিশহর, রামপুর, মুরাদপুর, বিবিরহাট, সুন্নিয়া মাদ্রাসা, আনন্দীপুরসহ অসংখ্য এলাকায় গোড়ালি থেকে হাঁটুসমান পানি জমেছে।
দুপুরে নগরীর বাকলিয়া এলাকায় দেখা যায়, অনেক দোকানপাটে পানি ঢুকে পণ্য নষ্ট হয়েছে। বাসিন্দারা আসবাবপত্র উঁচু স্থানে সরিয়ে রাখছেন। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ সদস্যদের নিয়ে অনেক পরিবার চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে।
বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাসিন্দারা পানি মাড়িয়ে অফিস-বাজারে যাওয়া-আসা করছেন। অনেক জায়গায় যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। আগ্রাবাদের মতো বাণিজ্যিক এলাকায় অফিসগামী কর্মীরা হাঁটু পানি ঠেলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
আগ্রাবাদের স্থানীয় বাসিন্দা জোবায়ের হোসেন জানান, অফিসে ঢোকার সময় প্রচুর বেগ পেতে হয়েছে।
নগরীর সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকা তলিয়ে গেছে পানিতে। এলাকার শ্যামলি আবাসিক এলাকা, গ্রিন ভিউ, লিবার সোসোইটির বাসা-বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। ওই এলাকার বাসিন্দা অন্তত তিনজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেছে রাজনীতি ডটকম।
উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের একজন শিক্ষার্থী জাফরুল হাসান মিশু রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘আমি গ্রিনভিউ এলাকায় থাকি। এখানকার অধিকাংশ ভবনের নিচতলায় ব্যাচেলররা থাকে, যারা মূলত শিক্ষার্থী। এমন কোনও বাসা নেই, যেখানে পানি প্রবেশ করেনি। খাটের উপর জামা-কাপড় ও বইপত্র উঠিয়ে কোনওভাবে ভিজে যাওয়া থেকে বাঁচাচ্ছি’
সিটি ভিউ এলাকার বাসিন্ধা এক শিক্ষার্থী তৈমুর হাসান বলেন, ‘এখানে প্রতিবছরই পানি উঠে। তবে এবার মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। বাইরে বেরোনোর কোনও সুযোগ নেই। এই যুগে এসেও এমন অব্যবস্থাপনা অনাকাঙ্ক্ষিত’
এদিকে, কাট্টলীর ঈশান মহাজন সড়কে বৃষ্টির কারণে বড় গাছ ভেঙে পড়েছে। ফলে ওই সড়কে যান চলাচল একেবারে বন্ধ রয়েছে। হালিশহরের সোনালি আবাসিক, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাসহ বিভিন্ন আবাসিক পাড়ায়ও পানি উঠেছে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও যোগাযোগ সংকটের কারণে আজকের ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করেছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা জানিয়েছেন, কয়েকটি এলাকায় পানি জমার খবর পাওয়া গেছে। দুই দিন ধরে ভারী বর্ষণের সঙ্গে জোয়ার যুক্ত হওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে নালা-খাল অনেকটা পরিষ্কার থাকায় পানি দ্রুত নামতে শুরু করেছে। মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, দুই নম্বর গেটের মতো জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকায় এবার তুলনামূলক কম পানি উঠেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার প্রবল বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের জানালীহাট স্টেশনের কাছে রেললাইন পানির নিচে চলে যায়। এতে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন ষোলশহর এলাকায় আটকে পড়ে। হাজারো যাত্রী দীর্ঘ সময় ধরে চরম দুর্ভোগে পড়েন। রেললাইনে পানি ওঠার কারণে ট্রেন চলাচলও ব্যাহত হয়।
বুধবার দুপুরে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মুরাদপুর সংলগ্ন বেশ কিছু পয়েন্টে রেললাইন হাঁটু পানিতে ডুবে আছে।
এ কারণে এখনও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে। রেলপথটিতে প্রতিদিন চার জোড়া ট্রেন চলাচল করে। এর মধ্যে দুই জোড়া চট্টগ্রাম থেকে এবং দুই জোড়া ঢাকা থেকে কক্সবাজারে যাওয়া-আসা করে।
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক আবু বক্কর সিদ্দিকি জানান, রেললাইনে পানি ওঠার কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ট্রেন চালানো হবে।
চট্টগ্রামের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী খাগড়াছড়ি জেলাতেও টানা তিন দিনের ভারী বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। মাইনী, চেঙ্গী ও ফেনী নদীর পানি দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি উঠে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে গিয়ে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় দুর্বৃত্তের হামলায় গুরুতর আহত উত্তরা ব্যাংকের এক কর্মকর্তা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার রাতে তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে মঙ্গলবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
১ দিন আগে
টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর, যা গত ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। প্রবল বর্ষণের সঙ্গে জোয়ারের পানি যুক্ত হওয়ায় নগরের বহু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। ডুবে গেছে অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে ষোলশহর স্টেশন অতিক্রম করার পর রেললাইনে জমে থাকা পানির কারণে ট্রেনটি আর সামনে এগোতে পারেনি। পরে ট্রেনটি পিছিয়ে এনে ষোলশহর স্টেশনে রাখা হয়।
১ দিন আগে
কারাগারে পাঠানোদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ মুন। অন্য আসামিরা হলেন হাসিন ইসরাক মিম, আজমীর হোসেন ওরফে প্রেম এবং থানায় নেওয়ার পথে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে আটক আরও দুই ব্যক্তি। তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
১ দিন আগে