
যশোর প্রতিনিধি

যশোরের চৌগাছায় এক দোকানে অবৈধভাবে মজুত করা ২৭১ বস্তা সারের সন্ধান পাওয়া গেছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালেতের অভিযান চালিয়ে সারগুলো জব্দ করে ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। সার বিক্রির টাকা জমা দেওয়া হয়েছে সরকারি কোষাগারে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে চৌগাছা পৌর শহরের পারবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই সার জব্দ করা হয়। এ সময় অবৈধভাবে সার মজুত করার দায়ে দোকানের মালিক খাইরুল ইসলামকে (৪৫) ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
চৌগাছার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি এম এ মুনিব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসাব্বির হুসাইন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, চৌগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হোসেন পাটোয়ারী, চৌগাছা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম রেজা আওলিয়ার, উপজেলা সার ডিলার সমিতির সভাপতি ইউনূস আলীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানের সময় খাইরুল ইসলামের দোকানে ২৮ বস্তা এমওপি, ১৪৭ বস্তা টিএসপি, ৯ বস্তা ডিএপি ও ৮৭ বস্তা ইউরিয়াসহ মোট ২৭১ বস্তা সার পাওয়া যায়। তবে এসব সার মজুতের বিপরীতে বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি খাইরুল।
প্রশাসজ জানিয়েছে, ওই দোকান থেকে যে পরিমাণ সার জব্দ করা হয়েছে তার বাজারমূল্য তিন লাখ ৫৩ হাজার ৩৫০ টাকা। ভ্রাম্যমাণ আদালত সারগুলো করে সরকারি এই দামেই কৃষকদের কাছে বিক্রি করে দেন।

যশোরের চৌগাছায় এক দোকানে অবৈধভাবে মজুত করা ২৭১ বস্তা সারের সন্ধান পাওয়া গেছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালেতের অভিযান চালিয়ে সারগুলো জব্দ করে ন্যায্যমূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। সার বিক্রির টাকা জমা দেওয়া হয়েছে সরকারি কোষাগারে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে চৌগাছা পৌর শহরের পারবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই সার জব্দ করা হয়। এ সময় অবৈধভাবে সার মজুত করার দায়ে দোকানের মালিক খাইরুল ইসলামকে (৪৫) ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
চৌগাছার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি এম এ মুনিব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসাব্বির হুসাইন, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, চৌগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হোসেন পাটোয়ারী, চৌগাছা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম রেজা আওলিয়ার, উপজেলা সার ডিলার সমিতির সভাপতি ইউনূস আলীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানের সময় খাইরুল ইসলামের দোকানে ২৮ বস্তা এমওপি, ১৪৭ বস্তা টিএসপি, ৯ বস্তা ডিএপি ও ৮৭ বস্তা ইউরিয়াসহ মোট ২৭১ বস্তা সার পাওয়া যায়। তবে এসব সার মজুতের বিপরীতে বৈধ কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি খাইরুল।
প্রশাসজ জানিয়েছে, ওই দোকান থেকে যে পরিমাণ সার জব্দ করা হয়েছে তার বাজারমূল্য তিন লাখ ৫৩ হাজার ৩৫০ টাকা। ভ্রাম্যমাণ আদালত সারগুলো করে সরকারি এই দামেই কৃষকদের কাছে বিক্রি করে দেন।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, ট্রলারডুবির ঘটনায় নিউজিল্যান্ড থেকে আসা একটি পরিবারের তিন সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে থাকা এক কিশোর সাগরে তলিয়ে গেলে তাকে উদ্ধারে অভিযান চলছে।
১ দিন আগে
এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে কুয়াকাটা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্রে হাইরের চরসংলগ্ন এলাকায় এফবি বরকত ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় আট জেলেকে উদ্ধার করা গেলেও ট্রলারে থাকা আরও পাঁচ জেলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার নিলখী এলাকায় নদে শিশুটির লাশ ভাসতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।
২ দিন আগে
নিহত সাইফুল ইসলাম ওই এলাকার আবেদ আলী মণ্ডলের ছেলে। তিনি নুনগোলা ইউনিয়ন পরিষদের দুইবারের সাবেক সদস্য ছিলেন। পেশায় খামারি সাইফুলের মরদেহ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
২ দিন আগে