
যশোর প্রতিনিধি
যশোরে দুবৃর্ত্তদের ছুরিকাঘাতে শান্তি-শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি ও জামায়াত কর্মী আমিনুর সজল মুন্সি (৪২) নিহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় শহরতলী খোলাডাঙ্গা গাজীরবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আমিনুর সজল খোলাডাঙ্গা সারগোডাউন মুন্সিপাড়ার আজিজুর ইসলাম মিন্টুর ছেলে ও স্থানীয় ওয়ার্ড জামায়াতের কর্মী ছিলেন।
জানা যায়, সম্প্রতি গাজির বাজারে শান্তি-শৃঙ্খলা কমিটি গঠন হয়। এই কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন সজল। কমিটি গঠন করা নিয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে।
নিহতের স্বজনেরা জানান, শহরের ধর্মতলা সার গোডাউনের সামনে আমিনুর সজলের স্যানিটারি দোকান রয়েছে। মাগরিবের নামাজ পড়ার উদ্দেশে দোকান থেকে বাজারের পাশেই মসজিদে যাচ্ছিলেন সজল। পথিমধ্যে কয়েকজন মোটরসাইকেলযোগে এসে সজলকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এ সময় তার চিৎকার শুনে পথচারী ও অন্য ব্যবসায়ীরা এসে সজলকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গাজির বাজার ব্যবসায়ী ও নিহতের ভাগ্নে আব্দুর রহমান বলেন, ‘সম্প্রতি গাজীর বাজারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে সব ব্যবসায়ীদের মতামতের ভিত্তিতে কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন আমিনুর সজল মুন্সি। তবে একই এলাকার কামরুল ওরফে খোড়া কামরুল এই কমিটির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। কমিটি করা নিয়ে এর আগেও তিনি ঝামেলা সৃষ্টি করেন। সভাপতির সঙ্গে তার পূর্ব বিরোধ ছিলো। সম্প্রতি কামরুল জেল থেকে মুক্তি পেয়েছে। মুক্তি পেয়েই প্রতিশোধ নিতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি।’
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন বলেন, নিহতের শরীরে একাধিক জায়গায় ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, স্থানীয় কিছু লোকের সঙ্গে তার পূর্ব বিরোধ ছিলো। পুলিশ বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষেই বিস্তারিত বলা যাবে।
এদিকে আমিনুর সজল মুন্সিসহ গত এক মাসে যশোরে অন্তত ৯টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও বেড়েছে চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, লুটপাট, সহিংসতা, হামলার ঘটনা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তায় বেড়েছে এসব অপরাধ প্রবণতা। এতে জনমনে বিরাজ করছে চরম আতংক। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অনেকেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের।
যশোরে দুবৃর্ত্তদের ছুরিকাঘাতে শান্তি-শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি ও জামায়াত কর্মী আমিনুর সজল মুন্সি (৪২) নিহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় শহরতলী খোলাডাঙ্গা গাজীরবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আমিনুর সজল খোলাডাঙ্গা সারগোডাউন মুন্সিপাড়ার আজিজুর ইসলাম মিন্টুর ছেলে ও স্থানীয় ওয়ার্ড জামায়াতের কর্মী ছিলেন।
জানা যায়, সম্প্রতি গাজির বাজারে শান্তি-শৃঙ্খলা কমিটি গঠন হয়। এই কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন সজল। কমিটি গঠন করা নিয়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে।
নিহতের স্বজনেরা জানান, শহরের ধর্মতলা সার গোডাউনের সামনে আমিনুর সজলের স্যানিটারি দোকান রয়েছে। মাগরিবের নামাজ পড়ার উদ্দেশে দোকান থেকে বাজারের পাশেই মসজিদে যাচ্ছিলেন সজল। পথিমধ্যে কয়েকজন মোটরসাইকেলযোগে এসে সজলকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এ সময় তার চিৎকার শুনে পথচারী ও অন্য ব্যবসায়ীরা এসে সজলকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গাজির বাজার ব্যবসায়ী ও নিহতের ভাগ্নে আব্দুর রহমান বলেন, ‘সম্প্রতি গাজীর বাজারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে সব ব্যবসায়ীদের মতামতের ভিত্তিতে কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন আমিনুর সজল মুন্সি। তবে একই এলাকার কামরুল ওরফে খোড়া কামরুল এই কমিটির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। কমিটি করা নিয়ে এর আগেও তিনি ঝামেলা সৃষ্টি করেন। সভাপতির সঙ্গে তার পূর্ব বিরোধ ছিলো। সম্প্রতি কামরুল জেল থেকে মুক্তি পেয়েছে। মুক্তি পেয়েই প্রতিশোধ নিতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি।’
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন বলেন, নিহতের শরীরে একাধিক জায়গায় ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, স্থানীয় কিছু লোকের সঙ্গে তার পূর্ব বিরোধ ছিলো। পুলিশ বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষেই বিস্তারিত বলা যাবে।
এদিকে আমিনুর সজল মুন্সিসহ গত এক মাসে যশোরে অন্তত ৯টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও বেড়েছে চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, লুটপাট, সহিংসতা, হামলার ঘটনা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তায় বেড়েছে এসব অপরাধ প্রবণতা। এতে জনমনে বিরাজ করছে চরম আতংক। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অনেকেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের।

রাজশাহীর চারঘাটে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় ১টার দিকে উপজেলার সরদহ রেলস্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় এ দম্পতিকে মারধরের ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্বামী আজ বুধবার দুপুরে চারঘাট মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
২ দিন আগে
চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।
২ দিন আগে
রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন
২ দিন আগে
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।
৩ দিন আগে