
সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে ভারত। দেশটিতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সাজাভোগ শেষে তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (২৬ আাগস্ট) বিকেলে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে তাদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সদস্যরা উপস্থিতি ছিলেন।
ফিরে আসা ছয়জন হলেন— ঢাকার কদমতলী থানার মো. জাকির হোসেনের ছেলে মো. সাকিব (২৩), সুনামগঞ্জের ছাতক থানার সিরাজ আলীর ছেলে আলিম উদ্দিন (২৯), নারায়ণগঞ্জের মো. আলাউদ্দিনের ছেলে এমদাদুল হক (৪৩), রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার মো. মফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. তফিজুল ইসলাম (৪৭), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. মামলত হোসেন (৩৪) ও রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার মনিরুল ইসলামের ছেলে মো. রিহাম (১৯)।
তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ জানিয়েছে, ছয় বাংলাদেশি বিভিন্ন সময়ে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও জামালপুর জেলার সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। অনুপ্রবেশের দায়ে তাকে আটক করে ভারতীয় পুলিশ। আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে তামাবিল ইমিগ্রেশন জানিয়েছে, ভারতে মেঘালয় রাজ্যের শিলং জেলা কারাগারে তিনজন ও মেঘালয় রাজ্যের ওয়েস্ট গারো হিলস জেলার তুরা কারাগারে বাকি তিনজন বন্দি ছিলেন। কারাভোগ শেষে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাদের ফেরত পাঠাল আজ বুধবার।
তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বজলুর রশিদ জানান, বিজিবি, বিএসএফ ও উভয় দেশের পুলিশের উপস্থিতিতে ছয় বাংলাদেশিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ফেরত নেওয়া হয়েছে। পরে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে ভারত। দেশটিতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সাজাভোগ শেষে তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (২৬ আাগস্ট) বিকেলে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে তাদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সদস্যরা উপস্থিতি ছিলেন।
ফিরে আসা ছয়জন হলেন— ঢাকার কদমতলী থানার মো. জাকির হোসেনের ছেলে মো. সাকিব (২৩), সুনামগঞ্জের ছাতক থানার সিরাজ আলীর ছেলে আলিম উদ্দিন (২৯), নারায়ণগঞ্জের মো. আলাউদ্দিনের ছেলে এমদাদুল হক (৪৩), রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার মো. মফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. তফিজুল ইসলাম (৪৭), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. মামলত হোসেন (৩৪) ও রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার মনিরুল ইসলামের ছেলে মো. রিহাম (১৯)।
তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ জানিয়েছে, ছয় বাংলাদেশি বিভিন্ন সময়ে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও জামালপুর জেলার সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। অনুপ্রবেশের দায়ে তাকে আটক করে ভারতীয় পুলিশ। আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে তামাবিল ইমিগ্রেশন জানিয়েছে, ভারতে মেঘালয় রাজ্যের শিলং জেলা কারাগারে তিনজন ও মেঘালয় রাজ্যের ওয়েস্ট গারো হিলস জেলার তুরা কারাগারে বাকি তিনজন বন্দি ছিলেন। কারাভোগ শেষে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাদের ফেরত পাঠাল আজ বুধবার।
তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বজলুর রশিদ জানান, বিজিবি, বিএসএফ ও উভয় দেশের পুলিশের উপস্থিতিতে ছয় বাংলাদেশিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ফেরত নেওয়া হয়েছে। পরে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, ট্রলারডুবির ঘটনায় নিউজিল্যান্ড থেকে আসা একটি পরিবারের তিন সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে থাকা এক কিশোর সাগরে তলিয়ে গেলে তাকে উদ্ধারে অভিযান চলছে।
১ দিন আগে
এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে কুয়াকাটা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্রে হাইরের চরসংলগ্ন এলাকায় এফবি বরকত ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় আট জেলেকে উদ্ধার করা গেলেও ট্রলারে থাকা আরও পাঁচ জেলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার নিলখী এলাকায় নদে শিশুটির লাশ ভাসতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।
২ দিন আগে
নিহত সাইফুল ইসলাম ওই এলাকার আবেদ আলী মণ্ডলের ছেলে। তিনি নুনগোলা ইউনিয়ন পরিষদের দুইবারের সাবেক সদস্য ছিলেন। পেশায় খামারি সাইফুলের মরদেহ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
২ দিন আগে