
বরগুনা প্রতিনিধি

বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে বরগুনার পাথরঘাটার ‘এফবি বরকত’ নামে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যাওয়ার ঘটনায় পরদিন নিখোঁজ পাঁচ জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আলীম ও বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে গভীর সমুদ্র থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে কুয়াকাটা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্রে হাইরের চরসংলগ্ন এলাকায় এফবি বরকত ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় আট জেলেকে উদ্ধার করা গেলেও ট্রলারে থাকা আরও পাঁচ জেলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার যে পাঁচ জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তারা হলেন— নুর আলম (৪০), কাওসার (৩০), ইব্রাহিম মাঝি (২৮), সাইকুল (৩০) ও বেল্লাল (২২)। তাদের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার গহরপুর, হাড়িটানা ও বাদুরতলা এলাকায়। সোমবার যে আটজনকে উদ্ধার করা হয়েছিল, তাদের বাড়িও পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন বলেন, নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সহায়তায় সাগর থেকে মরদেহগুলো তীরে আনা হচ্ছে। পাথরঘাটায় পৌঁছাতে বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে।
পাথরঘাটা থানার ওসি আবদুল আলীম বলেন, মরদেহগুলো পাথরঘাটায় নিয়ে আসা হচ্ছে বলে খবর পেয়েছি। মরদেহগুলো পেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এফবি বরকত ট্রলারের মালিক ও মাঝিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে পাথরঘাটা থেকে এফবি বরকত ট্রলারটি ১৩ জেলেকে নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে সোমবার সেটি ডুবে যায়।
ওই সময় আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও বাকি পাঁচজন নিখোঁজ ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে তাদের উদ্ধার করতে ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে একটি উদ্ধারকারী ট্রলার গভীর সমুদ্রে পাঠানো হয়।

বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে বরগুনার পাথরঘাটার ‘এফবি বরকত’ নামে একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে যাওয়ার ঘটনায় পরদিন নিখোঁজ পাঁচ জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আলীম ও বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে গভীর সমুদ্র থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে কুয়াকাটা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে গভীর সমুদ্রে হাইরের চরসংলগ্ন এলাকায় এফবি বরকত ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় আট জেলেকে উদ্ধার করা গেলেও ট্রলারে থাকা আরও পাঁচ জেলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার যে পাঁচ জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তারা হলেন— নুর আলম (৪০), কাওসার (৩০), ইব্রাহিম মাঝি (২৮), সাইকুল (৩০) ও বেল্লাল (২২)। তাদের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার গহরপুর, হাড়িটানা ও বাদুরতলা এলাকায়। সোমবার যে আটজনকে উদ্ধার করা হয়েছিল, তাদের বাড়িও পাথরঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন বলেন, নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সহায়তায় সাগর থেকে মরদেহগুলো তীরে আনা হচ্ছে। পাথরঘাটায় পৌঁছাতে বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে।
পাথরঘাটা থানার ওসি আবদুল আলীম বলেন, মরদেহগুলো পাথরঘাটায় নিয়ে আসা হচ্ছে বলে খবর পেয়েছি। মরদেহগুলো পেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এফবি বরকত ট্রলারের মালিক ও মাঝিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে পাথরঘাটা থেকে এফবি বরকত ট্রলারটি ১৩ জেলেকে নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়ে প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে সোমবার সেটি ডুবে যায়।
ওই সময় আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও বাকি পাঁচজন নিখোঁজ ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে তাদের উদ্ধার করতে ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে একটি উদ্ধারকারী ট্রলার গভীর সমুদ্রে পাঠানো হয়।

অপহৃত জেলেরা হলেন বাগেরহাটের শরণখোলার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৩৮), শিহাব হাওলাদার (৩৫), সাব্বির হাওলাদার (৩০), রিপন হাওলাদার (২৮) এবং উত্তর রাজাপুর গ্রামের জাকির হাওলাদার (৪০)।
২ দিন আগে
রোববার (২৩ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানান আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ। গ্রেপ্তার দুজন হলেন নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার মুগ্ধ দাস ও তাঁর মামাতো ভাইয়ের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস। জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।
২ দিন আগে
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) সদর দপ্তরের সামনে সড়কে অবস্থান নেন তারা। এতে বনানী থেকে মহাখালীগামী যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
২ দিন আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
২ দিন আগে