
তবিবর রহমান, যশোর

যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসনে ২১ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। মোট প্রদত্ত ভোটের শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশের কম ভোট পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন তারা। জেলায় ভোট পড়েছে মোট ৪২ দশমিক ৪১ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
যশোরের রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের চারটিতে নতুন মুখ বিজয়ী হয়েছেন। বর্তমান এমপিদের মধ্যে জিতেছেন দুইজন, পরাজিত হয়েছেন দুইজন আর দুইজন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। ছয় আসনের মধ্যে চারটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী বিজয়ী এবং দুটিতে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, যশোর-১ শার্শা আসনে জাতীয় পার্টির মো. আক্তারুজ্জামান, যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা এস এম হাবিবুর রহমান, জাতীয় পার্টির মুফতি ফিরোজ শাহ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আব্দুল আওয়াল, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফের শামছুল হক।
যশোর-৩ (সদর) আসনে বিকল্পধারা বাংলাদেশের মারুফ হাসান কাজল, জাতীয় পার্টির মাহবুব আলম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির অ্যাড. সুমন কুমার রায়, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. তৌহিদুজ্জামান, তৃণমূল বিএনপির মো. কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের শেখ নুরুজ্জামান নোঙর।
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া অভয়নগর বসুন্দিয়া) আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো বর্তমান এমপি স্বতন্ত্র প্রার্থী রণজিৎ কুমার রায়, তৃণমূল বিএনপির অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল এম শাব্বির আহমেদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সুকৃতি কুমার মন্ডল, ইসলামী ঐক্যজোটের ইউনুস আলী।
যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে ভোট বর্জন করা তৃণমূল বিএনপির আবু নসর মোহাম্মদ মোস্তফা ও জাতীয় পার্টির এম এ হালিম, ইসলামী ঐক্যজোটের হাফেজ মাওলানা নুরুল্লাহ আব্বাসী, যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে জাতীয় পার্টির জি এম হাসান।
প্রসঙ্গত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ৬টি সংসদীয় আসনে ভোটযুদ্ধে নামেন ৩২ জন প্রার্থী। নৌকার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র ৮ প্রার্থী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
এর মধ্যে বিজয়ী হয়েছেন যশোর-১ (শার্শা) আসনে শেখ আফিল উদ্দিন (নৌকা), যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন (নৌকা), যশোর-৩ (সদর) আসনে কাজী নাবিল আহমেদ (নৌকা), যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া) আসনে এনামুল হক বাবুল (নৌকা), যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে ইয়াকুব আলী (স্বতন্ত্র) ও যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে আজিজুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)।

যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসনে ২১ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। মোট প্রদত্ত ভোটের শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশের কম ভোট পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন তারা। জেলায় ভোট পড়েছে মোট ৪২ দশমিক ৪১ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
যশোরের রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের চারটিতে নতুন মুখ বিজয়ী হয়েছেন। বর্তমান এমপিদের মধ্যে জিতেছেন দুইজন, পরাজিত হয়েছেন দুইজন আর দুইজন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। ছয় আসনের মধ্যে চারটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী বিজয়ী এবং দুটিতে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, যশোর-১ শার্শা আসনে জাতীয় পার্টির মো. আক্তারুজ্জামান, যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা এস এম হাবিবুর রহমান, জাতীয় পার্টির মুফতি ফিরোজ শাহ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আব্দুল আওয়াল, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফের শামছুল হক।
যশোর-৩ (সদর) আসনে বিকল্পধারা বাংলাদেশের মারুফ হাসান কাজল, জাতীয় পার্টির মাহবুব আলম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির অ্যাড. সুমন কুমার রায়, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. তৌহিদুজ্জামান, তৃণমূল বিএনপির মো. কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের শেখ নুরুজ্জামান নোঙর।
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া অভয়নগর বসুন্দিয়া) আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো বর্তমান এমপি স্বতন্ত্র প্রার্থী রণজিৎ কুমার রায়, তৃণমূল বিএনপির অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল এম শাব্বির আহমেদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সুকৃতি কুমার মন্ডল, ইসলামী ঐক্যজোটের ইউনুস আলী।
যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে ভোট বর্জন করা তৃণমূল বিএনপির আবু নসর মোহাম্মদ মোস্তফা ও জাতীয় পার্টির এম এ হালিম, ইসলামী ঐক্যজোটের হাফেজ মাওলানা নুরুল্লাহ আব্বাসী, যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে জাতীয় পার্টির জি এম হাসান।
প্রসঙ্গত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ৬টি সংসদীয় আসনে ভোটযুদ্ধে নামেন ৩২ জন প্রার্থী। নৌকার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র ৮ প্রার্থী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
এর মধ্যে বিজয়ী হয়েছেন যশোর-১ (শার্শা) আসনে শেখ আফিল উদ্দিন (নৌকা), যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন (নৌকা), যশোর-৩ (সদর) আসনে কাজী নাবিল আহমেদ (নৌকা), যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া) আসনে এনামুল হক বাবুল (নৌকা), যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে ইয়াকুব আলী (স্বতন্ত্র) ও যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে আজিজুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃত শিশুদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি।
১৬ ঘণ্টা আগে
বন্ধুদের এমন অভিনব উদ্যোগকে ঘিরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। অতিথিদের মাঝে হাস্যরস আর আলোচনা— দুটিই ছিল চোখে পড়ার মতো।
১ দিন আগে
বগুড়া সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই আসন। উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম (বাদশা) ধানের শীষ, জামায়াতের আবিদুর রহমান (সোহেল) দাঁড়িপাল্লা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থী আল আমিন তালুকদার ফুলকপি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ দিন আগে
জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার পোকরারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাউজদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, করদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ পাঁচটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিম্নমানের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
২ দিন আগে