
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর দুটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ও অবৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনে মোট ৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অপরদিকে, বিভিন্ন অসঙ্গতি ও ত্রুটির কারণে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
আজ শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা অফিয়া আখতার।
তিনি জানান, রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে ৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ৩ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এই আসনে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন-আল-সাআদ (স্বতন্ত্র): ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংক্রান্ত তথ্যে গরমিল।
বিএনপির বিদ্রোহী মো. সুলতানুল ইসলাম (তারেক) (স্বতন্ত্র): ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল ও আয়কর সংক্রান্ত তথ্যে অসঙ্গতি।
মির মো. শাহজাহান (গণ অধিকার পরিষদ): দলীয় মনোনয়নপত্রে দলের চেয়ারম্যান নুরুল হক নুরের স্বাক্ষরে গরমিল।
এই আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন—মো. শরীফ উদ্দীন (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি),
মো. আব্দুর রহমান (আমার বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টি) এবং মো. মুজিবুর রহমান (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী)।
অন্যদিকে, রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ৬ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এই আসনে বাতিল প্রার্থীরা হলেন—মো. শাহাবুদ্দিন (স্বতন্ত্র): সম্পত্তি বিবরণীতে তথ্য ও স্বাক্ষরের ঘাটতি, ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল এবং আয়কর রিটার্ন বকেয়া।
মো. ওয়াহেদুজ্জামান (এলডিপি): কৃষি ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংকে ঋণ খেলাপি।
সালেহ আহমেদ (স্বতন্ত্র): ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের তথ্যে গরমিল।
এই আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন—মো. মিজানুর রহমান (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি),
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী),
মু. সাঈদ নোমান (আমার বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টি),
মুহাম্মদ ফজলুল করিম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ),
মো. মেজবাউল ইসলাম (বাংলাদেশ লেবার পার্টি) এবং মোহাম্মদ সামছুল আলম (নাগরিক ঐক্য)।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা চাইলে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

রাজশাহীর দুটি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ও অবৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনে মোট ৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অপরদিকে, বিভিন্ন অসঙ্গতি ও ত্রুটির কারণে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
আজ শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা অফিয়া আখতার।
তিনি জানান, রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে ৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ৩ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এই আসনে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন-আল-সাআদ (স্বতন্ত্র): ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংক্রান্ত তথ্যে গরমিল।
বিএনপির বিদ্রোহী মো. সুলতানুল ইসলাম (তারেক) (স্বতন্ত্র): ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল ও আয়কর সংক্রান্ত তথ্যে অসঙ্গতি।
মির মো. শাহজাহান (গণ অধিকার পরিষদ): দলীয় মনোনয়নপত্রে দলের চেয়ারম্যান নুরুল হক নুরের স্বাক্ষরে গরমিল।
এই আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন—মো. শরীফ উদ্দীন (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি),
মো. আব্দুর রহমান (আমার বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টি) এবং মো. মুজিবুর রহমান (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী)।
অন্যদিকে, রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল এবং ৬ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এই আসনে বাতিল প্রার্থীরা হলেন—মো. শাহাবুদ্দিন (স্বতন্ত্র): সম্পত্তি বিবরণীতে তথ্য ও স্বাক্ষরের ঘাটতি, ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল এবং আয়কর রিটার্ন বকেয়া।
মো. ওয়াহেদুজ্জামান (এলডিপি): কৃষি ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংকে ঋণ খেলাপি।
সালেহ আহমেদ (স্বতন্ত্র): ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের তথ্যে গরমিল।
এই আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন—মো. মিজানুর রহমান (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি),
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী),
মু. সাঈদ নোমান (আমার বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টি),
মুহাম্মদ ফজলুল করিম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ),
মো. মেজবাউল ইসলাম (বাংলাদেশ লেবার পার্টি) এবং মোহাম্মদ সামছুল আলম (নাগরিক ঐক্য)।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা চাইলে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

নেত্রকোনা -১ (কলমাকান্দা, দূর্গাপুর উপজেলা) সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, যদি আপনাদের
১৭ ঘণ্টা আগে
জামায়াত আমির বলেন, “চার দিন আগে আমার এক্স আইডি হ্যাক করে যা-তা চালানো হয়েছে। আর এতে একটি দল ঝাঁপিয়ে পড়েছে, ‘তাইরে-নাইরে’ বলে গান শুরু করেছে। লজ্জা, ওদের চুনোপুঁটি তো গাইলো বটেই, বড় বড় মাথাগুলোও একই গান গাওয়া শুরু করে দিলো।”
১৯ ঘণ্টা আগে
‘মব ভায়োলেন্স’ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, 'মব ভায়োলেন্স বলতে কোনো কিছুই নেই। তিনি পুলিশি কর্মকর্তাদের পাশে ডেকে সাংবাদিকদের দেখিয়ে বলেন, ‘দেখুন, তাদের মধ্যে কেউ ভীত মনে হচ্ছে কি?’
২১ ঘণ্টা আগে
মামলায় প্রধান আসামি করা ব্যবসায়ী সোহেল রানাকে (৪০)। তিনি সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং মারইয়াম প্রেসের স্বত্বাধিকারী। গতকাল বিকেলে শহরের পুরোনো আদালত রোডের মারইয়াম প্রেস থেকে ভোটে ব্যবহারের অবৈধ ছয়টি সিল, একটি কম্পিউটার, একটি মুঠোফোনসহ তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
২১ ঘণ্টা আগে