
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে শেষ মূহূর্তে রাজনৈতিক মেরুকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুকে আনুষ্ঠানিক সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিএনপি জোটের গণঅধিকার পরিষদের (ট্রাক মার্কা) প্রার্থী আব্দুন নুর তালুকদার।
শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) রাত ১০টায় বড়লেখা পৌর শহরের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন আব্দুন নুর তালুকদার। এ সময় স্থানীয় গণঅধিকার ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর মাত্র তিন দিন আগে একই রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আব্দুর নুর তালুকদার তার ৬ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছিলেন। ওই ইশতেহারে তিনি মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত এলাকা গঠন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেন।
তবে হঠাৎ করে তার নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা বিরূপ মন্তব্য ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ইশতেহার ঘোষণার মাত্র কয়েক দিনের মাথায় এমন সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক, নির্বাচনের মাঠে এ সিদ্ধান্ত কী ধরনের প্রভাব ফেলবে— তা নিয়ে এখন স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা তুঙ্গে।
এ বিষয়ে আব্দুন নুর তালুকদার বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে ও দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় বৃহত্তর ঐক্য অপরিহার্য। সেই বিবেচনায় আমি দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক মৌলভীবাজার-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুকে সমর্থন দিয়ে ও তার পক্ষে কাজ করার অঙ্গীকার করে নির্বাচন থেকে আমি সরে দাঁড়ালাম।’
তিনি ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে সর্বশক্তি দিয়ে মাঠে কাজ করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন। বলেন, ‘এখন থেকে আমি ও আমার দল গণঅধিকার পরিষদের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করব।’
এদিকে একই সংবাদ সম্মেলনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ভূয়সী প্রশংসা করে ‘ধানের শীষে’র প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু বলেন, ‘গণঅধিকার পরিষদ এবং বিএনপির একসঙ্গে পথচলা মৌলভীবাজারের রাজনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করেছে।’
তিনি বলেন, এই সমর্থন মৌলভীবাজার-১ আসনে বৃহত্তর স্বার্থে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করবে। আমি আপনাদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন একসঙ্গে কাজ করব। এ ছাড়া এই রাজনৈতিক সমঝোতা গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মৌলভীবাজারের এই আসনের অন্য প্রার্থীরা হলেন— জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি বেলাল আহমেদ, জাতীয় পার্টির আহমেদ রিয়াজ উদ্দিন ও গণফ্রন্টের মো. শরীফুল ইসলাম।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে শেষ মূহূর্তে রাজনৈতিক মেরুকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুকে আনুষ্ঠানিক সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বিএনপি জোটের গণঅধিকার পরিষদের (ট্রাক মার্কা) প্রার্থী আব্দুন নুর তালুকদার।
শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) রাত ১০টায় বড়লেখা পৌর শহরের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন আব্দুন নুর তালুকদার। এ সময় স্থানীয় গণঅধিকার ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর মাত্র তিন দিন আগে একই রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আব্দুর নুর তালুকদার তার ৬ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছিলেন। ওই ইশতেহারে তিনি মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত এলাকা গঠন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেন।
তবে হঠাৎ করে তার নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা বিরূপ মন্তব্য ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ইশতেহার ঘোষণার মাত্র কয়েক দিনের মাথায় এমন সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক, নির্বাচনের মাঠে এ সিদ্ধান্ত কী ধরনের প্রভাব ফেলবে— তা নিয়ে এখন স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনা তুঙ্গে।
এ বিষয়ে আব্দুন নুর তালুকদার বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে ও দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় বৃহত্তর ঐক্য অপরিহার্য। সেই বিবেচনায় আমি দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক মৌলভীবাজার-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুকে সমর্থন দিয়ে ও তার পক্ষে কাজ করার অঙ্গীকার করে নির্বাচন থেকে আমি সরে দাঁড়ালাম।’
তিনি ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে সর্বশক্তি দিয়ে মাঠে কাজ করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন। বলেন, ‘এখন থেকে আমি ও আমার দল গণঅধিকার পরিষদের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করব।’
এদিকে একই সংবাদ সম্মেলনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ভূয়সী প্রশংসা করে ‘ধানের শীষে’র প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু বলেন, ‘গণঅধিকার পরিষদ এবং বিএনপির একসঙ্গে পথচলা মৌলভীবাজারের রাজনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করেছে।’
তিনি বলেন, এই সমর্থন মৌলভীবাজার-১ আসনে বৃহত্তর স্বার্থে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করবে। আমি আপনাদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন একসঙ্গে কাজ করব। এ ছাড়া এই রাজনৈতিক সমঝোতা গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মৌলভীবাজারের এই আসনের অন্য প্রার্থীরা হলেন— জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি বেলাল আহমেদ, জাতীয় পার্টির আহমেদ রিয়াজ উদ্দিন ও গণফ্রন্টের মো. শরীফুল ইসলাম।

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে