
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কর্মস্থলে নিরাপত্তাসহ ১১ দফা দাবিতে রাজশাহীতেও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন পুলিশের সাধারণ সদস্যরা। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী পুলিশ লাইন্সে বিক্ষোভ করেন তারা। এসময় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মস্থলে ফিরবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
এদিকে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ সদস্যদের কর্মস্থলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি, রাজশাহী শাখা। আজ শনিবার দুপুরে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরইউজে) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানান তারা।
জানা যায়, ১১ দফা দাবিতে আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী পুলিশ লাইন্সে কর্মবিরতির পাশাপাশি বিক্ষোভ মিছিল করেন পুলিশের সাধারণ সদস্যরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মস্থলে ফিরবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
বিক্ষোভকালে পুলিশ সদস্যরা ‘যদি হয় সংস্কার, পুলিশ হবে জনতার’, ‘আমার ভাই মরলো কেন, বিসিএস জবাব চাই’, ‘আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’ সহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
এ সময় পুলিশের কনস্টেবল জীবন ইসলাম বলেন, এখানে আন্দোলনকারীদের সবাই বাংলাদেশ পুলিশের নিম্নপদস্থ কর্মকর্তা। কনস্টেবল থেকে শুরু করে ইন্সপেক্টর পর্যন্ত সবাই আমরা আছি। আমাদের আজকের মূল দাবি হচ্ছে, বর্তমান সরকার প্রধান ড. মোহাম্মদ ইউনূস, তিনিও বাংলাদেশকে ঢেলে সাজাবেন। আমরা চাই, ১১ দফার মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশও সংস্কার হোক। সে কারণেই আমাদের স্লোগান হয়েছে, ‘যদি হয় সংস্কার, পুলিশ হবে জনতার’। সাধারণ মানুষেরও প্রত্যাশা পুলিশ হবে জনতার। পুলিশ বর্তমানে যেভাবে চলে এমন থাকলে কখনো জনতার হবে না, সংস্কারও হবে না।
এদিকে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ সদস্যদের কর্মে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি রাজশাহী শাখার সদস্যরা। শনিবার দুপুরে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখত বক্তব্য পাঠ করেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি রাজশাহীর সদস্য মাহবুবউল কুদ্দুস সিদ্দিকী। তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী বিপ্লবী ছাত্র সমাজ ও সংগ্রামী সকল শ্রেণি পেশার মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে এক কুখ্যাত স্বৈরতান্ত্রিক শাসকের পতন ঘটিয়েছে। এই আন্দোলনে শেখ হাসিনা জনগণের রক্ষক পুলিশ বাহিনীকে দলীয়করণের ঘৃণ্য কাজ করেছে। পাশাপাশি অতি উৎসাহী কিছু পুলিশ সদস্যও ছাত্র-জনতার উপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। যা চরমভাবে নিন্দনীয়।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে যেন আর দলীয়করণে ব্যবহার করা না হয়। জনগণের সেবক হিসেবে গড়ে উঠুক প্রতিটি পুলিশ সদস্য।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি রাজশাহীর শাখার সভাপতি এজাজ আহম্মেদ খান, সাধারণ সম্পাদক কে এম হাসিবুর রহমার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ জামাল কাদেরী প্রমুখ।

কর্মস্থলে নিরাপত্তাসহ ১১ দফা দাবিতে রাজশাহীতেও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন পুলিশের সাধারণ সদস্যরা। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী পুলিশ লাইন্সে বিক্ষোভ করেন তারা। এসময় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মস্থলে ফিরবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
এদিকে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ সদস্যদের কর্মস্থলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি, রাজশাহী শাখা। আজ শনিবার দুপুরে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরইউজে) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানান তারা।
জানা যায়, ১১ দফা দাবিতে আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী পুলিশ লাইন্সে কর্মবিরতির পাশাপাশি বিক্ষোভ মিছিল করেন পুলিশের সাধারণ সদস্যরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মস্থলে ফিরবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
বিক্ষোভকালে পুলিশ সদস্যরা ‘যদি হয় সংস্কার, পুলিশ হবে জনতার’, ‘আমার ভাই মরলো কেন, বিসিএস জবাব চাই’, ‘আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’ সহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
এ সময় পুলিশের কনস্টেবল জীবন ইসলাম বলেন, এখানে আন্দোলনকারীদের সবাই বাংলাদেশ পুলিশের নিম্নপদস্থ কর্মকর্তা। কনস্টেবল থেকে শুরু করে ইন্সপেক্টর পর্যন্ত সবাই আমরা আছি। আমাদের আজকের মূল দাবি হচ্ছে, বর্তমান সরকার প্রধান ড. মোহাম্মদ ইউনূস, তিনিও বাংলাদেশকে ঢেলে সাজাবেন। আমরা চাই, ১১ দফার মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশও সংস্কার হোক। সে কারণেই আমাদের স্লোগান হয়েছে, ‘যদি হয় সংস্কার, পুলিশ হবে জনতার’। সাধারণ মানুষেরও প্রত্যাশা পুলিশ হবে জনতার। পুলিশ বর্তমানে যেভাবে চলে এমন থাকলে কখনো জনতার হবে না, সংস্কারও হবে না।
এদিকে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ সদস্যদের কর্মে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি রাজশাহী শাখার সদস্যরা। শনিবার দুপুরে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখত বক্তব্য পাঠ করেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি রাজশাহীর সদস্য মাহবুবউল কুদ্দুস সিদ্দিকী। তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী বিপ্লবী ছাত্র সমাজ ও সংগ্রামী সকল শ্রেণি পেশার মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে এক কুখ্যাত স্বৈরতান্ত্রিক শাসকের পতন ঘটিয়েছে। এই আন্দোলনে শেখ হাসিনা জনগণের রক্ষক পুলিশ বাহিনীকে দলীয়করণের ঘৃণ্য কাজ করেছে। পাশাপাশি অতি উৎসাহী কিছু পুলিশ সদস্যও ছাত্র-জনতার উপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। যা চরমভাবে নিন্দনীয়।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ পুলিশকে যেন আর দলীয়করণে ব্যবহার করা না হয়। জনগণের সেবক হিসেবে গড়ে উঠুক প্রতিটি পুলিশ সদস্য।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি রাজশাহীর শাখার সভাপতি এজাজ আহম্মেদ খান, সাধারণ সম্পাদক কে এম হাসিবুর রহমার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ জামাল কাদেরী প্রমুখ।

তারা বলেন, একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হওয়ার যে অনন্য ইতিহাস, বেগম খালেদা জিয়া তা নিজের জীবন দিয়ে রচনা করে গেছেন। তিনি ক্ষমতার মোহে রাজনীতিতে আসেননি; ইতিহাসের নির্মম ডাকেই তাঁকে নেতৃত্বের ভার কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হারানোর শোক তাঁকে ভেঙে দেয়নি, ব
১ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১৭ জন বাংলাদেশিকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। পরে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তাদের আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
১ দিন আগে
বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র।
১ দিন আগে
তিনি বলেন, 'মা খালেদা জিয়া আমাকে রাজনীতিতে গড়ে তুলেছেন। ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হিসেবেও দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছি তাঁর কারণেই।'
১ দিন আগে