
খান সুজন, শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ফুলকপি চাষে স্থানীয়দের আগ্রহ বাড়ছে। বিস্তীর্ণ আড়িয়ল বিলের ভিটায় ও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আগাম ফুলকপি চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন কৃষকরা। এর মধ্যে উপজেলার পাটাভোগ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হাজী রফিকুল ইসলাম প্রায় ৪ বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষ করে ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন।
শ্রীনগর-মুন্সীগঞ্জ সড়কের পাশে পূর্ব পাটাভোগ চকে ফুলকপিসহ মৌসুমি শাক-সবজির আবাদ করছেন। জমিতে উৎপাদিত ফুলকপি বিক্রি করছেন স্থানীয় পাইকারের কাছে। ১০০ পিস ফুলকপি প্রকার ভেদে বিক্রি করা হচ্ছে ৩০০০-৩৫০০ টাকায়। সেই হিসাবে ফুলকপির পিসের
মূল্য ধরা হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকা। স্থানীয় হাটবাজারে এসব ফুলকপির খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা। তবে প্রকার ভেদে এর মূল্য কিছুটা কম বেশি হতে পারে।
কৃষক হাজী রফিকুল ইসলাম জানান, ৫ বছর ধরে মৌসুমি শাক-সবজির চাষ করছেন। এবারও ফুলকপির চাষ করে সফলতা পাচ্ছেন। জমি থেকে ফুলকপি তুলে রাখা হচ্ছে। স্থানীয় সবজির পাইকারের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। ফ্রেস জাতের ফুলকপির বীজ সংগ্রহ করে নিজেই বীজতলা প্রস্তুত করে চারা করেছেন। প্রায় ৪ বিঘা জমিতে এসব রোপণ করেন। তার সর্বমোট খরচ হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। ফুলকপির ক্ষেতিতে প্রায় ৫ লাখ টাকা লাভের সম্ভাবনা দেখছেন তিনি।
জানা গেছে, আড়িয়ল বিল এলাকার শ্যামসিদ্ধি, গাদিঘাট, শ্রীধরপুর, মদনখালী, বাড়ৈখালী, আলমপুর ও উপজেলার কল্লিগাঁও, তন্তরের পানিয়া, রুসদী, পাঁচলদিয়া, জুরাসার, বনগাঁও এলাকার বিভিন্ন জমিতে ফুলকপি চাষ করে স্থানীয়রা স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
কৃষকরা জানান, এ বছর ফুলকপির কাঙ্ক্ষিত ফলন ও দাম পাওয়ায় অধিক লাভবান হন। জমিতে প্রতি ফুলকপির উৎপাদন খরচ ধরা হচ্ছে ৭-১০ টাকা।
স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ৬৬০ হেক্টর জমিতে ফুলকপিসহ মৌসুমি শাক-সবজির আবাদ করা হয়েছে। বছরের প্রথম দিকে ঝূর্ণিঝড় ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে প্রায় ৩৩০ হেক্টর জমি সবজির আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ফুলকপি চাষে স্থানীয়দের আগ্রহ বাড়ছে। বিস্তীর্ণ আড়িয়ল বিলের ভিটায় ও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আগাম ফুলকপি চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন কৃষকরা। এর মধ্যে উপজেলার পাটাভোগ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হাজী রফিকুল ইসলাম প্রায় ৪ বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষ করে ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন।
শ্রীনগর-মুন্সীগঞ্জ সড়কের পাশে পূর্ব পাটাভোগ চকে ফুলকপিসহ মৌসুমি শাক-সবজির আবাদ করছেন। জমিতে উৎপাদিত ফুলকপি বিক্রি করছেন স্থানীয় পাইকারের কাছে। ১০০ পিস ফুলকপি প্রকার ভেদে বিক্রি করা হচ্ছে ৩০০০-৩৫০০ টাকায়। সেই হিসাবে ফুলকপির পিসের
মূল্য ধরা হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকা। স্থানীয় হাটবাজারে এসব ফুলকপির খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা। তবে প্রকার ভেদে এর মূল্য কিছুটা কম বেশি হতে পারে।
কৃষক হাজী রফিকুল ইসলাম জানান, ৫ বছর ধরে মৌসুমি শাক-সবজির চাষ করছেন। এবারও ফুলকপির চাষ করে সফলতা পাচ্ছেন। জমি থেকে ফুলকপি তুলে রাখা হচ্ছে। স্থানীয় সবজির পাইকারের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। ফ্রেস জাতের ফুলকপির বীজ সংগ্রহ করে নিজেই বীজতলা প্রস্তুত করে চারা করেছেন। প্রায় ৪ বিঘা জমিতে এসব রোপণ করেন। তার সর্বমোট খরচ হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। ফুলকপির ক্ষেতিতে প্রায় ৫ লাখ টাকা লাভের সম্ভাবনা দেখছেন তিনি।
জানা গেছে, আড়িয়ল বিল এলাকার শ্যামসিদ্ধি, গাদিঘাট, শ্রীধরপুর, মদনখালী, বাড়ৈখালী, আলমপুর ও উপজেলার কল্লিগাঁও, তন্তরের পানিয়া, রুসদী, পাঁচলদিয়া, জুরাসার, বনগাঁও এলাকার বিভিন্ন জমিতে ফুলকপি চাষ করে স্থানীয়রা স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
কৃষকরা জানান, এ বছর ফুলকপির কাঙ্ক্ষিত ফলন ও দাম পাওয়ায় অধিক লাভবান হন। জমিতে প্রতি ফুলকপির উৎপাদন খরচ ধরা হচ্ছে ৭-১০ টাকা।
স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ৬৬০ হেক্টর জমিতে ফুলকপিসহ মৌসুমি শাক-সবজির আবাদ করা হয়েছে। বছরের প্রথম দিকে ঝূর্ণিঝড় ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে প্রায় ৩৩০ হেক্টর জমি সবজির আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীতে রোববার (৩ মে) পানির স্তর ছিল ৩.১৬ মিটার। আজ (সোমবার) বেড়ে হয়েছে ৩.২৬ মিটার। চামড়াঘাট পয়েন্টে মগড়া নদীতে গতকালের পানির স্তর ২.৭৮ মিটার থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২.৯৫ মিটারে। রোববার অষ্টগ্রামে কালনী নদীর পানির
২ দিন আগে
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা অটোরিকশার সঙ্গে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা সুনামগঞ্জগামী রিফাত পরিবহন নামের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসের নিচে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি চাপা পড়ে। এসময় ঘটনাস্থলেই দুই যাত্রীর মৃত্যু হয়। ৩ জনকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর ত
২ দিন আগে
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় স্বামীর সঙ্গে আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে এক গৃহবধূকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সময় জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে স্বামীর কল পেয়ে পুলিশ এসে ওই নারীকে উদ্ধার ও চারজনকে গ্রেপ্তার করে।
২ দিন আগে
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নওশিন জান্নাত নামের এক আন্দোলনকারী বলেন, ‘আমরা রাস্তায় নামতে চাই না, আমরা শুধু আমাদের টাকা ফেরত চাই। এভাবে চলতে থাকলে গ্রাহকদের আস্থা হারাবে ব্যাংক খাত, দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
২ দিন আগে