
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

স্ত্রী, তিন সন্তান ও মাকে নিয়ে থাকতেন পরের জায়গায়। স্ত্রীকে নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে চার বছর আগে এক খণ্ড জমি কিনেছিলেন। সেখানে নতুন মাটি ফেলে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন নতুন ঘর বানানোর। কিন্তু ঘর আর হলো না জামাল উদ্দিনের।
গতকাল শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহের নান্দাইলের ঘোষপালা গ্রামে অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জামালসহ তাঁর দুই সন্তান ও মা প্রাণ হারায়। ঘটনার সময় কাছে থাকলেও বেঁচে যায় তাঁর মেয়ে জান্নাতুল ফারিয়া (৯) ও।
আজ রবিবার সকালে জানাজা শেষে যে স্থানে ঘর করার স্বপ্ন ছিল জামালের, সেই স্থানেই তাঁদের দাফন করা হয়েছে। দাফনকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের সময় বেঁচে যাওয়া শিশু জান্নাতুল কবরের পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় সে চিৎকার করে বলতে থাকে ‘এই ঘরো তোমরা পুতছো (শোয়া), আমারেও লইয়া যাও, আমিও এই নতুন ঘরো থাকবাম। বইন, আব্বা ও দাদু তোমরা আর কত ঘুমাইয়াবা। উইঠ্যা আইয়া পড়ো। না অইলে আমারেও লইয়া যাও। আমি অহন কিবায় থাকবাম’। জান্নাতুলের এমন কথা শুনে উপস্থিত লোকজন কেউই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।
জামালের স্ত্রী মরিয়ম অন্তঃসত্ত্বা। ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। স্বামী, দুই সন্তান ও শাশুড়িকে হারিয়ে তিনি এখন পাগলপ্রায়।
স্থানীয়রা জানায়, জামাল উদ্দিন অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। শনিবার সকালে আটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে দুপুরে বাড়িতে ফিরে এসে ঘরের ভেতরেই অটোরিকশাটি চার্জে বসান। এক পর্যায়ে তিনি বিদ্যুতায়িত হলে বাঁচাতে এগিয়ে যান বৃদ্ধা মা আনোয়ারা খাতুন (৬৫)। তখন তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। বিষয়টি টের পেয়ে বাবা ও দাদিকে বাঁচাতে এগিয়ে যায় ছয় বছর বয়সী শিশু কন্যা ফাইজা ও চার বছর বয়সী শিশু আনিকা। এ সময় তাঁরাও বিদ্যুস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
এলাকাবাসী আরো জানায়, নিজের জমিজমা না থাকায় পরের জায়গায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকতেন জামাল। বছর পাঁচেক আগে একটু ভালো থাকার জন্য কর্মের সন্ধানে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঢাকায় যান। সেখানে নিজে রিকশা চালাতেন ও স্ত্রী মরিয়ম একটি বেসরকারি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নকর্মীর কাজ করতেন। স্বামী-স্ত্রী দুইজনেরর উপার্জন থেকে একটু একটু করে টাকা জমিয়ে নিজ এলাকায় এক খণ্ড জমি কিনেন। এরপর আরও কিছু টাকা জমিয়ে ঘর করবেন, সেজন্য স্ত্রী মরিয়মকে ঢাকায় রেখে তিন সন্তান নিয়ে বাড়ি চলে যান জামাল। স্বপ্ন ছিল নিজের তৈরি করা ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সুখে থাকবেন। কিন্তু বিধিবাম, মুহূর্তেই সব কিছুই ধুলিস্যাৎ হয়ে গেল।
রবিবার সকালে জামালের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, হাজার হাজার মানুষ এসেছেন চারজনের জানাজা পড়তে। একটি ফসলি খেতে জানাজায় আসা হাজার হাজার লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। পাশের একটি বাড়িতে আহাজারি করছেন জামালের স্ত্রী মরিয়ম। আর একটু পর পর হাউমাউ করছেন জামালের বেঁচে যাওয়া মেয়েটি। তাঁকে সান্তনা দিতে এগিয়ে যাচ্ছেন অনেকেই।
নিহত জামালের বড় ভাই নুরুল হক বলেন, আমার ভাই জীবনে খুব কষ্ট করছে। একটা স্বপ্ন ছিল ঘরবাড়ি করে পরিবার নিয়ে একত্রে থাকবেন। কিন্তু তা আর হলো না।

