
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে 'অজানা আতঙ্ক' ঘিরে ধরেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। ভোটের পর দ্রুততম সময়ে ফলাফল ঘোষণার মাধ্যে এ 'আতঙ্ক' দূর করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, সব আতঙ্ক দূর করে নূন্যতম গ্রহণযোগ্য সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে দৃশ্যমান দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাজারে নির্বাচনে কারসাজির কথা আলোচিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ও জেলা রিটার্নিং অফিসারকে এ বিষয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। ভোট শেষ হওয়ার পর রাতে সব কেন্দ্রেই ফলাফল ঘোষণা নিশ্চিত করতে হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দুর্গাপূর শহিদ মিনারে নেত্রকোনা-১ আসনে কাস্তে মার্কার প্রার্থী মো. আলকাছ উদ্দীন মীরের সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ব্যবস্থা বদল করে সব মানুষের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করতে চায় সিপিবি। সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষায় আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখবেন, এমন দলের প্রতিনিধিকে সংসদে পাঠানো ছাড়া নিজেদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম অগ্রসর করা যাবে না। এর জন্য কাস্তে মার্কার প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।
স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তীব্র সমালোচনা করে সিপিবির এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, এরা দেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যেতে চায়। নারীদের ঘরে বন্দি করে রাখতে চায়। এদের প্রতিহত করতে হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে বন্দর ইজারা দেওয়া ও আমেরিকার সঙ্গে শুল্ক চুক্তি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রিন্স বলেন, আমেরিকার গোলামি দেশবাসী মেনে নেবে না। জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তির সঙ্গে জড়িতদের একদিন গণআদালতে বিচার করা হবে।
জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ আজ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং লুটপাটের রাজনীতিতে দিশেহারা। কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, ব্যবস্থার পরিবর্তন ছাড়া সাধারণ মানুষের মুক্তি সম্ভব নয়। দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে তাই জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. দিবালোক সিংহ সমাজতান্ত্রিক দেশ গড়াসহ বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিরসন এবং মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ে কাস্তে মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
নেত্রকোনা-১ আসনে সিপিবি প্রার্থী আলকাস উদ্দিন মীর বলেন, সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতায় ভোটে নির্বাচিত হলে অঞ্চলভিত্তিক কৃষি উন্নয়ন ও কৃষকের ফসলের নায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে। পাহাড়ি ও হাওর অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শ্রমজীবী মানুষের মজুরি বৃদ্ধি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি কাস্তে মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেন।
আলোচনা সভা শেষে মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করার মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
এর আগে জনসভার শুরুতেই কিংবদন্তি বিপ্লবী নেতা কমরেড মনি সিংহের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে স্মরণ ও নিরবতা পালন করা হয়।
কাস্তে মার্কার প্রার্থী মো. আলকাছ উদ্দীন মীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় জেলা সিপিবির নেতা নলিনী সরকার, মোশতাক আহমেদ, তাসলিমা বেগম, মোরশেদ আলমসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে 'অজানা আতঙ্ক' ঘিরে ধরেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। ভোটের পর দ্রুততম সময়ে ফলাফল ঘোষণার মাধ্যে এ 'আতঙ্ক' দূর করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, সব আতঙ্ক দূর করে নূন্যতম গ্রহণযোগ্য সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে দৃশ্যমান দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাজারে নির্বাচনে কারসাজির কথা আলোচিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ও জেলা রিটার্নিং অফিসারকে এ বিষয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। ভোট শেষ হওয়ার পর রাতে সব কেন্দ্রেই ফলাফল ঘোষণা নিশ্চিত করতে হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দুর্গাপূর শহিদ মিনারে নেত্রকোনা-১ আসনে কাস্তে মার্কার প্রার্থী মো. আলকাছ উদ্দীন মীরের সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ব্যবস্থা বদল করে সব মানুষের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করতে চায় সিপিবি। সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষায় আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখবেন, এমন দলের প্রতিনিধিকে সংসদে পাঠানো ছাড়া নিজেদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম অগ্রসর করা যাবে না। এর জন্য কাস্তে মার্কার প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।
স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তীব্র সমালোচনা করে সিপিবির এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, এরা দেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যেতে চায়। নারীদের ঘরে বন্দি করে রাখতে চায়। এদের প্রতিহত করতে হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে বন্দর ইজারা দেওয়া ও আমেরিকার সঙ্গে শুল্ক চুক্তি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রিন্স বলেন, আমেরিকার গোলামি দেশবাসী মেনে নেবে না। জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তির সঙ্গে জড়িতদের একদিন গণআদালতে বিচার করা হবে।
জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ আজ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং লুটপাটের রাজনীতিতে দিশেহারা। কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, ব্যবস্থার পরিবর্তন ছাড়া সাধারণ মানুষের মুক্তি সম্ভব নয়। দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে তাই জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. দিবালোক সিংহ সমাজতান্ত্রিক দেশ গড়াসহ বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিরসন এবং মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ে কাস্তে মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
নেত্রকোনা-১ আসনে সিপিবি প্রার্থী আলকাস উদ্দিন মীর বলেন, সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতায় ভোটে নির্বাচিত হলে অঞ্চলভিত্তিক কৃষি উন্নয়ন ও কৃষকের ফসলের নায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে। পাহাড়ি ও হাওর অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শ্রমজীবী মানুষের মজুরি বৃদ্ধি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি কাস্তে মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেন।
আলোচনা সভা শেষে মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করার মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
এর আগে জনসভার শুরুতেই কিংবদন্তি বিপ্লবী নেতা কমরেড মনি সিংহের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে স্মরণ ও নিরবতা পালন করা হয়।
কাস্তে মার্কার প্রার্থী মো. আলকাছ উদ্দীন মীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় জেলা সিপিবির নেতা নলিনী সরকার, মোশতাক আহমেদ, তাসলিমা বেগম, মোরশেদ আলমসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “চব্বিশ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা ও যুবকদের ভূমিকার কাছে আমরা ঋণী। তাঁদের হাত ধরেই আমরা আজ এখানে এসেছি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যুবকদের হাত ধরে এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশও আপনাদের হাত ধরেই এগিয়ে যাবে।”
৮ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) জেটি বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা বা দেওয়াসহ চার দাবিতে আবারও অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।
৯ ঘণ্টা আগে
চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী এখন আর ইসলামের মধ্যে নেই। তাদের কার্যক্রমে আর ইসলাম দেখা যায় না। তাদের ভেতরে আমেরিকার টিপস ঢুকে গেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এখানে অনেক রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা বা তাদের সন্তান রয়েছেন। আমি নিজেও এক শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আমার ভাই জীবন দিয়েছেন, কিন্তু বর্তমান অবস্থায় এমন বাংলাদেশের চিত্র দেখলে হয়তো তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতেন না।’
১১ ঘণ্টা আগে