
রাজশাহী ব্যুরো

অজানা রোগে আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে তিন দিনের ব্যবধানে একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে নেমেছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। সোমবার ঢাকা থেকে আসা প্রতিষ্ঠানটির তিন সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিম রাজশাহী এসে কাজ করছেন।
মারা যাওয়া শিশুদের নাম মুনতাহা মারিশা ও মুফতাউল মাশিয়া। আগামী ২ মার্চ দুই বছর পূর্ণ হতো মুনতাহা মারিশার। আর ৩০মে পাঁচ বছর হতো মুফতাউল মাশিয়ার বয়স। মারা যাওয়া দুই বোনকে গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামে পাশাপাশি কবর দেওয়া হয়েছে। মারা যাওয়া শিশুদের বাবা মঞ্জুর হোসেন ও মা পলি খাতুন। মঞ্জুর হোসেন রাজশাহীর চারঘাটের সারদাহ ক্যাডেট কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষক। তারা ওই ক্যাডেট কলেজের কোয়ার্টারে থাকেন। অজানা রোগে দুই শিশু সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় তাদেরকে হাসপাতালের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে আইসোলেশনে রাখা হয়।
জানা যায়, আইইডিসিআর থেকে আসা এই বিশেষজ্ঞ দল সোমবার সকাল ১০টা থেকে রামেক হাসপাতালের ৩০ নম্বর নিপাহ আইসোলেশান ওয়ার্ডে থাকা মঞ্জুর রহমান ও পলি খাতুনের সঙ্গে কথা বলেন। তারা মারা যাওয়া শিশু দুটি ও তাদের বাবা-মায়ের রোগের কেস হিস্ট্রির বিষয়ে শোনেন। এছাড়া মৃত দুই শিশুর পাকস্থলী থেকে সংগ্রহ করে রাখা নমুনা নিয়েছেন। এ সময় রামেক হাসপাতালের পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরাও আইইডিসিয়ারের বিশেষজ্ঞ টিমের সঙ্গে কথা বলেন। তবে এনিয়ে ওই বিশেষজ্ঞ টিম গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো ধরনের কথা বলেনি।
এদিকে, রামেক হাসপাতালের ৩০নং ওয়ার্ডের আইসোলেশনে থাকা শিশু দুটির বাবা-মাকে ছেড়ে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সোমবার বেলা ১১টার দিকে তাদেরকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের (আইসিইউ) ইনচার্জ ডা. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘গত রবিবার শিশু দুটির মায়ের শরীরে হালকা জ্বর ছিল। সোমবার তারা বেশ সুস্থ থাকায় তাদেরকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হয়েছে। তবে বাড়িতেও তাদেরকে আপাতত আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়েছে। কেননা- আমরা বলছি বাচ্চা দুটি অজানা এক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। কিন্তু অজানা সেই ভাইরাসটি আসলে কী সেটি কিন্তু এখন পর্যন্ত আইডেন্টিফাই করা সম্ভব হয়নি। ভাইরাস শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত তাদেরকে পরিবারের লোকজন থেকে আলাদা থাকতে বলা হয়েছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কিছু নমুনা আমরা রামেক হাসপাতালে যে ল্যাব রয়েছে সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি। আবার কিছু ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সবগুলো নমুনার ফলাফল আমরা এখনও হাতে পাইনি। সুতরাং কোন জীবাণুতে আক্রান্ত হয়ে শিশু দুটি মারা গেছে তা শনাক্ত করা যায়নি। আবার অধিকতর তদন্তের জন্য ঢাকার বিশেষজ্ঞ টিম দিনব্যাপী রামেক হাসপাতাল ও ক্যাডেট কলেজ থেকে নমুনা ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন। সবকিছু মিলেই আমরা আসলে চেষ্টা করছি কী কারণে আসলে শিশু দুটির মৃত্যু হয়েছে তা জানার।’
রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএফএম শামীম আহাম্মদ বলেন, ‘মৃত দুই শিশু আসলে কোনো অজানা রোগে আক্রান্ত ছিল কি-না তার সঠিক কারণ বের করা প্রয়োজন। তাই আইইডিসিআর এর তিন সদস্য অধিকতর তদন্তের জন্য রাজশাহীতে কাজ করছেন। তারা সেমবার আমাদের এবং শিশু দুটির বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। মৃত্যুর সঠিক কারণ বের করতে তারা কাজ করছেন। ঢাকায় পাঠানো আগের নমুনাও পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এছাড়া মৃত শিশুর পাকস্থলীর খাবারের নমুনা হাসপাতালে সংরক্ষণ করে রাখা ছিল। এই নমুনাও তদন্ত টিম সংগ্রহ করেছেন। এটি ঢাকার ল্যাবে পাঠিয়ে পরীক্ষা করে দেখা হবে যে, খাবারে কোনো বিষক্রিয়া ছিল কিনা।’