স্ত্রী, তিন সন্তান ও মাকে নিয়ে থাকতেন পরের জায়গায়। স্ত্রীকে নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে চার বছর আগে এক খণ্ড জমি কিনেছিলেন। সেখানে নতুন মাটি ফেলে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন নতুন ঘর বানানোর। কিন্তু ঘর আর হলো না জামাল উদ্দিনের।
গতকাল শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহের নান্দাইলের ঘোষপালা গ্রামে অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জামালসহ তাঁর দুই সন্তান ও মা প্রাণ হারায়। ঘটনার সময় কাছে থাকলেও বেঁচে যায় তাঁর মেয়ে জান্নাতুল ফারিয়া (৯) ও।
আজ রবিবার সকালে জানাজা শেষে যে স্থানে ঘর করার স্বপ্ন ছিল জামালের, সেই স্থানেই তাঁদের দাফন করা হয়েছে। দাফনকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের সময় বেঁচে যাওয়া শিশু জান্নাতুল কবরের পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় সে চিৎকার করে বলতে থাকে ‘এই ঘরো তোমরা পুতছো (শোয়া), আমারেও লইয়া যাও, আমিও এই নতুন ঘরো থাকবাম। বইন, আব্বা ও দাদু তোমরা আর কত ঘুমাইয়াবা। উইঠ্যা আইয়া পড়ো। না অইলে আমারেও লইয়া যাও। আমি অহন কিবায় থাকবাম’। জান্নাতুলের এমন কথা শুনে উপস্থিত লোকজন কেউই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।
জামালের স্ত্রী মরিয়ম অন্তঃসত্ত্বা। ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। স্বামী, দুই সন্তান ও শাশুড়িকে হারিয়ে তিনি এখন পাগলপ্রায়।
স্থানীয়রা জানায়, জামাল উদ্দিন অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। শনিবার সকালে আটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে দুপুরে বাড়িতে ফিরে এসে ঘরের ভেতরেই অটোরিকশাটি চার্জে বসান। এক পর্যায়ে তিনি বিদ্যুতায়িত হলে বাঁচাতে এগিয়ে যান বৃদ্ধা মা আনোয়ারা খাতুন (৬৫)। তখন তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। বিষয়টি টের পেয়ে বাবা ও দাদিকে বাঁচাতে এগিয়ে যায় ছয় বছর বয়সী শিশু কন্যা ফাইজা ও চার বছর বয়সী শিশু আনিকা। এ সময় তাঁরাও বিদ্যুস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
এলাকাবাসী আরো জানায়, নিজের জমিজমা না থাকায় পরের জায়গায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকতেন জামাল। বছর পাঁচেক আগে একটু ভালো থাকার জন্য কর্মের সন্ধানে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঢাকায় যান। সেখানে নিজে রিকশা চালাতেন ও স্ত্রী মরিয়ম একটি বেসরকারি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নকর্মীর কাজ করতেন। স্বামী-স্ত্রী দুইজনেরর উপার্জন থেকে একটু একটু করে টাকা জমিয়ে নিজ এলাকায় এক খণ্ড জমি কিনেন। এরপর আরও কিছু টাকা জমিয়ে ঘর করবেন, সেজন্য স্ত্রী মরিয়মকে ঢাকায় রেখে তিন সন্তান নিয়ে বাড়ি চলে যান জামাল। স্বপ্ন ছিল নিজের তৈরি করা ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সুখে থাকবেন। কিন্তু বিধিবাম, মুহূর্তেই সব কিছুই ধুলিস্যাৎ হয়ে গেল।
রবিবার সকালে জামালের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, হাজার হাজার মানুষ এসেছেন চারজনের জানাজা পড়তে। একটি ফসলি খেতে জানাজায় আসা হাজার হাজার লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। পাশের একটি বাড়িতে আহাজারি করছেন জামালের স্ত্রী মরিয়ম। আর একটু পর পর হাউমাউ করছেন জামালের বেঁচে যাওয়া মেয়েটি। তাঁকে সান্তনা দিতে এগিয়ে যাচ্ছেন অনেকেই।
নিহত জামালের বড় ভাই নুরুল হক বলেন, আমার ভাই জীবনে খুব কষ্ট করছে। একটা স্বপ্ন ছিল ঘরবাড়ি করে পরিবার নিয়ে একত্রে থাকবেন। কিন্তু তা আর হলো না।

সকাল ৯টার দিকে রানীগঞ্জ বাজারের কাছে একই মোটরসাইকেলে চড়ে ওই তিন আরোহী স্থানীয় একটি সড়ক থেকে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কে উঠছিলেন। এ সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় অপর দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
৭ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়া থেকে পাংশাগামী একটি ড্রামট্রাকের (বগুড়া ড ১১-২৭০৩) সঙ্গে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো ব-১৩ ০০৯৩) মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
৮ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ১৩ বন্ধু দেওভোগ এলাকার মোস্তাকুর রহমানের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরে বিকেলে কয়েকজন গোসলে নামেন। এ সময় পা পিছলে আজওয়াদ পানিতে দূরে চলে যান। অপর বন্ধু সোপান উদ্ধারের চেষ্টা করেন। পরে দুজনেই পানিতে তলিয়ে যান।
১ দিন আগে
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মৌলভীবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতসহ বৃষ্টি হয়। এ সময়ে তালেব মিয়া নিজ জমিতে ধান কাটার সময় এবং স্বপন মুন্ডা স্থানীয় রাবারবাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
১ দিন আগে