
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যাওয়া বোরো ফসলের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মিজ্ সোহানা নাসরিন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে মিঠামইন উপজেলার ঢাকী হাওর পরিদর্শনের সময় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
পরিদর্শনকালে ঢাকী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ৬৫ বছর বয়সী কৃষক মনু মিয়া পানিতে তলিয়ে যাওয়া নিজের তিন একর জমি থেকে এক আঁটি ধানের গোছা তুলে এনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে জেলা প্রশাসকের সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “স্যার, আমার সব শেষ। পরের জমি জমা আইনা ধান করছিলাম, এহন পুলাপাইন লইয়া মরণ ছাড়া উপায় নাই। প্রধানমন্ত্রীরে আমার কথা কইয়েন।”
এ সময় উপস্থিত অন্যান্য কৃষকও তাদের ক্ষতির কথা তুলে ধরেন। তারা জানান, ঢাকীর উত্তর হাওর, আতপাশা হাওর ও মাহমুদপুর হাওরসহ প্রায় ৮০০ একর জমির বোরো ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ঢাকী-ফুলবাড়ীয়া নদীর উত্তর পাড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত সংস্কার না করলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ঢাকী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মিয়া বলেন, উত্তর বাঁধ এলাকায় প্রায় ৩০০ একর জমি ইতোমধ্যে ডুবে গেছে। অনেক স্থানে পানিতে তলিয়ে থাকা ধানে চারা গজিয়েছে, আবার কোথাও অতিবৃষ্টির কারণে পচন ধরেছে। তার মতে, উপজেলার মধ্যে ঢাকী ইউনিয়নই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “এ অবস্থায় কৃষকদের দ্রুত সরকারি সহায়তা না দিলে তারা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। এই অঞ্চলের কৃষকরা মূলত একটি বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল। তাই ক্ষতিপূরণ ও প্রণোদনা জরুরি।”
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। তিনি ইটনা উপজেলার সিলনী সেতু সংলগ্ন হাওর এবং অষ্টগ্রামের বিভিন্ন হাওর এলাকা ঘুরে দেখেন ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আব্দুল্লাহ বিন শফিক, অষ্টগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিলভিয়া স্নিগ্ধা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুহুল আমিন শরীফ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. সাদিকুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও কৃষক প্রতিনিধি।
এর আগে জেলা প্রশাসক মিজ্ সোহানা নাসরিন মিঠামইন উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলার সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যাওয়া বোরো ফসলের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মিজ্ সোহানা নাসরিন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে মিঠামইন উপজেলার ঢাকী হাওর পরিদর্শনের সময় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
পরিদর্শনকালে ঢাকী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ৬৫ বছর বয়সী কৃষক মনু মিয়া পানিতে তলিয়ে যাওয়া নিজের তিন একর জমি থেকে এক আঁটি ধানের গোছা তুলে এনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে জেলা প্রশাসকের সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “স্যার, আমার সব শেষ। পরের জমি জমা আইনা ধান করছিলাম, এহন পুলাপাইন লইয়া মরণ ছাড়া উপায় নাই। প্রধানমন্ত্রীরে আমার কথা কইয়েন।”
এ সময় উপস্থিত অন্যান্য কৃষকও তাদের ক্ষতির কথা তুলে ধরেন। তারা জানান, ঢাকীর উত্তর হাওর, আতপাশা হাওর ও মাহমুদপুর হাওরসহ প্রায় ৮০০ একর জমির বোরো ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ঢাকী-ফুলবাড়ীয়া নদীর উত্তর পাড়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত সংস্কার না করলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ঢাকী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মিয়া বলেন, উত্তর বাঁধ এলাকায় প্রায় ৩০০ একর জমি ইতোমধ্যে ডুবে গেছে। অনেক স্থানে পানিতে তলিয়ে থাকা ধানে চারা গজিয়েছে, আবার কোথাও অতিবৃষ্টির কারণে পচন ধরেছে। তার মতে, উপজেলার মধ্যে ঢাকী ইউনিয়নই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “এ অবস্থায় কৃষকদের দ্রুত সরকারি সহায়তা না দিলে তারা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। এই অঞ্চলের কৃষকরা মূলত একটি বোরো ফসলের ওপর নির্ভরশীল। তাই ক্ষতিপূরণ ও প্রণোদনা জরুরি।”
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। তিনি ইটনা উপজেলার সিলনী সেতু সংলগ্ন হাওর এবং অষ্টগ্রামের বিভিন্ন হাওর এলাকা ঘুরে দেখেন ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আব্দুল্লাহ বিন শফিক, অষ্টগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিলভিয়া স্নিগ্ধা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুহুল আমিন শরীফ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. সাদিকুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও কৃষক প্রতিনিধি।
এর আগে জেলা প্রশাসক মিজ্ সোহানা নাসরিন মিঠামইন উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলার সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

চুয়াডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে কলা, পেঁপে ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষকদের দাবি, প্রায় ৫০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে তারা সরকারি সহায়তা চেয়েছেন।
১ দিন আগে
রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা শেষে মাইক্রোবাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন ভুরুঙ্গামারীর একই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। পথিমধ্যে কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কের বাঁশেরতল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই জন
২ দিন আগে
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আবারও দেখা দিয়েছে ফসলহানির শঙ্কা। ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর পাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে, ফসল হারিয়ে আহাজারি করছেন অনেকে।
২ দিন আগে
টানা বৃষ্টি, পানির চাপ ও বজ্রপাতের আতঙ্কে হাওর এলাকার কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। শ্রমিক সংকট, যন্ত্রচালিত হারভেস্টর ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা এবং ধান শুকানোর সুযোগ না থাকায় সংকট আরও তীব্র হয়েছে। অনেক স্থানে খলায় রাখা ধানও পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।
২ দিন আগে