তিনি আরও বলেন, তিন সদস্যের এই তদন্ত দল রামেক হাসপাতালে প্রয়োজনীয় কাজ এবং নমুনা সংগ্রহ করে জেলার চারঘাটে অবস্থিত রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে যান। সেখানে শিশু দুটি ও তার বাবা-মা যেই কোয়ার্টারে থাকতেন সেখানকার কিছু তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেন। পরে তদন্ত দল শিশু দুটির পরিচর্যার জন্য যে গৃহপরিচারিকা ছিলেন তার সঙ্গে এবং রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন।’
উল্লেখ্য, মারা যাওয়া দুই শিশুকে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ক্যাডেট কলেজ ক্যাম্পাসের গাছতলা থেকে বরই কুড়িয়ে এনে খেতে দিয়েছিলেন গৃহকর্মী। বরইগুলো ধোয়া ছিল না। বরই খাওয়ার পরদিন বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) হঠাৎ ছোট মারিশার গায়ে জ্বর আসে এবং বমি করতে থাকেন। পরে ওইদিনই হাসপাতালে নেয়ার পথে শিশুটি মারা যায়। এর দুদিন পর শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) মাশিয়ারও জ্বর ও বমি শুরু হয়। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হয়ে রামেক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। পরদিন শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাশিয়াও মারা যায়।

অজানা রোগে আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে তিন দিনের ব্যবধানে একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে নেমেছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। সোমবার ঢাকা থেকে আসা প্রতিষ্ঠানটির তিন সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিম রাজশাহী এসে কাজ করছেন।
মারা যাওয়া শিশুদের নাম মুনতাহা মারিশা ও মুফতাউল মাশিয়া। আগামী ২ মার্চ দুই বছর পূর্ণ হতো মুনতাহা মারিশার। আর ৩০মে পাঁচ বছর হতো মুফতাউল মাশিয়ার বয়স। মারা যাওয়া দুই বোনকে গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামে পাশাপাশি কবর দেওয়া হয়েছে। মারা যাওয়া শিশুদের বাবা মঞ্জুর হোসেন ও মা পলি খাতুন। মঞ্জুর হোসেন রাজশাহীর চারঘাটের সারদাহ ক্যাডেট কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষক। তারা ওই ক্যাডেট কলেজের কোয়ার্টারে থাকেন। অজানা রোগে দুই শিশু সন্তানের মৃত্যুর ঘটনায় তাদেরকে হাসপাতালের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে আইসোলেশনে রাখা হয়।
জানা যায়, আইইডিসিআর থেকে আসা এই বিশেষজ্ঞ দল সোমবার সকাল ১০টা থেকে রামেক হাসপাতালের ৩০ নম্বর নিপাহ আইসোলেশান ওয়ার্ডে থাকা মঞ্জুর রহমান ও পলি খাতুনের সঙ্গে কথা বলেন। তারা মারা যাওয়া শিশু দুটি ও তাদের বাবা-মায়ের রোগের কেস হিস্ট্রির বিষয়ে শোনেন। এছাড়া মৃত দুই শিশুর পাকস্থলী থেকে সংগ্রহ করে রাখা নমুনা নিয়েছেন। এ সময় রামেক হাসপাতালের পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরাও আইইডিসিয়ারের বিশেষজ্ঞ টিমের সঙ্গে কথা বলেন। তবে এনিয়ে ওই বিশেষজ্ঞ টিম গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো ধরনের কথা বলেনি।
এদিকে, রামেক হাসপাতালের ৩০নং ওয়ার্ডের আইসোলেশনে থাকা শিশু দুটির বাবা-মাকে ছেড়ে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সোমবার বেলা ১১টার দিকে তাদেরকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের (আইসিইউ) ইনচার্জ ডা. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘গত রবিবার শিশু দুটির মায়ের শরীরে হালকা জ্বর ছিল। সোমবার তারা বেশ সুস্থ থাকায় তাদেরকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হয়েছে। তবে বাড়িতেও তাদেরকে আপাতত আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়েছে। কেননা- আমরা বলছি বাচ্চা দুটি অজানা এক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। কিন্তু অজানা সেই ভাইরাসটি আসলে কী সেটি কিন্তু এখন পর্যন্ত আইডেন্টিফাই করা সম্ভব হয়নি। ভাইরাস শনাক্ত না হওয়া পর্যন্ত তাদেরকে পরিবারের লোকজন থেকে আলাদা থাকতে বলা হয়েছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কিছু নমুনা আমরা রামেক হাসপাতালে যে ল্যাব রয়েছে সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি। আবার কিছু ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সবগুলো নমুনার ফলাফল আমরা এখনও হাতে পাইনি। সুতরাং কোন জীবাণুতে আক্রান্ত হয়ে শিশু দুটি মারা গেছে তা শনাক্ত করা যায়নি। আবার অধিকতর তদন্তের জন্য ঢাকার বিশেষজ্ঞ টিম দিনব্যাপী রামেক হাসপাতাল ও ক্যাডেট কলেজ থেকে নমুনা ও তথ্য সংগ্রহ করেছেন। সবকিছু মিলেই আমরা আসলে চেষ্টা করছি কী কারণে আসলে শিশু দুটির মৃত্যু হয়েছে তা জানার।’
রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএফএম শামীম আহাম্মদ বলেন, ‘মৃত দুই শিশু আসলে কোনো অজানা রোগে আক্রান্ত ছিল কি-না তার সঠিক কারণ বের করা প্রয়োজন। তাই আইইডিসিআর এর তিন সদস্য অধিকতর তদন্তের জন্য রাজশাহীতে কাজ করছেন। তারা সেমবার আমাদের এবং শিশু দুটির বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। মৃত্যুর সঠিক কারণ বের করতে তারা কাজ করছেন। ঢাকায় পাঠানো আগের নমুনাও পুনরায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এছাড়া মৃত শিশুর পাকস্থলীর খাবারের নমুনা হাসপাতালে সংরক্ষণ করে রাখা ছিল। এই নমুনাও তদন্ত টিম সংগ্রহ করেছেন। এটি ঢাকার ল্যাবে পাঠিয়ে পরীক্ষা করে দেখা হবে যে, খাবারে কোনো বিষক্রিয়া ছিল কিনা।’
তিনি আরও বলেন, তিন সদস্যের এই তদন্ত দল রামেক হাসপাতালে প্রয়োজনীয় কাজ এবং নমুনা সংগ্রহ করে জেলার চারঘাটে অবস্থিত রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে যান। সেখানে শিশু দুটি ও তার বাবা-মা যেই কোয়ার্টারে থাকতেন সেখানকার কিছু তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেন। পরে তদন্ত দল শিশু দুটির পরিচর্যার জন্য যে গৃহপরিচারিকা ছিলেন তার সঙ্গে এবং রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন।’
উল্লেখ্য, মারা যাওয়া দুই শিশুকে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ক্যাডেট কলেজ ক্যাম্পাসের গাছতলা থেকে বরই কুড়িয়ে এনে খেতে দিয়েছিলেন গৃহকর্মী। বরইগুলো ধোয়া ছিল না। বরই খাওয়ার পরদিন বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) হঠাৎ ছোট মারিশার গায়ে জ্বর আসে এবং বমি করতে থাকেন। পরে ওইদিনই হাসপাতালে নেয়ার পথে শিশুটি মারা যায়। এর দুদিন পর শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) মাশিয়ারও জ্বর ও বমি শুরু হয়। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হয়ে রামেক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। পরদিন শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাশিয়াও মারা যায়।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীতে রোববার (৩ মে) পানির স্তর ছিল ৩.১৬ মিটার। আজ (সোমবার) বেড়ে হয়েছে ৩.২৬ মিটার। চামড়াঘাট পয়েন্টে মগড়া নদীতে গতকালের পানির স্তর ২.৭৮ মিটার থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২.৯৫ মিটারে। রোববার অষ্টগ্রামে কালনী নদীর পানির
২ দিন আগে
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা অটোরিকশার সঙ্গে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা সুনামগঞ্জগামী রিফাত পরিবহন নামের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসের নিচে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি চাপা পড়ে। এসময় ঘটনাস্থলেই দুই যাত্রীর মৃত্যু হয়। ৩ জনকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর ত
২ দিন আগে
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় স্বামীর সঙ্গে আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে এক গৃহবধূকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সময় জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে স্বামীর কল পেয়ে পুলিশ এসে ওই নারীকে উদ্ধার ও চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
২ দিন আগে
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নওশিন জান্নাত নামের এক আন্দোলনকারী বলেন, ‘আমরা রাস্তায় নামতে চাই না, আমরা শুধু আমাদের টাকা ফেরত চাই। এভাবে চলতে থাকলে গ্রাহকদের আস্থা হারাবে ব্যাংক খাত, দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
২ দিন আগে